নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, বাংলাদেশ পরিবর্তন হয়েছে। আধুনিক বাংলাদেশ হয়েছে। এ কথা আমাদের স্বীকার করতে হবে। বিরোধী দলে থেকেও সত্যের গান গাইব। জয়ের গান গাইব।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের পর বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে রুহুল আমিন বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতিও উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন। রাষ্ট্রপতি ভেবেছেন বাংলাদেশ একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কঠিন সময় অতিক্রম করতে হবে। সবকিছু এখানে ভালো। কিন্তু দুর্নীতি নির্মূল করার জন্য সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা নিতে হবে।
দুর্নীতিবাজকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। দেশের বাইরে এত টাকা চলে গেছে। বিরোধী দল হিসেবে বলব-এভাবে দেশের টাকা বিদেশে চলে যায়। আর আমরা এখানে নীরব থেকে অনারিয়াম নিচ্ছি-এটা হতে পারে না। সংসদ সদস্যদের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে জাপার এমপি বলেন, বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হত না। যারা প্রস্তুত ছিল নির্বাচন ভন্ডুল করবে। তারা করল না। তাদের যে বিবেকের বিষয়। চিন্তা করল-না, ধ্বংসের পথে যাব না। তাদেরকে বলব ভবিষ্যতে এই সংসদে আসেন। একটি শান্তির নীড় আমরা তৈরি করি এই সংসদকে। যেখানে জাতীয় সমস্যার আমরা সমাধান করব।
ছয়বার সংসদে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ছয়বার সংসদে এসেছি। সরকারে থাকলে হয়তো একটু বেশি কাজ করা যায়। কিন্তু জোটে থাকলেও কম করা যায় না। আমরা এক যোগে আছি। জোটে ছিলাম। এখন জোটের কাছাকাছি না কী? আমি এ ব্যাপারে কিছু বলব না। আমরা চেয়ারম্যান জি এম কাদের সাহেবের নেতৃত্ব বিরোধী দলে আছি।
রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হয়। তাহলে দেশের উন্নয়ন হয়। দেশের শান্তি থাকে। স্থিতিশীলতা থাকে। মানুষের নিরাপত্তা থাকে। বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নতশীল দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছি।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ও কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, বাংলাদেশ পরিবর্তন হয়েছে। আধুনিক বাংলাদেশ হয়েছে। এ কথা আমাদের স্বীকার করতে হবে। বিরোধী দলে থেকেও সত্যের গান গাইব। জয়ের গান গাইব।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের পর বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে রুহুল আমিন বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতিও উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন। রাষ্ট্রপতি ভেবেছেন বাংলাদেশ একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কঠিন সময় অতিক্রম করতে হবে। সবকিছু এখানে ভালো। কিন্তু দুর্নীতি নির্মূল করার জন্য সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা নিতে হবে।
দুর্নীতিবাজকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। দেশের বাইরে এত টাকা চলে গেছে। বিরোধী দল হিসেবে বলব-এভাবে দেশের টাকা বিদেশে চলে যায়। আর আমরা এখানে নীরব থেকে অনারিয়াম নিচ্ছি-এটা হতে পারে না। সংসদ সদস্যদের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে জাপার এমপি বলেন, বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হত না। যারা প্রস্তুত ছিল নির্বাচন ভন্ডুল করবে। তারা করল না। তাদের যে বিবেকের বিষয়। চিন্তা করল-না, ধ্বংসের পথে যাব না। তাদেরকে বলব ভবিষ্যতে এই সংসদে আসেন। একটি শান্তির নীড় আমরা তৈরি করি এই সংসদকে। যেখানে জাতীয় সমস্যার আমরা সমাধান করব।
ছয়বার সংসদে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ছয়বার সংসদে এসেছি। সরকারে থাকলে হয়তো একটু বেশি কাজ করা যায়। কিন্তু জোটে থাকলেও কম করা যায় না। আমরা এক যোগে আছি। জোটে ছিলাম। এখন জোটের কাছাকাছি না কী? আমি এ ব্যাপারে কিছু বলব না। আমরা চেয়ারম্যান জি এম কাদের সাহেবের নেতৃত্ব বিরোধী দলে আছি।
রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হয়। তাহলে দেশের উন্নয়ন হয়। দেশের শান্তি থাকে। স্থিতিশীলতা থাকে। মানুষের নিরাপত্তা থাকে। বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নতশীল দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছি।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
২২ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে