আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছেন জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ছাত্র-জনতা। আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
এদিন সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি, আহত ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় সরকারকে তাঁরা সুচিকিৎসা ও আহতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ও নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি জানানো হয়। তাঁদের দাবিগুলো হলো—
১. আগামী এক সপ্তাহের (১৯ জানুয়ারি) মধ্যে আহত ও নিহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং তাঁদের পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) প্রদান করতে হবে।
২. আহতদের দ্রুত সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে (দেশে/বিদেশে)। গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের আজীবন বিনা মূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩.২০২৪ গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহতের পরিবারকে সরকারি মাসিক সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহত পরিবারকে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির পরিবারকে পরবর্তী কোনো সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা রাজনৈতিকভাবে কোনো হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া যাবে না, এই মর্মে আইন পাস করতে হবে।
৬. জটিলতা নিরসন করে শহীদ জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দ্রুত সহায়তা দিতে হবে।
৭. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
৮. ’২৪ গণ-অভ্যুত্থানের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে।
৯. সব দাবিগুলো সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছেন জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ছাত্র-জনতা। আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
এদিন সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হন জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি, আহত ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় সরকারকে তাঁরা সুচিকিৎসা ও আহতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির আহত ও নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি জানানো হয়। তাঁদের দাবিগুলো হলো—
১. আগামী এক সপ্তাহের (১৯ জানুয়ারি) মধ্যে আহত ও নিহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং তাঁদের পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) প্রদান করতে হবে।
২. আহতদের দ্রুত সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে (দেশে/বিদেশে)। গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের আজীবন বিনা মূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩.২০২৪ গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহতের পরিবারকে সরকারি মাসিক সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও নিহত পরিবারকে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির পরিবারকে পরবর্তী কোনো সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা রাজনৈতিকভাবে কোনো হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া যাবে না, এই মর্মে আইন পাস করতে হবে।
৬. জটিলতা নিরসন করে শহীদ জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দ্রুত সহায়তা দিতে হবে।
৭. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
৮. ’২৪ গণ-অভ্যুত্থানের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে।
৯. সব দাবিগুলো সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১১ ঘণ্টা আগে