
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবজাতক নাতনিকে দেখতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন দাদা আবদুল মালেক (৬২)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ৩টার দিকে আবদুল মালেক রাস্তা পাড় হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক এসে তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুল হক ভূঞা।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবির হাসান বলেন, ‘গতকাল সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আমার স্ত্রীর সিজারে মেয়ে বাচ্চা হয়। রাত প্রায় ১টার দিকে দেখি আমার মেয়ের অবস্থা অবনতির দিকে। ওই সময় বিষয়টি আমার বাবাকে ফোনে জানালে তিনি নাতনিকে দেখতে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে আসেন। বাবাকে হাসপাতালের রাস্তার বিপরীত পাশে সিএনজি নামিয়ে দেয়। তখনো আমাকে ফোন করে জানান রাস্তার উল্টাপাশে আছেন। রাস্তা পার হয়েই হাসপাতালে চলে আসছেন।
‘আমি অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর যখন দেখি বাবা আমাকে কল দিচ্ছে না। তখন বাবাকে ফোন দিলে অন্যপ্রান্ত থেকে আরেকজন কল রিসিভ করে বলেন, ‘‘আপনার বাবা অ্যাক্সিডেন্ট করেছে। অবস্থা ভালো না। তাঁকে হাসপাতালের জরুরি বিভাবে রাখা হয়েছে।’’ এরপর আমি দ্রুত জরুরি বিভাগে ছুটে গেলে ডাক্তার জানায় আমার বাবা মারা গেছে। আমার মেয়েকে দেখতে আসায় আমার বাবাকে হারিয়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে।’
এ ঘটনার বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুল হক ভূঞা বলেন, ‘এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া, আমরা ঘাতক ট্রাকটি আটকের চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৪ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৫ ঘণ্টা আগে