জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত টিএসসিতে চায়ের দোকানগুলোর পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার প্রতিবাদে সারা দিন দোকান বন্ধ রেখেছেন দোকানিরা। এদিকে কারা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন, এ বিষয়ে জানেন না বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার সকাল থেকেই বন্ধ থাকতে দেখা যায় দোকানগুলো। তবে দোকান বন্ধ রাখলেও দোকানিরা দোকানেই অবস্থান করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী দোকানগুলোর পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেন। রং চা প্রতি কাপ ৫ টাকা, দুধ চা ৭, কলা প্রতিটি ৮, পাউরুটি ১০, কেক ১০, শিঙারা ৫, সমুচা ৮, সবজি রোল ১০, পাকোড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দোকানিরা এদিন তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (আজ বিকেল ৪টা) চায়ের দোকানগুলো বন্ধ দেখা গেছে।
দোকানিরা এই দামে পণ্য বিক্রি করতে রাজি নন। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির কারণে তাঁরা আগে যে দামে বিক্রি করতেন, সেই দামেই বিক্রি করতে চান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, ‘১০ টাকায় দুধ চা ও ৮ টাকায় রং চা বিক্রি করতে চাচ্ছি। তা না হলে আমরা দোকান খুলব না। সবকিছুর দামই বাড়তি। কীভাবে এত কম দামে সব বিক্রি করব? এভাবে হলে তো আমাদের দোকান ছেড়ে দিতে হবে।’
গতকালের ঘটনায় যুক্ত থাকা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আলো ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা যারা টিএসসিতে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি, সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্মুক্ত লাইব্রেরির শিক্ষার্থী। আমরা সবাই ভুক্তভোগী বিষয়টি নিয়ে। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গতকাল আমরা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমরা অনেক দিন সমন্বয়কদের বলে আসছিলাম বিষয়টি নিয়ে, কিন্তু কেউ উদ্যোগ না নেওয়ায় আমরাই নিয়েছি।’
জবি সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নূর নবী বলেন, ‘টিএসসিতে গতকাল যারা দাম নির্ধারণ করেছে, সেখানে আমাদের কেউই ছিল না। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই তারা দাম ঠিক করেছে। এতে একটা ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। টিএসসির বিষয়ে একটা কমিটি করা হয়েছে। আমরা আগামীকাল (মঙ্গলবার) খাবারের দাম নির্ধারণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলব।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত টিএসসিতে চায়ের দোকানগুলোর পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার প্রতিবাদে সারা দিন দোকান বন্ধ রেখেছেন দোকানিরা। এদিকে কারা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন, এ বিষয়ে জানেন না বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার সকাল থেকেই বন্ধ থাকতে দেখা যায় দোকানগুলো। তবে দোকান বন্ধ রাখলেও দোকানিরা দোকানেই অবস্থান করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী দোকানগুলোর পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেন। রং চা প্রতি কাপ ৫ টাকা, দুধ চা ৭, কলা প্রতিটি ৮, পাউরুটি ১০, কেক ১০, শিঙারা ৫, সমুচা ৮, সবজি রোল ১০, পাকোড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দোকানিরা এদিন তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (আজ বিকেল ৪টা) চায়ের দোকানগুলো বন্ধ দেখা গেছে।
দোকানিরা এই দামে পণ্য বিক্রি করতে রাজি নন। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির কারণে তাঁরা আগে যে দামে বিক্রি করতেন, সেই দামেই বিক্রি করতে চান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, ‘১০ টাকায় দুধ চা ও ৮ টাকায় রং চা বিক্রি করতে চাচ্ছি। তা না হলে আমরা দোকান খুলব না। সবকিছুর দামই বাড়তি। কীভাবে এত কম দামে সব বিক্রি করব? এভাবে হলে তো আমাদের দোকান ছেড়ে দিতে হবে।’
গতকালের ঘটনায় যুক্ত থাকা ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আলো ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা যারা টিএসসিতে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি, সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্মুক্ত লাইব্রেরির শিক্ষার্থী। আমরা সবাই ভুক্তভোগী বিষয়টি নিয়ে। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গতকাল আমরা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমরা অনেক দিন সমন্বয়কদের বলে আসছিলাম বিষয়টি নিয়ে, কিন্তু কেউ উদ্যোগ না নেওয়ায় আমরাই নিয়েছি।’
জবি সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নূর নবী বলেন, ‘টিএসসিতে গতকাল যারা দাম নির্ধারণ করেছে, সেখানে আমাদের কেউই ছিল না। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই তারা দাম ঠিক করেছে। এতে একটা ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। টিএসসির বিষয়ে একটা কমিটি করা হয়েছে। আমরা আগামীকাল (মঙ্গলবার) খাবারের দাম নির্ধারণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলব।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে