উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর তুরাগে কোরবানীর পশুহাটে মোটরসাইকেলযোগে এসে টাকার ব্যাগ ছিনতাইকালে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন দুই যুবক। গতকাল শনিবার (১৫ জুন) মধ্যরাতে তুরাগের দিয়াবাড়ি গরুর হাটের পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে তাঁদের ধরে ফেলে জনতা।
পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে তুরাগ থানা পুলিশ। তাঁরা হলেন—মাদারীপুর সদর উপজেলার জাফরবাদ গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে আউয়াল চৌকিদার (৩০) ও রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা বিহারী ক্যাম্পের মৃত মো. জামালের ছেলে মো. জুম্মন (২২)। আউয়াল বর্তমানে রামপুরার মধুবাগের মীরেরবাগে থাকেন।
আজ রোববার (১৬ জুন) আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির উত্তরা জোনের জেষ্ঠ্য সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সুমন কর।
জেষ্ঠ্য সহকারী কমিশনার (এসি) সুমন কর জানান, রাতে গরু কেনার জন্য টাকার ব্যাগ নিয়ে দিয়াবাড়ি হাটে এসেছিলেন মাকসুদুর রহমান (৪০) নামের এক ব্যক্তি। তিনি হাটের ভেতরের রাস্তা দিয়ে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে পৌঁছানো মাত্রই দুটি মোটরসাইকেলে চারজন ছিনতাইকারী পিছু নেয়। একটি পালসার মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা ছিনতাইকারী মাকসুদুরের টাকার ব্যাগ ছিনতাইকালে মাটিতে পড়ে যায়। পরে হাটে থাকা আশেপাশের লোকজন আউয়াল ও জুম্মনকে আটক করে পুলিশে দেয়। ওই সময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
এসি সুমন কর বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাদাবাদে জানা গেছে, তাঁদের সঙ্গে থাকা জুয়েল (২৩) ও সাদ্দাম হোসেন (২৪) নামের আরও দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে গেছে। তাঁরা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। গ্রেপ্তার আউয়াল চৌকিদারের বিরুদ্ধে পাঁচটি ও জুম্মনের বিরুদ্ধে চারটি ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে।’
এসি সুমন কর বলেন, ‘এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ (রোববার) সকালে তাঁদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে পলাতক দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

রাজধানীর তুরাগে কোরবানীর পশুহাটে মোটরসাইকেলযোগে এসে টাকার ব্যাগ ছিনতাইকালে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন দুই যুবক। গতকাল শনিবার (১৫ জুন) মধ্যরাতে তুরাগের দিয়াবাড়ি গরুর হাটের পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে তাঁদের ধরে ফেলে জনতা।
পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে তুরাগ থানা পুলিশ। তাঁরা হলেন—মাদারীপুর সদর উপজেলার জাফরবাদ গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে আউয়াল চৌকিদার (৩০) ও রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা বিহারী ক্যাম্পের মৃত মো. জামালের ছেলে মো. জুম্মন (২২)। আউয়াল বর্তমানে রামপুরার মধুবাগের মীরেরবাগে থাকেন।
আজ রোববার (১৬ জুন) আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির উত্তরা জোনের জেষ্ঠ্য সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সুমন কর।
জেষ্ঠ্য সহকারী কমিশনার (এসি) সুমন কর জানান, রাতে গরু কেনার জন্য টাকার ব্যাগ নিয়ে দিয়াবাড়ি হাটে এসেছিলেন মাকসুদুর রহমান (৪০) নামের এক ব্যক্তি। তিনি হাটের ভেতরের রাস্তা দিয়ে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে পৌঁছানো মাত্রই দুটি মোটরসাইকেলে চারজন ছিনতাইকারী পিছু নেয়। একটি পালসার মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা ছিনতাইকারী মাকসুদুরের টাকার ব্যাগ ছিনতাইকালে মাটিতে পড়ে যায়। পরে হাটে থাকা আশেপাশের লোকজন আউয়াল ও জুম্মনকে আটক করে পুলিশে দেয়। ওই সময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
এসি সুমন কর বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাদাবাদে জানা গেছে, তাঁদের সঙ্গে থাকা জুয়েল (২৩) ও সাদ্দাম হোসেন (২৪) নামের আরও দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে গেছে। তাঁরা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। গ্রেপ্তার আউয়াল চৌকিদারের বিরুদ্ধে পাঁচটি ও জুম্মনের বিরুদ্ধে চারটি ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে।’
এসি সুমন কর বলেন, ‘এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ (রোববার) সকালে তাঁদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে পলাতক দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে