ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে তাবলিগ জামাতের উদ্দেশে বের হয় ৭০ বছর বয়সী আবরু মিয়া নামের এক বৃদ্ধ। গত তিন দিন আগে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থেকে তাবলিগ জামাতের দল থেকে তিনি হারিয়ে যান। এমতাবস্থায় তাঁর সঙ্গীরা তাকে খুঁজতে থাকে। হারিয়ে যাওয়া সেই বৃদ্ধ মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন, সিলেটী ভাষায় কথা বলায় তার পরিচয় কেউ শনাক্ত করতে পারছিল না। পরে স্থানীয়রা ঘিওর থানা-পুলিশকে খবর দেয়।
ঘিওর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এস আই মো. আল মামুন লোকটির কাছে যায় এবং ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। ওই বৃদ্ধ জানান, তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল থানার চাইরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তবে কোথায় এসেছিলেন তা তাঁর মনে নেই।
এস আই মামুন বলেন, উক্ত ব্যক্তির ঠিকানায় আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। আমি মৌলভীবাজার জেলায় কর্মরত থাকাকালে বাহুবল থানার জনৈক ফজলু নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় ছিল। সেই সূত্র ধরে মোবাইলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং ঘটনার বিস্তারিত বলি। পরবর্তীতে ফজলু ভাইয়ের সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া লোকটির ছেলে তোফায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়।
এ সময় তোফায়েল হোসেন জানায়, তাঁর বাবা মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানা এলাকার কোনো এক মসজিদে তাবলিগ জামাতে ছিলেন। সেখান থেকে ৩ দিন যাবৎ পাওয়া যাচ্ছে না তাঁকে।
তিনি আরও বলেন, আমি তাবলিগ জামাতের আমির মো. আবদুল আহাদ মিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ঘিওর থানায় অন্যান্য সাথি ভাইদের নিয়ে হাজির হন।
ঘিওর থানার অফিসার রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ লোকটির পরিচয় শনাক্ত করার পর তার সফরসঙ্গী তাবলিগ জামাতের আমির মো. আবদুল আহাদ দৌলতপুর হতে ঘিওর থানায় হাজির হয়। হারিয়ে যাওয়ার বৃদ্ধ লোকটির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে তাবলিগ জামাতের উদ্দেশে বের হয় ৭০ বছর বয়সী আবরু মিয়া নামের এক বৃদ্ধ। গত তিন দিন আগে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থেকে তাবলিগ জামাতের দল থেকে তিনি হারিয়ে যান। এমতাবস্থায় তাঁর সঙ্গীরা তাকে খুঁজতে থাকে। হারিয়ে যাওয়া সেই বৃদ্ধ মানিকগঞ্জের ঘিওর বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন, সিলেটী ভাষায় কথা বলায় তার পরিচয় কেউ শনাক্ত করতে পারছিল না। পরে স্থানীয়রা ঘিওর থানা-পুলিশকে খবর দেয়।
ঘিওর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এস আই মো. আল মামুন লোকটির কাছে যায় এবং ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। ওই বৃদ্ধ জানান, তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল থানার চাইরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তবে কোথায় এসেছিলেন তা তাঁর মনে নেই।
এস আই মামুন বলেন, উক্ত ব্যক্তির ঠিকানায় আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। আমি মৌলভীবাজার জেলায় কর্মরত থাকাকালে বাহুবল থানার জনৈক ফজলু নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় ছিল। সেই সূত্র ধরে মোবাইলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং ঘটনার বিস্তারিত বলি। পরবর্তীতে ফজলু ভাইয়ের সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া লোকটির ছেলে তোফায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়।
এ সময় তোফায়েল হোসেন জানায়, তাঁর বাবা মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানা এলাকার কোনো এক মসজিদে তাবলিগ জামাতে ছিলেন। সেখান থেকে ৩ দিন যাবৎ পাওয়া যাচ্ছে না তাঁকে।
তিনি আরও বলেন, আমি তাবলিগ জামাতের আমির মো. আবদুল আহাদ মিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ঘিওর থানায় অন্যান্য সাথি ভাইদের নিয়ে হাজির হন।
ঘিওর থানার অফিসার রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ লোকটির পরিচয় শনাক্ত করার পর তার সফরসঙ্গী তাবলিগ জামাতের আমির মো. আবদুল আহাদ দৌলতপুর হতে ঘিওর থানায় হাজির হয়। হারিয়ে যাওয়ার বৃদ্ধ লোকটির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২২ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে