টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আওয়ামী লীগ নেতাদের দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে। গতকাল রোববার সংসদ সদস্যের ডাকা সমাবেশে যোগ দেননি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম, সাধারণ সম্পাদক কুদরত আলীসহ নেতাদের দ্বন্দ্ব চলছে। তিন বছর ধরে তাঁদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। একই সঙ্গে মনোনয়নপ্রত্যাশী তারানা হালিম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তারেক শামস খান হিমু ও ইনসাফ আলী ওসমানীরও রয়েছে সংসদ সদস্যের সঙ্গে দ্বন্দ্ব। বেশ কিছুদিন ধরে সংসদ সদস্য অনুসারীদের নিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করেন। অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারাও পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেন।
নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য সাংবাদিকদের পাশাপাশি সর্বমহলকে জানাব।’
নাগরপুরের জনসভায় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘নাগরপুরের মানুষ, আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ ও অভিন্ন। গুটি কয়েকজন মানুষ এখানে উপস্থিত নাই। টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন উপজেলা আওয়ামী লীগ যেন ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাজ করতে পারে। তারা সেই ব্যবস্থা নেবেন।’
নাগরপুর কলেজ মাঠের সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক।
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আনিসুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, সংসদসদস্য আতাউর রহমান খান, সংসদসদস্য খান আহমেদ শুভ, সংসদসদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, সংসদসদস্য তানভীর হাসান ছোট মনি, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার ফজলুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল আলীম প্রমুখ।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আওয়ামী লীগ নেতাদের দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে। গতকাল রোববার সংসদ সদস্যের ডাকা সমাবেশে যোগ দেননি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম, সাধারণ সম্পাদক কুদরত আলীসহ নেতাদের দ্বন্দ্ব চলছে। তিন বছর ধরে তাঁদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। একই সঙ্গে মনোনয়নপ্রত্যাশী তারানা হালিম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তারেক শামস খান হিমু ও ইনসাফ আলী ওসমানীরও রয়েছে সংসদ সদস্যের সঙ্গে দ্বন্দ্ব। বেশ কিছুদিন ধরে সংসদ সদস্য অনুসারীদের নিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করেন। অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারাও পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেন।
নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য সাংবাদিকদের পাশাপাশি সর্বমহলকে জানাব।’
নাগরপুরের জনসভায় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘নাগরপুরের মানুষ, আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ ও অভিন্ন। গুটি কয়েকজন মানুষ এখানে উপস্থিত নাই। টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন উপজেলা আওয়ামী লীগ যেন ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাজ করতে পারে। তারা সেই ব্যবস্থা নেবেন।’
নাগরপুর কলেজ মাঠের সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক।
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আনিসুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, সংসদসদস্য আতাউর রহমান খান, সংসদসদস্য খান আহমেদ শুভ, সংসদসদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, সংসদসদস্য তানভীর হাসান ছোট মনি, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার ফজলুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল আলীম প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
২ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে