নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাজারে প্রচলিত টাইগার, স্পিড, গুরু ইত্যাদি ড্রিংকস বিএসটিআইয়ের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাজারজাত করছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজির মাহমুদ হূমায়ুন। বাংলাদেশে উৎপাদিত বেভারেজ জাতীয় পণ্যে নেশাজাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শিল্প মন্ত্রী বলেন, সরকার এ পর্যন্ত ২৭৩টি পণ্যকে বিএসটিআইয়ের আওতাভুক্ত করেছে। এনার্জি ড্রিংকস দেশের বাধ্যতামূলক পণ্যের আওতাভুক্ত নয়। তবে দেশে উৎপাদিত টাইগার, স্পিড, গুরু ইত্যাদি নামে যেসকল ড্রিংকস বাজারজাত করা হচ্ছে সেগুলো বিএসটিআই থেকে কার্বোনেটেড বেভারেজ হিসেবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লাইসেন্স গ্রহণ করেছে। বিগত এক বছরে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বাজারে প্রচলিত এ সকল ২৩৭টি নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। বাংলাদেশের মান অনুযায়ী সকল নমুনাই কৃতকার্য হয়েছে।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে নুরুন্নবী চৌধুরী তার প্রশ্নে শক্তিসঞ্চারের নামে এনার্জি ড্রিংকস মানবদেহে ভয়ংকর রোগের বাহক ঢুকাচ্ছে, অনেকগুলি ব্র্যান্ডে মিলছে মাদকের উপাদান; বিএসটিআই-এর ভুয়া লাইসেন্সে ২৭ ব্র্যান্ড বিক্রি হচ্ছে; মেশানো হচ্ছে যৌন উত্তেজক ভায়াগ্রার উপাদান, কর ফাঁকি দিয়ে এনার্জি ড্রিংকস হয়ে গেছে কোমল পানীয়। বিষয়টি সত্য কী না তা জানতে চান। সত্য হলে এর বিরুদ্ধে বিএসটিআই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কী না তা জানতে চান।
জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে বেভারেজ জাতীয় পণ্যের (স্পিড, রয়েল টাইগার, ব্লাক হর্স, বুলডোজার, পাওয়ার, হাহু, পুরু, গিয়ার, স্ট্রং এবং রেডবুল) নমুনা পরীক্ষা করে নেশাজাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে এনার্জি ড্রিংকস নামে বাজারে বিক্রিত পানীয়তে নেশা জাতীয় দ্রব্যের মিশ্রণ ও বাজারজাত রোধে মনিটরিং করা হচ্ছে।

বাজারে প্রচলিত টাইগার, স্পিড, গুরু ইত্যাদি ড্রিংকস বিএসটিআইয়ের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাজারজাত করছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজির মাহমুদ হূমায়ুন। বাংলাদেশে উৎপাদিত বেভারেজ জাতীয় পণ্যে নেশাজাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শিল্প মন্ত্রী বলেন, সরকার এ পর্যন্ত ২৭৩টি পণ্যকে বিএসটিআইয়ের আওতাভুক্ত করেছে। এনার্জি ড্রিংকস দেশের বাধ্যতামূলক পণ্যের আওতাভুক্ত নয়। তবে দেশে উৎপাদিত টাইগার, স্পিড, গুরু ইত্যাদি নামে যেসকল ড্রিংকস বাজারজাত করা হচ্ছে সেগুলো বিএসটিআই থেকে কার্বোনেটেড বেভারেজ হিসেবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লাইসেন্স গ্রহণ করেছে। বিগত এক বছরে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বাজারে প্রচলিত এ সকল ২৩৭টি নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। বাংলাদেশের মান অনুযায়ী সকল নমুনাই কৃতকার্য হয়েছে।
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে নুরুন্নবী চৌধুরী তার প্রশ্নে শক্তিসঞ্চারের নামে এনার্জি ড্রিংকস মানবদেহে ভয়ংকর রোগের বাহক ঢুকাচ্ছে, অনেকগুলি ব্র্যান্ডে মিলছে মাদকের উপাদান; বিএসটিআই-এর ভুয়া লাইসেন্সে ২৭ ব্র্যান্ড বিক্রি হচ্ছে; মেশানো হচ্ছে যৌন উত্তেজক ভায়াগ্রার উপাদান, কর ফাঁকি দিয়ে এনার্জি ড্রিংকস হয়ে গেছে কোমল পানীয়। বিষয়টি সত্য কী না তা জানতে চান। সত্য হলে এর বিরুদ্ধে বিএসটিআই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কী না তা জানতে চান।
জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে বেভারেজ জাতীয় পণ্যের (স্পিড, রয়েল টাইগার, ব্লাক হর্স, বুলডোজার, পাওয়ার, হাহু, পুরু, গিয়ার, স্ট্রং এবং রেডবুল) নমুনা পরীক্ষা করে নেশাজাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে এনার্জি ড্রিংকস নামে বাজারে বিক্রিত পানীয়তে নেশা জাতীয় দ্রব্যের মিশ্রণ ও বাজারজাত রোধে মনিটরিং করা হচ্ছে।

মেহেরপুরের ইসলামী ব্যাংক গাংনী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইসতিয়াক হাসান। ব্যাংকে কাজ করলেও কৃষির প্রতি তাঁর ভালোবাসা রয়েছে। তাই তিনি চাকরির পাশাপাশি শুরু করেছেন কৃষিকাজ। এক বন্ধুকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে উপজেলার দেবীপুর গ্রামে দেড় বিঘা জমিতে তিনি লাভজনক ফসল একাঙ্গী চাষ শুরু করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে সংগঠক ও আহত জুলাই যোদ্ধাসহ একসঙ্গে ১০ জন পদত্যাগ করেছেন। জেলা আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে বিতর্ক, কমিটির গঠনপ্রক্রিয়া ও কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা এবং আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক অভিযোগ তুলে তাঁরা পদত্যাগ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মোহাম্মদ আবু সাঈদ নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন থেকে তাঁকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৮ ঘণ্টা আগে