
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর, লুটপাট ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন মিশু মোল্লাকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খাঁন।
তিনি জানান, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে সাজ্জাদ হোসেন মিশু মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন ভেঙে দেওয়া হয়। লুট করা হয় ওষুধ, টিকা, চিকিৎসা সরঞ্জামসহ মালামাল।
এ ঘটনায় বিএনপি নেতা হানিফ মিয়াসহ ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে শাহ আলী থানায় মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে। হামলা ও ভাঙচুরে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পদত্যাগ করেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, সরকারি কাজে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
২ মিনিট আগে
কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী লরিবহর। শনিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে যমুনা সেতু হয়ে বিশেষ লরিবহরটি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। এর আগে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পাবনার উদ্দেশে রওনা হয় লরিবহরটি।
৫ মিনিট আগে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
আমার কথা বা ব্যবহারে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে আমাকে সবাই ক্ষমা করে দিয়েন। আমি অনেক খারাপ একটা পরিস্থিতির মধ্যে জীবন পার করতেছি, আমার দ্বারা আর বেঁচে থাকা সম্ভব না। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না বা কাউকে যেন দোষারোপ করা না হয়—সবার কাছে আমার অনুরোধ থাকল। এখন সবাই সুখে-শান্তিতে থাকুক।
৪২ মিনিট আগে