নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘটনায় রাজধানীতে ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকাল আটটা থেকে গতকাল সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত রাজধানীতে ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ছিল ৫৩ জন। আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৪৮ জন। চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭১ জন। আর চলতি মাসের ১২ দিনে ৪২৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন ৭৯৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫৮৭ জন। রাজধানীর ৪১টি সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ২০৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রয়েছেন একজন।
রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই এডিস বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তাদের পক্ষ থেকে জরিমানার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলছে মশক নিধন অভিযানও। রাজধানীর মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। খোলা মাঠে, নির্মাণাধীন ভবন, অফিস, বাসা বাড়ি কিংবা কোথাও যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে মাত্র একদিনের মধ্যে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আজ সোমবার থেকে আমি ১৯ জুলাই পর্যন্ত সাত দিন (শুক্রবার ব্যতীত) উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। উক্ত কার্যক্রম যৌথভাবে পরিচালনার জন্য সিডিসি ও জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে।

রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘটনায় রাজধানীতে ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী এই চিত্র দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকাল আটটা থেকে গতকাল সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত রাজধানীতে ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ছিল ৫৩ জন। আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৪৮ জন। চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭১ জন। আর চলতি মাসের ১২ দিনে ৪২৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন ৭৯৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫৮৭ জন। রাজধানীর ৪১টি সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ২০৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রয়েছেন একজন।
রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই এডিস বিরোধী অভিযান চালাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তাদের পক্ষ থেকে জরিমানার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলছে মশক নিধন অভিযানও। রাজধানীর মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। খোলা মাঠে, নির্মাণাধীন ভবন, অফিস, বাসা বাড়ি কিংবা কোথাও যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে মাত্র একদিনের মধ্যে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আজ সোমবার থেকে আমি ১৯ জুলাই পর্যন্ত সাত দিন (শুক্রবার ব্যতীত) উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে এডিস মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে চিরুনি অভিযান চালানো হবে। উক্ত কার্যক্রম যৌথভাবে পরিচালনার জন্য সিডিসি ও জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে