কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে চুরির অপবাদ দিয়ে জনসমক্ষে এক যুবককে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পেটাচ্ছেন আব্দুস সালাম নামের আওয়ামী লীগের এক নেতা। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনার পর নির্যাতনকারী, বৌলাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক এবং বৌলাই ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সালামকে আটক করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়কের বৌলাই নাকভাঙ্গা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম বাঁশের কঞ্চি দিয়ে এরশাদ মিয়াকে পেটাচ্ছেন। আর এরশাদ মিয়া বারবার এ কাজ করেননি বলে সালামের কাছে আকুতি করছেন। পরশ ও সোহরাব নামের দুজনকে জিজ্ঞেস করতেও বলেন এরশাদ।
এ ছাড়া সালিসে আহত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায় সোহরাব উদ্দিনকে। পরে আব্দুস সালাম সালিসে সিদ্ধান্ত দিয়ে বলেন, ‘আমি তাদের অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছি। এরশাদ মিয়া দেবে ৫০ হাজার ও সোহরাব উদ্দিন দেবে ৫০ হাজার টাকা। ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে টাকাগুলো সজল মিয়াকে দিয়ে দিতে হবে।’
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নির্যাতনকারী আব্দুস সালাম বৌলাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক এবং বৌলাই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৌলাই ইউনিয়নের পুরান বৌলাই গ্রামে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আব্দুল কদ্দুসের ছেলে সজল মিয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্দেহজনক একই এলাকার সোহরাব উদ্দিন ও এরশাদ মিয়াকে ওই বাড়ির পাশ থেকে আটক করা হয়। পরে মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে পরদিন বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আবারও সালিস ডেকে তাঁদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আলজাতীয় পাতা লাগিয়ে পানি দেওয়া হয়, কঞ্চি ও লাঠি দিয়ে পেটানো, কিলঘুষি দেওয়া হয়। অবশেষে জনসমক্ষে বেত্রাঘাত করা হয়। শুধু তা-ই নয়, দুজনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিশোধের জন্য ১৫ দিন সময় বেঁধে দেন আব্দুস সালাম।
সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘অনেক দিন ধরে আমার মাছ ধরার নেশা। ওই দিন রাত আনুমানিক ৩টায় সাবেক মেম্বার হাছান রাব্বানী লালুর সাথে মাছ ধরতে যাই। সজলদের বাড়ির পাশে একটা ব্রিজ আছে, সেটা পার হয়ে যাওয়ার পর শুনতে পাই, পাশের বাড়ির লোকজন চিৎকার করে বলছে, চোর আসছে। চিৎকার শুনে মেম্বার ও আমি দুজন ওইখানে যাই এবং চোর খুঁজতে বের হই। একপর্যায়ে আমাকে চোর বলতেছে। আমি মেম্বারকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতে যাই। এ সময় সজলের ভাই স্বপন আমাকে শার্টের কলার ধরে মারধর করে। পরে মেম্বার আমাকে বাঁচিয়ে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে আমি বাড়িতে চলে আসি।’
সোহরাব আরও বলেন, ‘বুধবার সকালে আবার আমাকে সালিসে যাওয়ার জন্য ডাকলে আমি যাওয়ামাত্র শার্টের কলার ধরে বাড়িতে নিয়ে টর্চার করে। আমাকে চোর বলে আমার শরীরে আঘাত করা হয়। লাঠি দিয়ে পিঠিয়েছে, চোতরাগাছ দিয়ে পিটিয়ে পানি দিয়েছে, কিলঘুষি তো আছেই। আর এরশাদ ছিল আলাদা। এরশাদকেও বাহির থেকে আনা হয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
সাবেক মেম্বার হাছান রাব্বানী লালু বলেন, ‘সোহরাবকে শুধু শুধু চোরের অপবাদ দেওয়া হয়েছে। আমি রাতে জাল দিয়ে কিংবা লাইটের আলো দিয়ে মাঝেমধ্যে মাছ ধরি। সে আমার সঙ্গে মাছ ধরতে এসেছিল। এ সময় সজলের ভাই স্বপন নিজেও আমার সঙ্গে তাকে (সোহরাব) দেখেছে, বাড়ির পাশে ব্রিজের ওপর তার সঙ্গে দেখা হয়েছে। চোর আসছে শুনে আমি ও সোহরাব দুজন মিলে আমার বাড়ি থেকে সজলদের বাড়িতে যাই। সেখানে যাওয়ার পর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। পরদিন দরবারের কথা বলে এনেও তাকে মারধর করা হয়েছে। কাজটি মোটেও ঠিক করেনি। চোরের অপবাদ দিয়ে জরিমানাও করা হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সজলের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম বলেন, সজল মিয়ার ঘর থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ২টি মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। অভিযুক্ত এরশাদ মিয়াকে সালাম তাঁর আত্মীয় দাবি করেন। সে জন্য তাঁকে শাসন করেছেন।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

