ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

‘ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকের জমজমাট ব্যবসা। এই মাদক ব্যবসার পেছনেও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। আমাদের নেতাগুলো এইখান থেকে ভাগ পায়।’ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণা সভায় এসব মন্তব্য করেছেন ঠাকুরগাঁও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য কামরুল ইসলাম খোকন।
গতকাল রোববার রাতে সদর উপজেলা গড়িয়া চণ্ডীপুর স্কুল মাঠে দেওয়া বক্তব্য ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় এ প্রার্থী বলছেন, ‘আমরা যদি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাচিত হই, আমরা কথা দিচ্ছি—ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাকে সর্বপ্রথম মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করব।’
কামরুল হাসান খোকন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন।
সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে অপর প্রার্থীরা দলীয় পদবি ব্যবহার করে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে ব্যবহার করে, বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ২০টা গুন্ডা, ৪০টা হোন্ডা নিয়ে নির্বাচন ঠান্ডা করার উৎসবের মেতে উঠেছেন। নির্বাচন যাঁরা করছেন সাধারণ মানুষের মুখোমুখি তাঁরা হচ্ছেন না।’
অপর প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘একজন নয়া মৌলভি সেজে মসজিদে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন, আরেকজন মন্দিরে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। এখন নির্বাচন আর রাজনীতি হচ্ছে অর্থ কামানোর একটা ব্যবসা।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এমপি নির্বাচন আসলে নানান রকম কথা বলেন; নানান রকম প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এখনো সদর উপজেলা অনেক কাঁচা রাস্তা রয়েছে, যেগুলো ১৫ বছর আগেও ছিল। অথচ প্রতিটি নির্বাচনে বলা হয় আমাকে ভোট দেন, আমাকে নির্বাচিত করলে আপনাদের কাঁচা রাস্তা পাকা করে দেব। কিন্তু কষ্টের সঙ্গে বলতে হয়, এখনো ওই কাঁচা রাস্তা পাকা আর হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন এমন অবস্থা তৈরি করেছি যে বিএনপির পাড়া আওয়ামী লীগ পাড়া, ভাগ করে ফেলছি। এই অবস্থা যদি চলতে থাকে, আর কোনো দিন যদি আমরা ক্ষমতায় না থাকি, বাত্তি জ্বালায় দিয়েও আমাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’
উল্লেখ্য, আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ মে) দ্বিতীয় পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কামরুল হাসানসহ চারজন চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন সদর উপজেলায়।
অন্যরা হলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান অরুণাংশু দত্ত, সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার, সহসভাপতি রওশনুল হক। নির্বাচনে প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

‘ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকের জমজমাট ব্যবসা। এই মাদক ব্যবসার পেছনেও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। আমাদের নেতাগুলো এইখান থেকে ভাগ পায়।’ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণা সভায় এসব মন্তব্য করেছেন ঠাকুরগাঁও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য কামরুল ইসলাম খোকন।
গতকাল রোববার রাতে সদর উপজেলা গড়িয়া চণ্ডীপুর স্কুল মাঠে দেওয়া বক্তব্য ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় এ প্রার্থী বলছেন, ‘আমরা যদি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাচিত হই, আমরা কথা দিচ্ছি—ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাকে সর্বপ্রথম মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করব।’
কামরুল হাসান খোকন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন।
সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে অপর প্রার্থীরা দলীয় পদবি ব্যবহার করে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে ব্যবহার করে, বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ২০টা গুন্ডা, ৪০টা হোন্ডা নিয়ে নির্বাচন ঠান্ডা করার উৎসবের মেতে উঠেছেন। নির্বাচন যাঁরা করছেন সাধারণ মানুষের মুখোমুখি তাঁরা হচ্ছেন না।’
অপর প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘একজন নয়া মৌলভি সেজে মসজিদে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন, আরেকজন মন্দিরে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। এখন নির্বাচন আর রাজনীতি হচ্ছে অর্থ কামানোর একটা ব্যবসা।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এমপি নির্বাচন আসলে নানান রকম কথা বলেন; নানান রকম প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এখনো সদর উপজেলা অনেক কাঁচা রাস্তা রয়েছে, যেগুলো ১৫ বছর আগেও ছিল। অথচ প্রতিটি নির্বাচনে বলা হয় আমাকে ভোট দেন, আমাকে নির্বাচিত করলে আপনাদের কাঁচা রাস্তা পাকা করে দেব। কিন্তু কষ্টের সঙ্গে বলতে হয়, এখনো ওই কাঁচা রাস্তা পাকা আর হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন এমন অবস্থা তৈরি করেছি যে বিএনপির পাড়া আওয়ামী লীগ পাড়া, ভাগ করে ফেলছি। এই অবস্থা যদি চলতে থাকে, আর কোনো দিন যদি আমরা ক্ষমতায় না থাকি, বাত্তি জ্বালায় দিয়েও আমাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’
উল্লেখ্য, আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ মে) দ্বিতীয় পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কামরুল হাসানসহ চারজন চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন সদর উপজেলায়।
অন্যরা হলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান অরুণাংশু দত্ত, সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার, সহসভাপতি রওশনুল হক। নির্বাচনে প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে