নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-আখাউড়া রুটে ৩৩ ও ৩৬ নম্বর ট্রেন হিসেবে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা পরও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটির ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছায়নি।
স্টেশনে থাকা ট্রেনের আপডেট দেওয়া ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়, ট্রেনটি ছাড়ার সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে বেলা ১টা ১০ মিনিট।
ট্রেন দেরি করায় প্রায় ১০ জন যাত্রী স্টেশন ম্যানেজারের কক্ষে গিয়ে যাত্রার সময় জানতে চান। এ সময় তাঁরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। আমিনুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের সময় দেওয়া ছিল সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট। এরপর তিন ঘণ্টা কেটে গেছে, ট্রেনের খবর নেই। এরপর আবার নতুন সময় দিয়েছে।’
শহিদুল্লাহ নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেন এখনো প্ল্যাটফরমে আসেনি। অথচ কোনো ঘোষণাই দেয়নি। একটা টিকিটের জন্য পাঁচটা টিকিটের দাম কেটে নিচ্ছে। এসব অনিয়ম কেউ দেখে না।’
এ সময় স্টেশন মাস্টার শাহাদাৎ হোসেন যাত্রীদের জানান, ট্রেনটি ১২টা ৫৫ মিনিটে প্ল্যাটফরমে ঢুকবে। তিনি বলেন, ‘এটি বেসরকারি ট্রেন। আপনারা না জেনে টিকিট কেন কাটবেন? যারা টিকিট দিয়েছে, তাদের থেকে জেনে নিতে হবে?
ঈদযাত্রার প্রথম ছয় দিনে স্টেশনে শৃঙ্খলা থাকলেও সোমবার রাত থেকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ার পরে আর শৃঙ্খলা ধরে রাখতে পারছে না রেলওয়ে। স্টেশনের ভেতরে বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে দেখা যায় যাত্রীরা অপেক্ষা করছে। এখন পর্যন্ত ঈদযাত্রার ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় অভিযোগ নেই যাত্রীদের।
প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে ৪ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হয়েছে গত ২৫ মার্চ এবং ৫ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হয়েছে ২৬ মার্চ। ঈদের আগে আন্তনগর ট্রেনের ৭ এপ্রিলের টিকিট ২৮ মার্চ, ৮ এপ্রিলের টিকিট ২৯ মার্চ ও ৯ এপ্রিলের টিকিট ৩০ মার্চ বিক্রি করা হয়েছে। এ ছাড়া চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে ২৫ শতাংশ টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে।

ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-আখাউড়া রুটে ৩৩ ও ৩৬ নম্বর ট্রেন হিসেবে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা পরও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটির ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছায়নি।
স্টেশনে থাকা ট্রেনের আপডেট দেওয়া ড্যাশবোর্ডে দেখা যায়, ট্রেনটি ছাড়ার সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে বেলা ১টা ১০ মিনিট।
ট্রেন দেরি করায় প্রায় ১০ জন যাত্রী স্টেশন ম্যানেজারের কক্ষে গিয়ে যাত্রার সময় জানতে চান। এ সময় তাঁরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। আমিনুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের সময় দেওয়া ছিল সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট। এরপর তিন ঘণ্টা কেটে গেছে, ট্রেনের খবর নেই। এরপর আবার নতুন সময় দিয়েছে।’
শহিদুল্লাহ নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেন এখনো প্ল্যাটফরমে আসেনি। অথচ কোনো ঘোষণাই দেয়নি। একটা টিকিটের জন্য পাঁচটা টিকিটের দাম কেটে নিচ্ছে। এসব অনিয়ম কেউ দেখে না।’
এ সময় স্টেশন মাস্টার শাহাদাৎ হোসেন যাত্রীদের জানান, ট্রেনটি ১২টা ৫৫ মিনিটে প্ল্যাটফরমে ঢুকবে। তিনি বলেন, ‘এটি বেসরকারি ট্রেন। আপনারা না জেনে টিকিট কেন কাটবেন? যারা টিকিট দিয়েছে, তাদের থেকে জেনে নিতে হবে?
ঈদযাত্রার প্রথম ছয় দিনে স্টেশনে শৃঙ্খলা থাকলেও সোমবার রাত থেকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ার পরে আর শৃঙ্খলা ধরে রাখতে পারছে না রেলওয়ে। স্টেশনের ভেতরে বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে দেখা যায় যাত্রীরা অপেক্ষা করছে। এখন পর্যন্ত ঈদযাত্রার ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় অভিযোগ নেই যাত্রীদের।
প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে ৪ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হয়েছে গত ২৫ মার্চ এবং ৫ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হয়েছে ২৬ মার্চ। ঈদের আগে আন্তনগর ট্রেনের ৭ এপ্রিলের টিকিট ২৮ মার্চ, ৮ এপ্রিলের টিকিট ২৯ মার্চ ও ৯ এপ্রিলের টিকিট ৩০ মার্চ বিক্রি করা হয়েছে। এ ছাড়া চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে ২৫ শতাংশ টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১৫ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৩০ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে