সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মেয়ের বাবা-মাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন ছেলের বাবাসহ সহযোগীরা। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মা। আজ শুক্রবার বিকেলে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার (এসআই) এমদাদুল হক।
মামলার অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার মৃত আমানুল্লাহ মাদবরের ছেলে মো. কালাম মাদবর (৫৫), মৃত বাঘা হাসানের ছেলে মো. আসাদুল (৪০), মো. মুকুল (৪৫), মৃত লাল মিয়া মৃধার ছেলে মো. আবুল বাসার (৪৮), গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. শাওন (২৫), মো. রাসেলসহ (৩৫) অজ্ঞাতনামা তিন-চারজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে ভুক্তভোগীদের নাবালিকা মেয়ের (১৪) সঙ্গে আসামি কালাম মাদবর তাঁর ছেলে বুলবুল মাদবরের বিয়ের প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দেড় বছর ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন কালাম মাদবর। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে পূর্ব নরসিংহপুর এলাকার একটি মার্কেটের গলিতে ৪ নম্বর আসামি আবুল বাশার ডেকে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা আসামিরা তাঁর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এ সময় ভুক্তভোগীর স্ত্রী খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর স্বামীকে রক্ষা করতে চাইলে তাঁকেও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে আজ আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে ইয়ারপুর ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. জলিল উদ্দিন ভুঁইয়া রাজন বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। তাঁদের মাথায় ও পায়ে রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন ছিল।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চলমান রয়েছে।

সাভারের আশুলিয়ায় বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মেয়ের বাবা-মাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন ছেলের বাবাসহ সহযোগীরা। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মা। আজ শুক্রবার বিকেলে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার (এসআই) এমদাদুল হক।
মামলার অভিযুক্তরা হলেন একই এলাকার মৃত আমানুল্লাহ মাদবরের ছেলে মো. কালাম মাদবর (৫৫), মৃত বাঘা হাসানের ছেলে মো. আসাদুল (৪০), মো. মুকুল (৪৫), মৃত লাল মিয়া মৃধার ছেলে মো. আবুল বাসার (৪৮), গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. শাওন (২৫), মো. রাসেলসহ (৩৫) অজ্ঞাতনামা তিন-চারজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে ভুক্তভোগীদের নাবালিকা মেয়ের (১৪) সঙ্গে আসামি কালাম মাদবর তাঁর ছেলে বুলবুল মাদবরের বিয়ের প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দেড় বছর ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন কালাম মাদবর। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে পূর্ব নরসিংহপুর এলাকার একটি মার্কেটের গলিতে ৪ নম্বর আসামি আবুল বাশার ডেকে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা আসামিরা তাঁর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এ সময় ভুক্তভোগীর স্ত্রী খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর স্বামীকে রক্ষা করতে চাইলে তাঁকেও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে আজ আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে ইয়ারপুর ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. জলিল উদ্দিন ভুঁইয়া রাজন বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। তাঁদের মাথায় ও পায়ে রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন ছিল।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চলমান রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে