সাইফুল মাসুম, ঢাকা

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের পূর্ব পাশে লাগোয়া ঘর। ভেজা স্যাঁতসেঁতে মেঝে। ঘরের কোনায় পানির কুয়। এক পাশে দড়িতে বাঁধা একটি সিলমারা গরু। অন্যপাশে জমাট রক্ত আর আবর্জনার স্তূপে ভরা ড্রেন। গতকাল বুধবার দুপুরে সিগারেট হাতে ঘরের ভেতরের ওই ড্রেনে একজনকে প্রস্রাব করতে দেখা গেছে। মিনিট দশেক পর একই কায়দায় প্রস্রাব করলেন আরেকজন। দুজনই কৃষি মার্কেটের মাছ বিক্রেতা, একজনের নাম টিপু অন্যজনের নাম রনি। রনি জানালেন, ফাঁকা সময় পেলে সিগারেট ফুঁকতে আসেন, প্রস্রাবখানা দূরে হওয়ায় কাজটা এখানেই সারেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মালিকানাধীন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের জবাইখানার এমন পরিস্থিতি। দুর্গন্ধময় পরিবেশের কারণে অনেকে এটাকে প্রস্রাবখানা ভেবে ভুল করেন। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রতিদিন মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি এলাকার প্রায় অর্ধশত গরু জবাই করা হয়। জবাই করা এই গরুর মাংস বিক্রি হয় রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে।
ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর পূর্তিতে গত মে মাসে (২০২১) জানিয়েছিলেন, ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের জবাইখানা সংস্কারের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও জবাইখানায় প্রকল্পের ছিটেফোঁটাও চোখে পড়েনি।
জবাইখানার ইনচার্জ পরিচয় দেওয়া মোহাম্মদ মুরাদের নিজের মাংসের দোকান রয়েছে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে। তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, ‘জবাইখানার উন্নয়নে কোনো প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু হয়নি। সনাতনী পদ্ধতিতে এখানে পশু জবাই হয়।’ জবাইখানার ভেতরে কৃষি মার্কেটের দোকানিদের প্রস্রাব করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সকাল বেলা গরু জবাই হয়, তখন কেউ প্রস্রাব করতে পারে না। দুপুর ও বিকেলে কেউ না থাকার সুযোগে অনেকে সিগারেট খেয়ে প্রস্রাব করে চলে যায়।’
রাজধানীতে ডিএনসিসির তিনটি জবাইখানা রয়েছে। এর মধ্যে মহাখালীরটা বন্ধ রয়েছে। চালু আছে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও মিরপুর-১১ নম্বরের নিউ সোসাইটি মার্কেটের পশু জবাইখানা। এই দুটি জবাইখানায় প্রতিদিন সাড়ে তিন শত পশু জবাই করার ব্যবস্থা আছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রতি গরু জবাই করতে ৫০ টাকা, মহিষের জন্য ৭৫ টাকা, ছাগল বা ভেড়ার জন্য ১০ টাকা করে নিয়ে থাকে।
মিরপুর-১১ নম্বরের নিউ সোসাইটি মার্কেটের মাংস বিক্রেতা জামাল মিয়া জানান, ডিএনসিসির মিরপুর জবাইখানায় তিনি প্রায় গরু জবাই করেন। ভেতরে নোংরা পরিবেশ, ময়লা জমে থাকায় গরু জবাইকারীরা অসুবিধায় পড়েন।
জবাইখানার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়টি নজরে রয়েছে জানিয়ে ডিএনসিসির ভেটেরিনারি অফিসার ডা. শারমিন সামাদ বলেন, ‘করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের কারণে মহাখালীর জবাইখানা বন্ধ রয়েছে। মিরপুর ও মোহাম্মদপুর জবাইখানার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। জবাইখানার মান উন্নয়নে বরাদ্দের কথা থাকলেও কোনো প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়নি। লোকবল কম থাকায় ঠিকমতো তদারকি করা যায় না। এখানে ইজারাদারেরও অনেক দায় রয়েছে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশে যাতে পশু জবাই করা হয় লকডাউনের পরে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব।’
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সেলিম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা জবাইখানার পরিবেশকে উন্নত করার চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন থেকে কিছু কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসির প্রত্যেক অঞ্চলে জবাইখানা করার পরিকল্পনা আমাদের আছে। মোহাম্মদপুর ও মিরপুর জবাই খানা নিয়ে খোঁজ নিচ্ছি, ইতিবাচক পরিবেশ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের পূর্ব পাশে লাগোয়া ঘর। ভেজা স্যাঁতসেঁতে মেঝে। ঘরের কোনায় পানির কুয়। এক পাশে দড়িতে বাঁধা একটি সিলমারা গরু। অন্যপাশে জমাট রক্ত আর আবর্জনার স্তূপে ভরা ড্রেন। গতকাল বুধবার দুপুরে সিগারেট হাতে ঘরের ভেতরের ওই ড্রেনে একজনকে প্রস্রাব করতে দেখা গেছে। মিনিট দশেক পর একই কায়দায় প্রস্রাব করলেন আরেকজন। দুজনই কৃষি মার্কেটের মাছ বিক্রেতা, একজনের নাম টিপু অন্যজনের নাম রনি। রনি জানালেন, ফাঁকা সময় পেলে সিগারেট ফুঁকতে আসেন, প্রস্রাবখানা দূরে হওয়ায় কাজটা এখানেই সারেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মালিকানাধীন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের জবাইখানার এমন পরিস্থিতি। দুর্গন্ধময় পরিবেশের কারণে অনেকে এটাকে প্রস্রাবখানা ভেবে ভুল করেন। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রতিদিন মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি এলাকার প্রায় অর্ধশত গরু জবাই করা হয়। জবাই করা এই গরুর মাংস বিক্রি হয় রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে।
ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর পূর্তিতে গত মে মাসে (২০২১) জানিয়েছিলেন, ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের জবাইখানা সংস্কারের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও জবাইখানায় প্রকল্পের ছিটেফোঁটাও চোখে পড়েনি।
জবাইখানার ইনচার্জ পরিচয় দেওয়া মোহাম্মদ মুরাদের নিজের মাংসের দোকান রয়েছে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে। তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, ‘জবাইখানার উন্নয়নে কোনো প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু হয়নি। সনাতনী পদ্ধতিতে এখানে পশু জবাই হয়।’ জবাইখানার ভেতরে কৃষি মার্কেটের দোকানিদের প্রস্রাব করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সকাল বেলা গরু জবাই হয়, তখন কেউ প্রস্রাব করতে পারে না। দুপুর ও বিকেলে কেউ না থাকার সুযোগে অনেকে সিগারেট খেয়ে প্রস্রাব করে চলে যায়।’
রাজধানীতে ডিএনসিসির তিনটি জবাইখানা রয়েছে। এর মধ্যে মহাখালীরটা বন্ধ রয়েছে। চালু আছে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও মিরপুর-১১ নম্বরের নিউ সোসাইটি মার্কেটের পশু জবাইখানা। এই দুটি জবাইখানায় প্রতিদিন সাড়ে তিন শত পশু জবাই করার ব্যবস্থা আছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রতি গরু জবাই করতে ৫০ টাকা, মহিষের জন্য ৭৫ টাকা, ছাগল বা ভেড়ার জন্য ১০ টাকা করে নিয়ে থাকে।
মিরপুর-১১ নম্বরের নিউ সোসাইটি মার্কেটের মাংস বিক্রেতা জামাল মিয়া জানান, ডিএনসিসির মিরপুর জবাইখানায় তিনি প্রায় গরু জবাই করেন। ভেতরে নোংরা পরিবেশ, ময়লা জমে থাকায় গরু জবাইকারীরা অসুবিধায় পড়েন।
জবাইখানার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়টি নজরে রয়েছে জানিয়ে ডিএনসিসির ভেটেরিনারি অফিসার ডা. শারমিন সামাদ বলেন, ‘করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের কারণে মহাখালীর জবাইখানা বন্ধ রয়েছে। মিরপুর ও মোহাম্মদপুর জবাইখানার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। জবাইখানার মান উন্নয়নে বরাদ্দের কথা থাকলেও কোনো প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়নি। লোকবল কম থাকায় ঠিকমতো তদারকি করা যায় না। এখানে ইজারাদারেরও অনেক দায় রয়েছে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশে যাতে পশু জবাই করা হয় লকডাউনের পরে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব।’
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সেলিম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা জবাইখানার পরিবেশকে উন্নত করার চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন থেকে কিছু কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসির প্রত্যেক অঞ্চলে জবাইখানা করার পরিকল্পনা আমাদের আছে। মোহাম্মদপুর ও মিরপুর জবাই খানা নিয়ে খোঁজ নিচ্ছি, ইতিবাচক পরিবেশ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে