
ফরিদপুর-২ আসনে শুরু হওয়া উপনির্বাচন ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন। এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ শনিবার পর্যবেক্ষণের সময় তিনি এ কথা জানান।
সিইসি বলেন, ‘আমরা সকাল থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। কোনো অনিয়ম দেখতে পাচ্ছি না। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। তবে ভোটার উপস্থিতি একটু কম।’
কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, পুরো আসনে ১২৩টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৫২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এ সময় স্থগিত থাকা গাইবান্ধা-৫ আসনের ভোটে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, আগে ৫১টি কেন্দ্রের ওপর তদন্ত করলেও কমিশন সব কটি কেন্দ্রের বিষয়ে তদন্ত করতে চায়। তার মানে, বাকি ৯৪টি কেন্দ্রেও কী ধরনের অনিয়ম হয়েছে, তা জানতে চায় ইসি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, বাকি ৯৪টি কেন্দ্রের তদন্তের জন্য কমিটিকে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তার পরই ব্যবস্থা।
এদিকে আজ শনিবার সকাল থেকে ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মনোনীত বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বকুল মিয়া।

‘মোবাইল ফোনে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকি পেয়ে ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে সকল প্রস্তুতি নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছি। নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই করতে হবে।’
৩ মিনিট আগে
স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতাকে আজ রিমান্ড শুনানির জন্য কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর পক্ষে আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২৪ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের দাঁড়িপাল্লার ব্যানার, ফেস্টুন পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় এসব ব্যানার, ফেস্টুন পোড়া
২৮ মিনিট আগে
আবেদনে বলা হয়েছে, লে. কর্নেল (অব.) কাজী মমরেজ মাহমুদ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৪৫ লাখ ১৫ হাজার টাকার সম্পদ গোপনের মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বিবরণী দাখিল করে এবং জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনপূর্বক দখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে