ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ বছর আগে মো. আবু বকর ছিদ্দিক হত্যার ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। পরে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই সময় গুরুতর আহত হন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আবু বকর ছিদ্দিক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।
ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১০ সালের ২ মার্চ সিন্ডিকেট সভায় ১০ ছাত্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। তাদের দুজন বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন করে। শুনানি করে হাই কোর্ট ২০১২ সালে বহিষ্কারাদেশ অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কর্তৃপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে, উচ্চ আদালতে আপিল করার মাধ্যমে মেধাবী ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক হত্যার বিষয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে।’
আবু বকরের মৃত্যুর আট বছর পর ২০১৮ সালে ওই মামলার রায়ে দশ আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ছিলেন। ওই মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও টাঙ্গাইলের মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
আবু বকর ছিদ্দিকের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী গ্রামে। তৃতীয় সেমিস্টার পর্যন্ত তার সিজিপিএ ছিল ৪ এর মধ্যে ৩.৭৫, যা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। চতুর্থ সেমিস্টারের ফল বের হওয়ার আগে তিনি খুন হন। ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
দিনমজুর রুস্তম আলীর সন্তান আবু বকর ছুটির সময় গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করতেন, প্রতিবেশীদের বাচ্চাকে পড়িয়ে নিজের পড়ার খরচ জোগাতেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে খান খান হয়ে যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ বছর আগে মো. আবু বকর ছিদ্দিক হত্যার ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। পরে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই সময় গুরুতর আহত হন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আবু বকর ছিদ্দিক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।
ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১০ সালের ২ মার্চ সিন্ডিকেট সভায় ১০ ছাত্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। তাদের দুজন বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন করে। শুনানি করে হাই কোর্ট ২০১২ সালে বহিষ্কারাদেশ অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কর্তৃপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে, উচ্চ আদালতে আপিল করার মাধ্যমে মেধাবী ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক হত্যার বিষয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে।’
আবু বকরের মৃত্যুর আট বছর পর ২০১৮ সালে ওই মামলার রায়ে দশ আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ছিলেন। ওই মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও টাঙ্গাইলের মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
আবু বকর ছিদ্দিকের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী গ্রামে। তৃতীয় সেমিস্টার পর্যন্ত তার সিজিপিএ ছিল ৪ এর মধ্যে ৩.৭৫, যা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। চতুর্থ সেমিস্টারের ফল বের হওয়ার আগে তিনি খুন হন। ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
দিনমজুর রুস্তম আলীর সন্তান আবু বকর ছুটির সময় গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করতেন, প্রতিবেশীদের বাচ্চাকে পড়িয়ে নিজের পড়ার খরচ জোগাতেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে খান খান হয়ে যায়।

মাদারীপুরের শিবচরে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ব্যাপারী কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
২৫ মিনিট আগে
টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
৩১ মিনিট আগে
উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেই ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। মো. তাহাসিন নামের ওই শিক্ষার্থী উদ্ভাবন করেছে ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি বিশেষ যন্ত্র, যা পানিতে ডুবে গেলেই শিশুর অভিভাবকের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত পাঠাবে।
৩৬ মিনিট আগে
গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে