শ্যামপুর ও কদমতলী (ঢাকা) প্রতিনিধি

পাল্টে গেছে রাজধানীর জুরাইন ফ্লাইওভারের চিত্র। নানান রঙে রাঙানো হয়েছে ফ্লাইওভারের পিলার ও দেয়াল। শুধু তাই নয়, এখানে শিক্ষার্থীরা এঁকেছেন নানা আলপনা। লিখেছেন অনেক উপদেশমূলক বাণী। তবে নেই রাজনৈতিক দলের কোনো নেতার ছবি, নেই রাজনৈতিক স্লোগান।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-মাওয়া সড়কের জুরাইন এলাকার ফ্লাইওভারের নিচে রয়েছে কয়েকটি মোটা পিলার এবং চারদিকে রয়েছে কয়েকটি নিচু দেয়াল। এসব পিলার ও দেয়ালে রং দিয়ে নানা আলপনা ও ছবি এঁকেছেন কয়েকশ ছাত্র-ছাত্রী। পিলারে তাঁরা শহীদ মিনার ও গ্রামগঞ্জের অনেক চিত্র তুলে ধরেছেন। এখানে লেখা রয়েছে ‘এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ’, ‘নামাজ কায়েম করুন’, ‘মানুষের চেয়ে নহে কিছু বড় নহে কিছু মহীয়ান’ ইত্যাদি উপদেশমূলক বাণীও।
গত কয়েক দিন ধরে শিক্ষার্থীরা এই ফ্লাইওভারের নিচে কয়েক বছরের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। বন্ধ হয়েছে পাবলিকের প্রস্রাব করা। ফলে ফ্লাইওভারের নিচের অংশ হয়েছে চকচকে ও দূর হয়েছে প্রস্রাবের দুর্গন্ধ।
শিক্ষার্থী সুমন বলেন, ‘এত দিন ফ্লাইওভারের নিচের পিলার ও দেয়ালে এবং এর আশপাশে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল। সৌন্দর্য হারিয়েছিল ফ্লাইওভারের পরিবেশ। তাই আমরা এসব পরিষ্কার করে পিলার ও দেয়ালে সৌন্দর্য বর্ধনে রং দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও আলপনা আঁকছি। তবে আমরা কোনো দলের হয়ে কাজ করছি না বা কোনো রাজনৈতিক স্লোগানও লিখছি না।’
আরেক শিক্ষার্থী শায়লা বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে এসব সমাজ সেবামূলক কাজ করছি। কিন্তু জানি না আমরা চলে গেলে এসব ঠিক থাকবে কিনা। তবে আমরা পর্যায়ক্রমে এখানকার এই ফ্লাইওভারের সব পিলার ও দেয়াল রাঙাব।’
এলাকার বাসিন্দা জামান বলেন, এত দিন ফ্লাইওভারের নিচে ময়লা-আবর্জনায় নোংরা হয়ে ছিল। সে সঙ্গে প্রস্রাবের দুর্গন্ধে নাক চেপে হাঁটতে হতো। এখন আর সেসব নেই। পাল্টে গেছে এখানকার চেহারা। কিন্তু এটা কত দিন থাকে, সেটাই দেখার বিষয়।

পাল্টে গেছে রাজধানীর জুরাইন ফ্লাইওভারের চিত্র। নানান রঙে রাঙানো হয়েছে ফ্লাইওভারের পিলার ও দেয়াল। শুধু তাই নয়, এখানে শিক্ষার্থীরা এঁকেছেন নানা আলপনা। লিখেছেন অনেক উপদেশমূলক বাণী। তবে নেই রাজনৈতিক দলের কোনো নেতার ছবি, নেই রাজনৈতিক স্লোগান।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-মাওয়া সড়কের জুরাইন এলাকার ফ্লাইওভারের নিচে রয়েছে কয়েকটি মোটা পিলার এবং চারদিকে রয়েছে কয়েকটি নিচু দেয়াল। এসব পিলার ও দেয়ালে রং দিয়ে নানা আলপনা ও ছবি এঁকেছেন কয়েকশ ছাত্র-ছাত্রী। পিলারে তাঁরা শহীদ মিনার ও গ্রামগঞ্জের অনেক চিত্র তুলে ধরেছেন। এখানে লেখা রয়েছে ‘এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ’, ‘নামাজ কায়েম করুন’, ‘মানুষের চেয়ে নহে কিছু বড় নহে কিছু মহীয়ান’ ইত্যাদি উপদেশমূলক বাণীও।
গত কয়েক দিন ধরে শিক্ষার্থীরা এই ফ্লাইওভারের নিচে কয়েক বছরের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। বন্ধ হয়েছে পাবলিকের প্রস্রাব করা। ফলে ফ্লাইওভারের নিচের অংশ হয়েছে চকচকে ও দূর হয়েছে প্রস্রাবের দুর্গন্ধ।
শিক্ষার্থী সুমন বলেন, ‘এত দিন ফ্লাইওভারের নিচের পিলার ও দেয়ালে এবং এর আশপাশে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল। সৌন্দর্য হারিয়েছিল ফ্লাইওভারের পরিবেশ। তাই আমরা এসব পরিষ্কার করে পিলার ও দেয়ালে সৌন্দর্য বর্ধনে রং দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও আলপনা আঁকছি। তবে আমরা কোনো দলের হয়ে কাজ করছি না বা কোনো রাজনৈতিক স্লোগানও লিখছি না।’
আরেক শিক্ষার্থী শায়লা বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে এসব সমাজ সেবামূলক কাজ করছি। কিন্তু জানি না আমরা চলে গেলে এসব ঠিক থাকবে কিনা। তবে আমরা পর্যায়ক্রমে এখানকার এই ফ্লাইওভারের সব পিলার ও দেয়াল রাঙাব।’
এলাকার বাসিন্দা জামান বলেন, এত দিন ফ্লাইওভারের নিচে ময়লা-আবর্জনায় নোংরা হয়ে ছিল। সে সঙ্গে প্রস্রাবের দুর্গন্ধে নাক চেপে হাঁটতে হতো। এখন আর সেসব নেই। পাল্টে গেছে এখানকার চেহারা। কিন্তু এটা কত দিন থাকে, সেটাই দেখার বিষয়।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৫ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৫ ঘণ্টা আগে