ঢামেক প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত এক চিকিৎসককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে আরিফ হোসেন নামে এক মানসিক রোগীর বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে তাঁকে আটক করে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে আরিফের মা-বাবার অভিযোগ, থানায় নেওয়ার আগে তাঁদের ছেলেকে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ভেতরে নিয়ে মারধর করেছেন চিকিৎসকেরা। অনুরোধ করা সত্ত্বেও তাঁরা থামেননি।
আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ মো. মাসুদ আলম।
তিনি জানান, জরুরি বিভাগের (রুম-৪) নিউরোসার্জারি বিভাগের ডা. মনিমুল আহমেদের গালে চড় মারেন আরিফ হোসেন (১৮)। এরপর আনসার সদস্যরা তাঁকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাঁকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আরিফের বাবা মো. তাজউদ্দিন জানান, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ইউনিয়নের কাশিমপুর খিলমার্কেট এলাকায় তাঁরা থাকেন। সেখানে এক ছাপাখানায় কাজ করতেন আরিফ। কয়েক মাস আগে তাঁর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। স্থানীয় এক হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সপ্তাহখানেক আগে ফতুল্লার শান্তিনগর এলাকায় সোহেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয় আরিফের। সে সময় আরিফের অস্বাভাবিক আচরণে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে কয়েকজন মিলে মারধর করেন। আহত আরিফকে তখন নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি জানান, ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা আরিফের মাথায় সিটি স্ক্যান করানোর পাশাপাশি ভালো কোনো হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ জন্য আজ আরিফকে তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগে টিকিট কেটে ৪ নম্বর রুমে ঢোকার পর চিকিৎসক যখন জানতে চান, তাঁরা কোথা থেকে এসেছেন, ঠিক তখনই হঠাৎ আরিফ তাঁর গালে চড় মেরে বসেন।
আরিফের বাবা তাজউদ্দিন ও মা শিল্পী বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের ছেলের মাথায় সমস্যা আছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে সে। অন্যায়ভাবে সে আজকে ডাক্তারের গায়ে হাত তুলেছে। কিন্তু এরপর ডাক্তাররা আমাদের ছেলেকে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ভেতরে নিয়ে অনেক মারধর করে। মাটিতে ফেলে লাথি মারে। আমরা ডাক্তারদের পা ধরে মাফ চেয়েছি। তারপরও তারা মেরেছে তাকে।’
এ ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসকদের সেবা দিতে দেখা যায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত এক চিকিৎসককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে আরিফ হোসেন নামে এক মানসিক রোগীর বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে তাঁকে আটক করে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে আরিফের মা-বাবার অভিযোগ, থানায় নেওয়ার আগে তাঁদের ছেলেকে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ভেতরে নিয়ে মারধর করেছেন চিকিৎসকেরা। অনুরোধ করা সত্ত্বেও তাঁরা থামেননি।
আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ মো. মাসুদ আলম।
তিনি জানান, জরুরি বিভাগের (রুম-৪) নিউরোসার্জারি বিভাগের ডা. মনিমুল আহমেদের গালে চড় মারেন আরিফ হোসেন (১৮)। এরপর আনসার সদস্যরা তাঁকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাঁকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আরিফের বাবা মো. তাজউদ্দিন জানান, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ইউনিয়নের কাশিমপুর খিলমার্কেট এলাকায় তাঁরা থাকেন। সেখানে এক ছাপাখানায় কাজ করতেন আরিফ। কয়েক মাস আগে তাঁর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। স্থানীয় এক হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সপ্তাহখানেক আগে ফতুল্লার শান্তিনগর এলাকায় সোহেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয় আরিফের। সে সময় আরিফের অস্বাভাবিক আচরণে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে কয়েকজন মিলে মারধর করেন। আহত আরিফকে তখন নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি জানান, ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা আরিফের মাথায় সিটি স্ক্যান করানোর পাশাপাশি ভালো কোনো হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ জন্য আজ আরিফকে তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগে টিকিট কেটে ৪ নম্বর রুমে ঢোকার পর চিকিৎসক যখন জানতে চান, তাঁরা কোথা থেকে এসেছেন, ঠিক তখনই হঠাৎ আরিফ তাঁর গালে চড় মেরে বসেন।
আরিফের বাবা তাজউদ্দিন ও মা শিল্পী বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের ছেলের মাথায় সমস্যা আছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে সে। অন্যায়ভাবে সে আজকে ডাক্তারের গায়ে হাত তুলেছে। কিন্তু এরপর ডাক্তাররা আমাদের ছেলেকে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ভেতরে নিয়ে অনেক মারধর করে। মাটিতে ফেলে লাথি মারে। আমরা ডাক্তারদের পা ধরে মাফ চেয়েছি। তারপরও তারা মেরেছে তাকে।’
এ ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসকদের সেবা দিতে দেখা যায়নি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১০ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১১ ঘণ্টা আগে