কিশোরগঞ্জে চুরির অপবাদ দিয়ে জনসমক্ষে এক যুবককে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পেটাচ্ছেন আব্দুস সালাম নামের আওয়ামী লীগের এক নেতা। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনার পর নির্যাতনকারী, বৌলাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক এবং বৌলাই ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সালামকে আটক করেছে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়কের বৌলাই নাকভাঙ্গা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম বাঁশের কঞ্চি দিয়ে এরশাদ মিয়াকে পেটাচ্ছেন। আর এরশাদ মিয়া বারবার এ কাজ করেননি বলে সালামের কাছে আকুতি করছেন। পরশ ও সোহরাব নামের দুজনকে জিজ্ঞেস করতেও বলেন এরশাদ।
এ ছাড়া সালিসে আহত অবস্থায় বসে থাকতে দেখা যায় সোহরাব উদ্দিনকে। পরে আব্দুস সালাম সালিসে সিদ্ধান্ত দিয়ে বলেন, ‘আমি তাদের অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছি। এরশাদ মিয়া দেবে ৫০ হাজার ও সোহরাব উদ্দিন দেবে ৫০ হাজার টাকা। ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে টাকাগুলো সজল মিয়াকে দিয়ে দিতে হবে।’
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার বৌলাই ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নির্যাতনকারী আব্দুস সালাম বৌলাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক এবং বৌলাই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৌলাই ইউনিয়নের পুরান বৌলাই গ্রামে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আব্দুল কদ্দুসের ছেলে সজল মিয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্দেহজনক একই এলাকার সোহরাব উদ্দিন ও এরশাদ মিয়াকে ওই বাড়ির পাশ থেকে আটক করা হয়। পরে মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে পরদিন বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আবারও সালিস ডেকে তাঁদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আলজাতীয় পাতা লাগিয়ে পানি দেওয়া হয়, কঞ্চি ও লাঠি দিয়ে পেটানো, কিলঘুষি দেওয়া হয়। অবশেষে জনসমক্ষে বেত্রাঘাত করা হয়। শুধু তা-ই নয়, দুজনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিশোধের জন্য ১৫ দিন সময় বেঁধে দেন আব্দুস সালাম।
সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘অনেক দিন ধরে আমার মাছ ধরার নেশা। ওই দিন রাত আনুমানিক ৩টায় সাবেক মেম্বার হাছান রাব্বানী লালুর সাথে মাছ ধরতে যাই। সজলদের বাড়ির পাশে একটা ব্রিজ আছে, সেটা পার হয়ে যাওয়ার পর শুনতে পাই, পাশের বাড়ির লোকজন চিৎকার করে বলছে, চোর আসছে। চিৎকার শুনে মেম্বার ও আমি দুজন ওইখানে যাই এবং চোর খুঁজতে বের হই। একপর্যায়ে আমাকে চোর বলতেছে। আমি মেম্বারকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতে যাই। এ সময় সজলের ভাই স্বপন আমাকে শার্টের কলার ধরে মারধর করে। পরে মেম্বার আমাকে বাঁচিয়ে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে আমি বাড়িতে চলে আসি।’
সোহরাব আরও বলেন, ‘বুধবার সকালে আবার আমাকে সালিসে যাওয়ার জন্য ডাকলে আমি যাওয়ামাত্র শার্টের কলার ধরে বাড়িতে নিয়ে টর্চার করে। আমাকে চোর বলে আমার শরীরে আঘাত করা হয়। লাঠি দিয়ে পিঠিয়েছে, চোতরাগাছ দিয়ে পিটিয়ে পানি দিয়েছে, কিলঘুষি তো আছেই। আর এরশাদ ছিল আলাদা। এরশাদকেও বাহির থেকে আনা হয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
সাবেক মেম্বার হাছান রাব্বানী লালু বলেন, ‘সোহরাবকে শুধু শুধু চোরের অপবাদ দেওয়া হয়েছে। আমি রাতে জাল দিয়ে কিংবা লাইটের আলো দিয়ে মাঝেমধ্যে মাছ ধরি। সে আমার সঙ্গে মাছ ধরতে এসেছিল। এ সময় সজলের ভাই স্বপন নিজেও আমার সঙ্গে তাকে (সোহরাব) দেখেছে, বাড়ির পাশে ব্রিজের ওপর তার সঙ্গে দেখা হয়েছে। চোর আসছে শুনে আমি ও সোহরাব দুজন মিলে আমার বাড়ি থেকে সজলদের বাড়িতে যাই। সেখানে যাওয়ার পর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। পরদিন দরবারের কথা বলে এনেও তাকে মারধর করা হয়েছে। কাজটি মোটেও ঠিক করেনি। চোরের অপবাদ দিয়ে জরিমানাও করা হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সজলের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম বলেন, সজল মিয়ার ঘর থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ২টি মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। অভিযুক্ত এরশাদ মিয়াকে সালাম তাঁর আত্মীয় দাবি করেন। সে জন্য তাঁকে শাসন করেছেন।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে