নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

অরগানিক ডিম, ব্রাউন ডিম, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ডিম, ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ডিম ও ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ ডিম—এমন নানা নামে ব্র্যান্ডিং করা হয়। সাধারণ ডিমের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হয় এগুলো। কিন্তু জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিক্রেতারা এসব দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখা পারেনি।
আজ বুধবার রাজধানীর এলাকার সুপারশপগুলোতে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মণ্ডলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সুপারশপ ও ডিম ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় আগোরা এবং ধানমন্ডি ২৭ এলাকায় স্বপ্ন সুপারশপ ও মীনা বাজারে অরগানিক ডিম, ব্রাউন ডিম, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ডিম, ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ডিম ও ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ ডিমের টেস্ট রিপোর্ট দেখতে চাওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে তা দেখাতে ব্যর্থ হয়। আগামী দুই দিনের মধ্যে টেস্ট রিপোর্টসহ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, সাধারণ ডিমের চেয়ে এই সমস্ত ডিম বেশি দামে বিক্রি হয়ে আসছে। এসব ডিমের উৎস সম্পর্কে বিক্রেতাদের ধারণা নেই, নেই কোনো নথিপত্র। সুপারশপ কর্তৃপক্ষ রেনাটা লিমিটেড, প্যারাগনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কিনে বিক্রয় করে থাকে। সুপার শপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মিরপুর–৭ মিল্ক ভিটা রোডে অবস্থিত রেনেটা লিমিটেড এবং মহাখালীতে অবস্থিত প্যারাগনে গিয়ে তাদের কাছেও এসব বিশেষ ডিমের টেস্ট রিপোর্ট, কোনো কর্তৃপক্ষের সনদপত্র পাওয়া যায়নি।
টেস্ট রিপোর্ট, সনদপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী রোববার সকাল ১০টায় অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আগোরা, স্বপ্ন, মীনা বাজার এবং ডিস্ট্রিবিউটর রেনাটা লিমিটেড ও প্যারাগন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অরগানিক ডিম, ব্রাউন ডিম, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ডিম, ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ডিম ও ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ ডিম—এমন নানা নামে ব্র্যান্ডিং করা হয়। সাধারণ ডিমের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হয় এগুলো। কিন্তু জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিক্রেতারা এসব দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখা পারেনি।
আজ বুধবার রাজধানীর এলাকার সুপারশপগুলোতে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মণ্ডলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন সুপারশপ ও ডিম ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারে বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় আগোরা এবং ধানমন্ডি ২৭ এলাকায় স্বপ্ন সুপারশপ ও মীনা বাজারে অরগানিক ডিম, ব্রাউন ডিম, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ডিম, ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ডিম ও ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ ডিমের টেস্ট রিপোর্ট দেখতে চাওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে তা দেখাতে ব্যর্থ হয়। আগামী দুই দিনের মধ্যে টেস্ট রিপোর্টসহ অধিদপ্তরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, সাধারণ ডিমের চেয়ে এই সমস্ত ডিম বেশি দামে বিক্রি হয়ে আসছে। এসব ডিমের উৎস সম্পর্কে বিক্রেতাদের ধারণা নেই, নেই কোনো নথিপত্র। সুপারশপ কর্তৃপক্ষ রেনাটা লিমিটেড, প্যারাগনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কিনে বিক্রয় করে থাকে। সুপার শপের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মিরপুর–৭ মিল্ক ভিটা রোডে অবস্থিত রেনেটা লিমিটেড এবং মহাখালীতে অবস্থিত প্যারাগনে গিয়ে তাদের কাছেও এসব বিশেষ ডিমের টেস্ট রিপোর্ট, কোনো কর্তৃপক্ষের সনদপত্র পাওয়া যায়নি।
টেস্ট রিপোর্ট, সনদপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী রোববার সকাল ১০টায় অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য আগোরা, স্বপ্ন, মীনা বাজার এবং ডিস্ট্রিবিউটর রেনাটা লিমিটেড ও প্যারাগন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে