সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় একজন স্কুলশিক্ষককে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে ওই স্কুলেরই দশম শ্রেণির এক ছাত্র। মুমূর্ষু অবস্থায় ওই শিক্ষক আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আশুলিয়া থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার এসআই এমদাদুল হক। এর আগে গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠপ্রাঙ্গনেই শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ওই ছাত্র।
হামলার পর ওই শিক্ষককে স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শিক্ষকের নাম উৎপল কুমার সরকার। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের শিক্ষক এবং শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি। তাঁর গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। অভিযুক্ত ছাত্র দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। সে তার পরিবারের সঙ্গে জামগড়া এলাকাতেই বসবাস করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে ওই শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, ‘আমাদের স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। দুপুরে মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে হঠাৎ করে এসে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে ওই ছাত্র। স্ট্যাম্পের আঘাতে শিক্ষকের মাথায় জখম হয়। উৎপল স্যার স্কুলের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ কমিটির আহ্বায়ক । তিনি ছাত্রদের বিভিন্ন সময় চুল কাটতে বলাসহ বিভিন্ন আচরণগত সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করেন। বিভিন্ন অপরাধের বিচারও করেন তিনি। হয়তো কোনো কারণে সেই শিক্ষকের ওপর ছাত্রটির কোনো ক্ষোভ ছিল।’
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আঘাতে শিক্ষকের শরীরের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে। শিক্ষক উৎপলের পেটে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁর মাথায় আঘাত লাগলেও সেটি তেমন গুরুতর না। বর্তমানে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিউতে রয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি হাসপাতালে গিয়ে রোগীর স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দ্রুতই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা করছি আমরা।’

সাভারের আশুলিয়ায় একজন স্কুলশিক্ষককে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে ওই স্কুলেরই দশম শ্রেণির এক ছাত্র। মুমূর্ষু অবস্থায় ওই শিক্ষক আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আশুলিয়া থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার এসআই এমদাদুল হক। এর আগে গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠপ্রাঙ্গনেই শিক্ষকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ওই ছাত্র।
হামলার পর ওই শিক্ষককে স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শিক্ষকের নাম উৎপল কুমার সরকার। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের শিক্ষক এবং শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি। তাঁর গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। অভিযুক্ত ছাত্র দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। সে তার পরিবারের সঙ্গে জামগড়া এলাকাতেই বসবাস করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে ওই শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, ‘আমাদের স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। দুপুরে মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে হঠাৎ করে এসে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে ওই ছাত্র। স্ট্যাম্পের আঘাতে শিক্ষকের মাথায় জখম হয়। উৎপল স্যার স্কুলের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ কমিটির আহ্বায়ক । তিনি ছাত্রদের বিভিন্ন সময় চুল কাটতে বলাসহ বিভিন্ন আচরণগত সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করেন। বিভিন্ন অপরাধের বিচারও করেন তিনি। হয়তো কোনো কারণে সেই শিক্ষকের ওপর ছাত্রটির কোনো ক্ষোভ ছিল।’
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আঘাতে শিক্ষকের শরীরের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে। শিক্ষক উৎপলের পেটে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁর মাথায় আঘাত লাগলেও সেটি তেমন গুরুতর না। বর্তমানে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিউতে রয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি হাসপাতালে গিয়ে রোগীর স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দ্রুতই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা করছি আমরা।’

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
৩০ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে