সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতা–কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ঢাকার আশুলিয়া থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ধামরাই এলাকার বাসিন্দা ধামরাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. হাবিব খান (৩১), আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলকাছ মোল্লা (৩৬), ইয়ারপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম (৪২), ধামসোনা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল তালুকদার (৩৫) ও আওয়ামী লীগের কর্মী লালমনিরহাট জেলার মজিদুল ইসলাম (২৮)।
পুলিশ জানায়, আশুলিয়াসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকার গার্মেন্টস শিল্প অস্থিতিশীল করার জন্য একটি চক্র পাঁয়তারা করছে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে তারা বিভিন্নভাবে শ্রমিকদের উসকানি দেয়। এতে শ্রমিকেরা বিভিন্ন পোশাক কারখানা ভাঙচুর করে ও রাস্তা অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ঘটায়।
এসব উসকানিদাতা এবং নেতৃত্ব প্রদানকারীদের দমন এবং আইনের আওতায় আনার জন্য আশুলিয়া থানা পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। যৌথ বাহিনীর এমন অভিযানেই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আশুলিয়া থানা-পুলিশ জানিয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর (রোববার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া শিমুলতলা এলাকার ইউফোরিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড নামক পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে নেমে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় শ্রমিকেরা র্যাবের গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করেন, সেনাবাহিনীর গাড়িতে ইটপাটকেল ছোড়েন। সেদিনের ঘটনায় পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেছিল। সেই মামলায় এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে আজ শনিবার আশুলিয়ার বেশির ভাগ কারখানা পুরোদমে চলছে। শিল্প পুলিশ জানিয়েছে ১৩ (১) ধারায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৩টি কারখানা ও ৩টি কারখানায় সাধারণ ছুটি চলছে। হা–মীম, শারমিন গ্রুপসহ অন্য সব প্রতিষ্ঠানে কাজ চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
শ্রম আইন-২০০৬–এর ১৩ (১) ধারাতে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা বিভাগে বেআইনি ধর্মঘটের কারণে মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারবেন; এমন বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকেরা কোনো মজুরি পাবেন না।
এর আগে শুক্রবার ছুটির দিনেও শিল্পাঞ্চলের ১৬০টি কারখানায় কাজ চলেছিল বলে জানিয়েছেন শিল্প পুলিশ-১–এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারোয়ার আলম।

সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতা–কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ঢাকার আশুলিয়া থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ধামরাই এলাকার বাসিন্দা ধামরাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. হাবিব খান (৩১), আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলকাছ মোল্লা (৩৬), ইয়ারপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম (৪২), ধামসোনা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল তালুকদার (৩৫) ও আওয়ামী লীগের কর্মী লালমনিরহাট জেলার মজিদুল ইসলাম (২৮)।
পুলিশ জানায়, আশুলিয়াসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকার গার্মেন্টস শিল্প অস্থিতিশীল করার জন্য একটি চক্র পাঁয়তারা করছে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে তারা বিভিন্নভাবে শ্রমিকদের উসকানি দেয়। এতে শ্রমিকেরা বিভিন্ন পোশাক কারখানা ভাঙচুর করে ও রাস্তা অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ঘটায়।
এসব উসকানিদাতা এবং নেতৃত্ব প্রদানকারীদের দমন এবং আইনের আওতায় আনার জন্য আশুলিয়া থানা পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে। যৌথ বাহিনীর এমন অভিযানেই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আশুলিয়া থানা-পুলিশ জানিয়েছে, ৮ সেপ্টেম্বর (রোববার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া শিমুলতলা এলাকার ইউফোরিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড নামক পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে নেমে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় শ্রমিকেরা র্যাবের গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করেন, সেনাবাহিনীর গাড়িতে ইটপাটকেল ছোড়েন। সেদিনের ঘটনায় পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর পুলিশ বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেছিল। সেই মামলায় এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে আজ শনিবার আশুলিয়ার বেশির ভাগ কারখানা পুরোদমে চলছে। শিল্প পুলিশ জানিয়েছে ১৩ (১) ধারায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৩টি কারখানা ও ৩টি কারখানায় সাধারণ ছুটি চলছে। হা–মীম, শারমিন গ্রুপসহ অন্য সব প্রতিষ্ঠানে কাজ চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
শ্রম আইন-২০০৬–এর ১৩ (১) ধারাতে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা বিভাগে বেআইনি ধর্মঘটের কারণে মালিক উক্ত শাখা বা প্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারবেন; এমন বন্ধের ক্ষেত্রে ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকেরা কোনো মজুরি পাবেন না।
এর আগে শুক্রবার ছুটির দিনেও শিল্পাঞ্চলের ১৬০টি কারখানায় কাজ চলেছিল বলে জানিয়েছেন শিল্প পুলিশ-১–এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারোয়ার আলম।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১৩ মিনিট আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১৬ মিনিট আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
৩০ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে