
শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাস তার ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য, বৃদ্ধি ও মেধাবিকাশের ভিত্তি তৈরি করে। এ সময় শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সহজলভ্য ও পূর্ণাঙ্গ খাবার হলো মায়ের দুধ। এটি শুধু ক্ষুধা মেটায় না; শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়, মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে এবং ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন

শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউট করার বিকল্প নেই। তবে একটি কার্যকর ও সফল ওয়ার্কআউটের পেছনে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে সঠিক সময়ে সঠিক পুষ্টি গ্রহণ বা প্রি-ওয়ার্কআউট নিউট্রিশন।

প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কে স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক ‘ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং’ (এফওপিএল) রাখার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে প্যাকেটজাত খাদ্যের সামনের অংশে লেবেলিং

শরীরে দ্রুত পুষ্টি জোগাতে এবং শাকসবজি ও ফলের দৈনিক চাহিদা মেটাতে স্মুদির বিকল্প নেই। সকালে ঝটপট এনার্জি পেতে এক গ্লাস ফ্রুট স্মুদি অনেকের প্রিয়। আপনি হয়তো জানেন, স্মুদি তৈরির একটি ভুল অভ্যাসের কারণে এর আসল পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসের বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায়