নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

ঢাকার সাভারে একটি বন্ধ পোশাক কারখানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামসহ প্রায় এক কোটি টাকার জাল নোট জব্দ করেছে। এ সময় পুলিশ জাল নোট তৈরি সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কারখানার মালিক ও তাঁর দুই সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।
আজ বুধবার সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর পুরান বড়ি এলাকায় বছির মার্কেটের পাশে সাউথ বেঙ্গল অ্যাপারেলস নামের পোশাক কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়। কারখানা মালিক সাখাওয়াত হোসেন এই জাল নোট তৈরি মূল হোতা বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জাল নোট উদ্ধারের খবর পেয়ে ঢাকার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান কারখানাটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জাল নোট তৈরির সঙ্গে সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেই বিপুল পরিমাণ এই জাল নোট তৈরি করা হচ্ছিল বলে তিনি জানান।
সাভার মডেল থানার পুলিশ জানায়, সাউথ বেঙ্গল অ্যাপারেলসের মালিক সাখাওয়াত হোসেন গতকাল বুধবার সকাল ৯টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকান থেকে লিচু কিনে জাল নোট দেন। বিক্রেতা জাল নোট চিনতে পেরে আশপাশের দোকানিদের সহায়তায় তাঁকে (সাখাওয়াত) আটক করে সাভার থানাকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর দেহ তল্লাশি করে ১৭ হাজার টাকার জাল নোট পায়। এর পর পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জাল নোট তৈরির কারখানার সন্ধান দেন।
সাখাওয়াতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে সাউথ বেঙ্গল অ্যাপারেলসে গিয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ ৫০ লাখ টাকার প্রস্তুত করা জাল নোট আর প্রায় প্রস্তুত অবস্থায় থাকা আরও ৫০ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ এক বোতল বিদেশি মদ, একটি বিয়ার ও ১০০টি ইয়াবা বড়িসহ নাজমুল হোসেন (২৪) ও সুজন মিয়া (৩০) নামে সাখাওয়াতের দুই সহযোগীকে আটক করে। তাঁরা কারখানায় বসে জাল নোট তৈরি করছিলেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী চাঁনমিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটি দেখে আসছি। আমরা মনে করতাম কারখানাটির ভেতরে পোশাক তৈরি হয়। কিন্তু এখন দেখছি পোশাকের পরিবর্তে জাল নোট তৈরি করা হতো।’
অপর এক এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এলাকার কয়েকজনের ওই কারখানায় যাতায়াত ছিল। তাঁরা জাল নোট তৈরির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘পোশাক কারখানা দিয়ে লাভবান হতে পারিনি। এ কারণে পেশা বদল করে টিকে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো পেশাতেই ভালো করতে পারিনি। অবশেষে অনেকটা নিরুপায় হয়ে ছয় মাস আগে জাল নোটের কারখানা দেই। লাখ জাল নোট বিক্রি করে ২০ হাজার আসল টাকা পাওয়া যেত।’
জানতে চাইলে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, সরঞ্জামসহ জাল নোট ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকৃতদের কাছ থেকে আরও অনেকের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। যাচাইবাছাই করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

ঢাকার সাভারে একটি বন্ধ পোশাক কারখানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামসহ প্রায় এক কোটি টাকার জাল নোট জব্দ করেছে। এ সময় পুলিশ জাল নোট তৈরি সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কারখানার মালিক ও তাঁর দুই সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।
আজ বুধবার সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর পুরান বড়ি এলাকায় বছির মার্কেটের পাশে সাউথ বেঙ্গল অ্যাপারেলস নামের পোশাক কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়। কারখানা মালিক সাখাওয়াত হোসেন এই জাল নোট তৈরি মূল হোতা বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জাল নোট উদ্ধারের খবর পেয়ে ঢাকার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান কারখানাটি পরিদর্শন করেন। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জাল নোট তৈরির সঙ্গে সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেই বিপুল পরিমাণ এই জাল নোট তৈরি করা হচ্ছিল বলে তিনি জানান।
সাভার মডেল থানার পুলিশ জানায়, সাউথ বেঙ্গল অ্যাপারেলসের মালিক সাখাওয়াত হোসেন গতকাল বুধবার সকাল ৯টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকান থেকে লিচু কিনে জাল নোট দেন। বিক্রেতা জাল নোট চিনতে পেরে আশপাশের দোকানিদের সহায়তায় তাঁকে (সাখাওয়াত) আটক করে সাভার থানাকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর দেহ তল্লাশি করে ১৭ হাজার টাকার জাল নোট পায়। এর পর পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জাল নোট তৈরির কারখানার সন্ধান দেন।
সাখাওয়াতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে সাউথ বেঙ্গল অ্যাপারেলসে গিয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ ৫০ লাখ টাকার প্রস্তুত করা জাল নোট আর প্রায় প্রস্তুত অবস্থায় থাকা আরও ৫০ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ এক বোতল বিদেশি মদ, একটি বিয়ার ও ১০০টি ইয়াবা বড়িসহ নাজমুল হোসেন (২৪) ও সুজন মিয়া (৩০) নামে সাখাওয়াতের দুই সহযোগীকে আটক করে। তাঁরা কারখানায় বসে জাল নোট তৈরি করছিলেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী চাঁনমিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটি দেখে আসছি। আমরা মনে করতাম কারখানাটির ভেতরে পোশাক তৈরি হয়। কিন্তু এখন দেখছি পোশাকের পরিবর্তে জাল নোট তৈরি করা হতো।’
অপর এক এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এলাকার কয়েকজনের ওই কারখানায় যাতায়াত ছিল। তাঁরা জাল নোট তৈরির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘পোশাক কারখানা দিয়ে লাভবান হতে পারিনি। এ কারণে পেশা বদল করে টিকে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো পেশাতেই ভালো করতে পারিনি। অবশেষে অনেকটা নিরুপায় হয়ে ছয় মাস আগে জাল নোটের কারখানা দেই। লাখ জাল নোট বিক্রি করে ২০ হাজার আসল টাকা পাওয়া যেত।’
জানতে চাইলে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, সরঞ্জামসহ জাল নোট ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকৃতদের কাছ থেকে আরও অনেকের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। যাচাইবাছাই করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
৩ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৫ মিনিট আগে
সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে