নুরুল আমীন রবীন, শরীয়তপুর

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে দেড় বছরের এক অসুস্থ শিশুকে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি স্যালাইন পুশ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিশুটির পেট ফুলে গেছে এবং আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা মো. মিজানুর রহমান পাহাড়।
শিশুটির পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার বার রাত পৌনে ৮টার দিকে আফিয়া সিদ্দিকা সাফা নামের ওই শিশুর ডায়রিয়ার চিকিৎসা করাতে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবার। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিশুটিকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এ সময় শিশুটিকে ৫০০ এমএল ডেক্সট্রোজ স্যালাইন দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তখন কর্তব্যরত নার্স মাহমুদা আফরোজ শিশুটির শরীরে ওই স্যালাইন পুশ করেন। স্যালাইনের প্রায় অর্ধেক পরিমাণ শরীরে প্রবেশের পর স্যালাইনের মেয়াদ উত্তীর্ণের বিষয়টি নজরে আসে শিশুটির বাবা মো. মিজানুর রহমানের। তিনি দেখতে পান, পুশ করা স্যালাইনের মেয়াদ চলতি বছরের জুন মাসে শেষ হয়ে গেছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনলে তাৎক্ষণিক শিশুটির দেহে থেকে স্যালাইনটি অপসারণ করে নতুন স্যালাইন পুশ করেন কর্তব্যরত নার্স।
মিজানুর রহমান বলেন, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে কর্তব্যরত নার্স মাহমুদা আফরোজ হাসপাতালে সংরক্ষিত সরকারি স্যালাইন পুশ করেন। স্যালাইন অর্ধেকের বেশি শেষ হওয়ার পরে লক্ষ্য করি স্যালাইনটির মেয়াদ দুই মাস আগে শেষ হয়ে গেছে। পরে স্যালাইন খুলে ফেলা হয়। এ অবস্থায় আমরা মেয়ের জন্য খুব চিন্তায় আছি। আগের চেয়ে খুব দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং পেট ফুলে গেছে। নার্স মেয়াদের তারিখ না দেখেই স্যালাইন পুশ করে। সে তার দায়িত্বে অবহেলা করেছে। আর কোনো রোগীর সঙ্গে যেন এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্য প্রতিকার এবং বিচার চাই।'
এই বিষয়ে নার্স মাহমুদ আফরোজের সঙ্গে কথা বলতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে সেলফোনে তাঁকে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি জবাব দেননি।
ঘটনার সম্পর্কে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মুনির আহমদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি জেনেছি। বিগত দুই তিন মাস হাসপাতালে কোনো সরকারি স্যালাইন ছিল না। কিছুদিন আগে আমাদের সরকারি বরাদ্দ এসেছে। সে বরাদ্দ থেকে একটি কার্টন খোলা হয়েছে, সেই কার্টন থেকে ৪ থেকে ৫ জনকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই কার্টনের মধ্যে মাত্র একটি মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন ছিল। যেটা ওই রোগীকে পুশ করা হয়। ওষুধটি মেয়াদ উত্তীর্ণ ছিল কি-না এটা দেখার দায়িত্ব ছিল কর্তব্যরত নার্সের। কিন্তু নার্স মাহমুদা আফরোজ এই বিষয়ে দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। স্যালাইনের মেয়াদ আছে কি-না তিনি সেটা না দেখেই বাচ্চাটিকে স্যালাইন পুশ করেন।
বিষয়টি সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে জানিয়েছেন শিশুর স্বজনেরা। এরই মধ্যে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই নার্সকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তার সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে দেড় বছরের এক অসুস্থ শিশুকে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি স্যালাইন পুশ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিশুটির পেট ফুলে গেছে এবং আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা মো. মিজানুর রহমান পাহাড়।
শিশুটির পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার বার রাত পৌনে ৮টার দিকে আফিয়া সিদ্দিকা সাফা নামের ওই শিশুর ডায়রিয়ার চিকিৎসা করাতে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবার। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিশুটিকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এ সময় শিশুটিকে ৫০০ এমএল ডেক্সট্রোজ স্যালাইন দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তখন কর্তব্যরত নার্স মাহমুদা আফরোজ শিশুটির শরীরে ওই স্যালাইন পুশ করেন। স্যালাইনের প্রায় অর্ধেক পরিমাণ শরীরে প্রবেশের পর স্যালাইনের মেয়াদ উত্তীর্ণের বিষয়টি নজরে আসে শিশুটির বাবা মো. মিজানুর রহমানের। তিনি দেখতে পান, পুশ করা স্যালাইনের মেয়াদ চলতি বছরের জুন মাসে শেষ হয়ে গেছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনলে তাৎক্ষণিক শিশুটির দেহে থেকে স্যালাইনটি অপসারণ করে নতুন স্যালাইন পুশ করেন কর্তব্যরত নার্স।
মিজানুর রহমান বলেন, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে কর্তব্যরত নার্স মাহমুদা আফরোজ হাসপাতালে সংরক্ষিত সরকারি স্যালাইন পুশ করেন। স্যালাইন অর্ধেকের বেশি শেষ হওয়ার পরে লক্ষ্য করি স্যালাইনটির মেয়াদ দুই মাস আগে শেষ হয়ে গেছে। পরে স্যালাইন খুলে ফেলা হয়। এ অবস্থায় আমরা মেয়ের জন্য খুব চিন্তায় আছি। আগের চেয়ে খুব দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং পেট ফুলে গেছে। নার্স মেয়াদের তারিখ না দেখেই স্যালাইন পুশ করে। সে তার দায়িত্বে অবহেলা করেছে। আর কোনো রোগীর সঙ্গে যেন এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্য প্রতিকার এবং বিচার চাই।'
এই বিষয়ে নার্স মাহমুদ আফরোজের সঙ্গে কথা বলতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে সেলফোনে তাঁকে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি জবাব দেননি।
ঘটনার সম্পর্কে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মুনির আহমদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি জেনেছি। বিগত দুই তিন মাস হাসপাতালে কোনো সরকারি স্যালাইন ছিল না। কিছুদিন আগে আমাদের সরকারি বরাদ্দ এসেছে। সে বরাদ্দ থেকে একটি কার্টন খোলা হয়েছে, সেই কার্টন থেকে ৪ থেকে ৫ জনকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই কার্টনের মধ্যে মাত্র একটি মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন ছিল। যেটা ওই রোগীকে পুশ করা হয়। ওষুধটি মেয়াদ উত্তীর্ণ ছিল কি-না এটা দেখার দায়িত্ব ছিল কর্তব্যরত নার্সের। কিন্তু নার্স মাহমুদা আফরোজ এই বিষয়ে দায়িত্বে অবহেলা করেছেন। স্যালাইনের মেয়াদ আছে কি-না তিনি সেটা না দেখেই বাচ্চাটিকে স্যালাইন পুশ করেন।
বিষয়টি সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে জানিয়েছেন শিশুর স্বজনেরা। এরই মধ্যে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই নার্সকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তার সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৭ মিনিট আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২৭ মিনিট আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩৩ মিনিট আগে