
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আমাকে দেখলে কি মনে হয়, আমি জোচ্চুরি করার জন্য ব্যবসা করি।’ আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ মামলার শুনানি শেষে এ কথা বলেন।
গ্রামীণ টেলিকমের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বিচারিক আদালতে জামিন পাওয়ার পর ও অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি পেছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. ইউনূস। সেখানেই তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আমি অর্থ আত্মসাৎ করেছি, অর্থ পাচার করেছি, আমি সুদখোর—এ রকম ভয়াবহ শব্দ অভিযোগে বলা হয়েছে। এ অপরাধগুলো আমার গায়ে লাগানোর মতো অপরাধ কি না—সেটা আপনারাই বিবেচনা করবেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেশের জনগণ বিবেচনা করবে।’
নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক আমি না। আমি ১ কোটি গরিব মানুষকে গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক বানিয়েছি, তাদের মালিকানা দিয়েছি। আর কেউ তো দেয়নি। আমি নাকি ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছি, আমাকে নাকি পদ্মায় ফেলে চুবানো হবে—এ রকম অনেক কটু কথা বড় বড় প্রোগ্রামে বলা হয়েছে। মানুষ কিছুই গ্রহণ করেনি। আজকে যে অভিযোগ এসেছে অর্থ পাচারের, এগুলো সব আগের মতোই হয়রানি।’
আপনার সঙ্গে বারবার কেন এমন হচ্ছে—সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্ন তো আমিও আপনাদের মাধ্যমে বারবার করেছি। যারা আমার সঙ্গে এমন করছে এ ব্যাখ্যা তো তাঁরা দেবেন। আমি কেন এই ব্যাখ্যা দেব?’

ফরিদপুরে সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়া দুই নেতার এলাকায় আধিপত্য ও একটি বাজারে প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রায় সাত ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে পাট-পেঁয়াজ লুটপাটের অভিযোগসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া এ সংঘর্ষে দুটি উপজেলার চার থেকে পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেয়।
২ মিনিট আগে
‘আমার মা সকালে কাজে গিয়ে দুপুরে ফিরেছিল। আমি মাকে বাড়িতে রেখে বিকেলে ভ্যান চালাতে গিয়েছিলাম। মা সুস্থ ছিল। আমার সঙ্গে কথা বলেছে। রাতে মনিরামপুর বাজারে থাকতেই ফোনে শুনি, আমার মা বেঁচে নেই। তড়িঘড়ি বাড়ি এসে দেখি, মায়ের লাশ বারান্দায় শোয়ানো। থুতনির নিচে কাটা দাগ, রক্ত বের হয়ে আছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে
১১ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ করে শ্যামপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন। এঁদের মধ্যে মোহাম্মদ ফোরকানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে ইমরান শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
অভিযানকালে শটগানের ১৭টি গুলি, চায়না রাইফেলের ৩টি গুলি, ৫ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৮৩টি ইয়াবা, ২ দশমিক ০৪ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া,৯টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে