নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীতে রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশের সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলার শিকার হয়েছেন একাধিক সংবাদকর্মী। আজ শনিবার সকাল থেকে বিজয়নগর, কাকরাইল, ফকিরাপুল ও পল্টন এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়।
আহত সংবাদকর্মীরা হলেন নিউ এজের আহমেদ ফয়েজ, বাংলা ট্রিবিউনের প্রধান প্রতিবেদক সালমান তারেক শাকিল, ফটোসাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন ও নিজস্ব প্রতিবেদক জোবায়ের আহমেদ, দৈনিক কালবেলার অপরাধ প্রতিবেদক রাফসান জানি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার জনি রায়হান, আবু সালেহ মুসা, রবিউল ইসলাম রুবেল ও তৌহিদুল ইসলাম তারেক, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদক সালেকিন তারিন, ব্রেকিং নিউজের ক্রাইম রিপোর্টার কাজী ইহসান বিন দিদার, দৈনিক ইনকিলাবের ফটোসাংবাদিক এফ এ মাসুম, দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়ার রিপোর্টার তানভীর আহাম্মেদ, একুশে টিভির রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান ও ক্যামেরাপারসন আরিফুর রহমান, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সাংবাদিক আরিফুর রহমান রাব্বি, ইত্তেফাকের সাংবাদিক শেখ নাছের এবং ফ্রিল্যান্সার মারুফ।
সংবাদকর্মীরা জানান, আহতদের বেশির ভাগই বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন। কয়েকজন পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেটের আঘাতেও আহত হয়েছেন।
হামলার শিকার কালবেলার সাংবাদিক রাফসান জানি জানান, সকাল থেকে তিনি বিএনপির সমাবেশের সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। বেলা ১টার দিকে কাকরাইল মসজিদের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ তাঁর ওপর হামলা চালান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে আহতাবস্থায় অন্য সাংবাদিকেরা গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।
অন্যদিকে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নাইটিঙ্গেল মোড়ে দৈনিক আজকের পত্রিকার আলোকচিত্রী ওমর ফারুকের মোটরসাইকেলে (ঢাকা মেট্রো-হ ৫৫-৪৯৮৮) আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ছিলাম। পরে গাড়িটা যেখানে রেখেছিলাম সেখানে গেলাম। জাতীয় স্কাউট ভবনের সামনে, রাস্তার পাশে আমার মোটরসাইকেলটা রাখা ছিল। এসে দেখি পুড়ে শেষ, শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। অসহায়ের মতো কিছুক্ষণ থেকে পুরান পল্টনের দিকে আবার নিউজ কাভার করতে রওনা দিলাম।’

রাজধানীতে রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশের সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলার শিকার হয়েছেন একাধিক সংবাদকর্মী। আজ শনিবার সকাল থেকে বিজয়নগর, কাকরাইল, ফকিরাপুল ও পল্টন এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়।
আহত সংবাদকর্মীরা হলেন নিউ এজের আহমেদ ফয়েজ, বাংলা ট্রিবিউনের প্রধান প্রতিবেদক সালমান তারেক শাকিল, ফটোসাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন ও নিজস্ব প্রতিবেদক জোবায়ের আহমেদ, দৈনিক কালবেলার অপরাধ প্রতিবেদক রাফসান জানি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার জনি রায়হান, আবু সালেহ মুসা, রবিউল ইসলাম রুবেল ও তৌহিদুল ইসলাম তারেক, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদক সালেকিন তারিন, ব্রেকিং নিউজের ক্রাইম রিপোর্টার কাজী ইহসান বিন দিদার, দৈনিক ইনকিলাবের ফটোসাংবাদিক এফ এ মাসুম, দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়ার রিপোর্টার তানভীর আহাম্মেদ, একুশে টিভির রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান ও ক্যামেরাপারসন আরিফুর রহমান, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সাংবাদিক আরিফুর রহমান রাব্বি, ইত্তেফাকের সাংবাদিক শেখ নাছের এবং ফ্রিল্যান্সার মারুফ।
সংবাদকর্মীরা জানান, আহতদের বেশির ভাগই বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন। কয়েকজন পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেটের আঘাতেও আহত হয়েছেন।
হামলার শিকার কালবেলার সাংবাদিক রাফসান জানি জানান, সকাল থেকে তিনি বিএনপির সমাবেশের সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। বেলা ১টার দিকে কাকরাইল মসজিদের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ তাঁর ওপর হামলা চালান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পরে আহতাবস্থায় অন্য সাংবাদিকেরা গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।
অন্যদিকে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নাইটিঙ্গেল মোড়ে দৈনিক আজকের পত্রিকার আলোকচিত্রী ওমর ফারুকের মোটরসাইকেলে (ঢাকা মেট্রো-হ ৫৫-৪৯৮৮) আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ছিলাম। পরে গাড়িটা যেখানে রেখেছিলাম সেখানে গেলাম। জাতীয় স্কাউট ভবনের সামনে, রাস্তার পাশে আমার মোটরসাইকেলটা রাখা ছিল। এসে দেখি পুড়ে শেষ, শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। অসহায়ের মতো কিছুক্ষণ থেকে পুরান পল্টনের দিকে আবার নিউজ কাভার করতে রওনা দিলাম।’

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বেরোবি শাখার সভাপতি মো. সুমন সরকার।
৭ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হক ডকইয়ার্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আহমেদ দেওয়ান (৬০)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কাউটাইল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় আহমেদ দেওয়ানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আনা হয়।
৯ মিনিট আগে
তিনি বলেন, কোনো বিজিবির সদস্য যদি ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হয়ে কাজ করে তবে সে শুধু আইন ভাঙে না, রাষ্ট্রের নীতিকেও দুর্বল করে দেয়।
১২ মিনিট আগে
একটি কাভার্ডভ্যান পাশের একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেক করতে গিয়ে রিকশাচালক বাবুলকে চাপা দেয়। এ ঘটনার পর কাভার্ডভ্যান নিয়ে এর চালক পালিয়ে যায়।
১৪ মিনিট আগে