জাবি প্রতিনিধি

‘যৌন নিপীড়নে’ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা চলাকালীন বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের কাউন্সিল কক্ষে উপাচার্যের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট শুরু হয়। এ সময় ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিক্ষুব্ধরা উপাচার্য অফিসে তিন দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখিত অন্য দুটি দাবির মধ্যে রয়েছে, দায়মুক্তিপত্র লেখার ঘটনায় প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করতে হবে, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি এক মাসের মধ্যে চালু করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, চাকরির প্রলোভনে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও শিক্ষক নিয়োগে প্রভাব বিস্তারের দায়ে অভিযুক্ত পদত্যাগকারী সহকারী প্রক্টর মাহমুদুর রহমান জনি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। অবিলম্বে তাঁর অপসারণ পূর্বক একটি নিরপেক্ষ স্ট্রাকচারাল তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফ মাহমুদ বলেন, ‘ভুক্তভোগীর কাছে জোরপূর্বক একটি দায়মুক্তিপত্র লিখে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রক্টর ও এক সহকারী প্রক্টর দায়মুক্তিপত্র লেখার সঙ্গে জড়িত। তাই প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতার তদন্ত করতে হবে। তারা দোষী প্রমাণিত হলে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে। সিন্ডিকেট সভার স্থান ও সময় নিয়ে টালবাহানার পর বসা এই সিন্ডিকেটে জনির বিষয়টি আলোচনায় না এনে দীর্ঘসূত্রতার দিকে প্রশাসন যাচ্ছে বলে আমাদের ভয় হচ্ছে।’
জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সৌমিক বাগচি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। অন্যায় অপকর্মে প্রশাসন একে অপরের সহযোগী। এই প্রশাসনের সবকিছুতেই আমরা লুকোচুরি ভাব দেখতে পাচ্ছি। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই আপনাদের এই পাপের রাজত্ব দীর্ঘকাল ধরে চলবে না, সত্য প্রকাশিত হবেই। এই প্রশাসন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য জুতসই কোনো প্রশাসন নয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে গণতান্ত্রিক সম্পর্ক সেই সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখতে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করতে হবে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি আবু সাঈদ বলেন, ‘ইতিপূর্বে শিক্ষার্থী নিপীড়নের ঘটনায় অনেক শিক্ষকের চাকরি চলে গেছে। আমরা চাই মাহমুদুর রহমান জনিকে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণ করতে হবে। দায়মুক্তিপত্র লেখায় প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতা খুবই একটি স্পর্শকাতর ব্যাপার। তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

‘যৌন নিপীড়নে’ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা চলাকালীন বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের কাউন্সিল কক্ষে উপাচার্যের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট শুরু হয়। এ সময় ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিক্ষুব্ধরা উপাচার্য অফিসে তিন দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখিত অন্য দুটি দাবির মধ্যে রয়েছে, দায়মুক্তিপত্র লেখার ঘটনায় প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করতে হবে, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি এক মাসের মধ্যে চালু করতে হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, চাকরির প্রলোভনে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও শিক্ষক নিয়োগে প্রভাব বিস্তারের দায়ে অভিযুক্ত পদত্যাগকারী সহকারী প্রক্টর মাহমুদুর রহমান জনি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। অবিলম্বে তাঁর অপসারণ পূর্বক একটি নিরপেক্ষ স্ট্রাকচারাল তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফ মাহমুদ বলেন, ‘ভুক্তভোগীর কাছে জোরপূর্বক একটি দায়মুক্তিপত্র লিখে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রক্টর ও এক সহকারী প্রক্টর দায়মুক্তিপত্র লেখার সঙ্গে জড়িত। তাই প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতার তদন্ত করতে হবে। তারা দোষী প্রমাণিত হলে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে। সিন্ডিকেট সভার স্থান ও সময় নিয়ে টালবাহানার পর বসা এই সিন্ডিকেটে জনির বিষয়টি আলোচনায় না এনে দীর্ঘসূত্রতার দিকে প্রশাসন যাচ্ছে বলে আমাদের ভয় হচ্ছে।’
জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সৌমিক বাগচি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। অন্যায় অপকর্মে প্রশাসন একে অপরের সহযোগী। এই প্রশাসনের সবকিছুতেই আমরা লুকোচুরি ভাব দেখতে পাচ্ছি। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই আপনাদের এই পাপের রাজত্ব দীর্ঘকাল ধরে চলবে না, সত্য প্রকাশিত হবেই। এই প্রশাসন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য জুতসই কোনো প্রশাসন নয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে গণতান্ত্রিক সম্পর্ক সেই সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখতে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করতে হবে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি আবু সাঈদ বলেন, ‘ইতিপূর্বে শিক্ষার্থী নিপীড়নের ঘটনায় অনেক শিক্ষকের চাকরি চলে গেছে। আমরা চাই মাহমুদুর রহমান জনিকে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারণ করতে হবে। দায়মুক্তিপত্র লেখায় প্রক্টরের সংশ্লিষ্টতা খুবই একটি স্পর্শকাতর ব্যাপার। তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’

ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
৩৫ মিনিট আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে