নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তৈরি পোশাক খাতে সর্বনিম্ন মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে কারখানায় কোনো বিশৃঙ্খলা ও শ্রমিকের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকলে তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।
গত কিছুদিন ধরে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে আজ মঙ্গলবার উত্তরায় বিজিএমইএর নিজস্ব ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।
ফারুক হাসান বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মালিক-শ্রমিক ও সরকারের অংশীজনেরা কাজ করে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় তৈরি পোশাক কারখানা ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটার কোনো কারণ নাই। তার পরও যদি এই ঘটনাগুলো অব্যাহত থাকে, তাহলে মালিকপক্ষ জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানা বন্ধ করে দিতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা গভীরভাবে লক্ষ করছি যে বহিরাগতদের উসকানিতে গত এক সপ্তাহ ধরে শ্রমিক ভাই-বোনেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকেরা কারখানা ভাঙচুর করছে। ফলে অনেকে বাধ্য হচ্ছে কারখানা বন্ধ করে দিতে।’
বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, ‘আমি শ্রমিক ভাই-বোনদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনাদের অবদানের কারণে তৈরি পোশাকশিল্প এই পর্যায়ে আসতে পেরেছে। আপনারা এমন কিছু করবেন না, যাতে তৈরি পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং ক্রেতাদের আস্থা বিনষ্ট হয়। তারা তৈরি পোশাকশিল্প থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিলে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং আপনারা কর্মসংস্থান হারাবেন।’
কারখানার মালিকেরা দেশের অর্থনীতি ও পোশাকশিল্প সচল রাখতে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, ‘আমি মালিকদের জানাতে চাই, দেশের অর্থনীতি ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষার স্বার্থে যদি কোনো কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ না করে, তাহলে আপনারা কারখানা বন্ধ করে দিতে পারেন।’
বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘শ্রম আইনের ১৩/১ ব্যবহার করে মালিকপক্ষ পোশাক কারখানা বন্ধ করে দিতে পারে। শ্রম আইনের এই ধারায় কারখানা বন্ধ থাকলে শ্রমিকদের বেতন পাওয়ার বিধান নেই।’

তৈরি পোশাক খাতে সর্বনিম্ন মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে কারখানায় কোনো বিশৃঙ্খলা ও শ্রমিকের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকলে তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।
গত কিছুদিন ধরে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে আজ মঙ্গলবার উত্তরায় বিজিএমইএর নিজস্ব ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তিনি।
ফারুক হাসান বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মালিক-শ্রমিক ও সরকারের অংশীজনেরা কাজ করে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় তৈরি পোশাক কারখানা ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটার কোনো কারণ নাই। তার পরও যদি এই ঘটনাগুলো অব্যাহত থাকে, তাহলে মালিকপক্ষ জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানা বন্ধ করে দিতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা গভীরভাবে লক্ষ করছি যে বহিরাগতদের উসকানিতে গত এক সপ্তাহ ধরে শ্রমিক ভাই-বোনেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকেরা কারখানা ভাঙচুর করছে। ফলে অনেকে বাধ্য হচ্ছে কারখানা বন্ধ করে দিতে।’
বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, ‘আমি শ্রমিক ভাই-বোনদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনাদের অবদানের কারণে তৈরি পোশাকশিল্প এই পর্যায়ে আসতে পেরেছে। আপনারা এমন কিছু করবেন না, যাতে তৈরি পোশাকশিল্পের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং ক্রেতাদের আস্থা বিনষ্ট হয়। তারা তৈরি পোশাকশিল্প থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিলে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং আপনারা কর্মসংস্থান হারাবেন।’
কারখানার মালিকেরা দেশের অর্থনীতি ও পোশাকশিল্প সচল রাখতে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, ‘আমি মালিকদের জানাতে চাই, দেশের অর্থনীতি ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষার স্বার্থে যদি কোনো কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ না করে, তাহলে আপনারা কারখানা বন্ধ করে দিতে পারেন।’
বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘শ্রম আইনের ১৩/১ ব্যবহার করে মালিকপক্ষ পোশাক কারখানা বন্ধ করে দিতে পারে। শ্রম আইনের এই ধারায় কারখানা বন্ধ থাকলে শ্রমিকদের বেতন পাওয়ার বিধান নেই।’

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কলার হাটে উল্টে যাওয়া বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
৮ মিনিট আগে
টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর ১৭ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে এবং ব্যক্তিগত দেনা রয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫৬ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২ টাকা।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার কাহালুতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মমতাজ সোনার (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের গুড়বিশা বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মমতাজ সোনার গুড়বিশা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মালঞ্চা ইউনিয়ন পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মনজিলা বেগমের স্বামী।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৮ ঘণ্টা আগে