নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিপণনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে বিজ্ঞাপনের গুরুত্ব পুরো বিশ্বে অনস্বীকার্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রবল প্রভাব এবং এআই প্রযুক্তির উৎকর্ষ প্রথাগত বিজ্ঞাপনের জগৎকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বেশ আগেই। তাই, এই সংশ্লিষ্ট পেশাজীবিদের যেমন নতুন সময়ের সাথে খাপ খাওয়াতে বিশেষভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে, তেমনি সৃজনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক এই সেক্টরে টিকে থাকতে নিজেকে আপগ্রেডও করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অবাক করার বিষয় হল, সবসময় এমন চাহিদা থাকার পরও এখনো দেশে বিজ্ঞাপনী স্কিল ডেভলপেমন্টের জন্য গড়ে ওঠেনি নিবেদিত কোনো প্রতিষ্ঠান। সেই অভাব পূরণের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে কপিশপ।
প্ল্যাটফর্মটি বিজ্ঞাপনসহ বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব রকম কমিউনিকেশন প্রফেশনালদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সৃজনশীল দক্ষতা বাড়াতে কাজ করছে। এ কাজে কপিশপ এরই মধ্যে দেশের বিজ্ঞাপন ও কমিউনিকেশন শিল্পের মানুষদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে ব্যাপকভাবে। ছোট পরিসর ছেড়ে আরও বড় পরিসরে যেতে কপিশপ এবার দেশের প্রথম অ্যাডভারটাইজিং স্কুল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিল। এই বিজ্ঞাপনী দক্ষতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির নাম ঢাকা অ্যাডভারটাইজিং স্কুল। সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ড্যাডস্।

সম্প্রতি কপিশপের নিয়মিত মেন্টরিং সেশন ‘কপিকলরব’-এর ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার বনানীতে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাডকম-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজিম ফারহান চৌধুরী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অরূপ সান্যাল, এজেন্সি হেড, মাইটি; সৈয়দ গাউসুল আলম, এমডি, ডট বার্থ; সাইফুল আজম, ইসিডি, গ্রে; এম এ মারুফ, এমডি, ক্রসওয়াক কমিউনিকেশনসসহ বিজ্ঞাপন জগতের বহু গুণীজন। এই অনুষ্ঠান থেকে কপিশপ তাদের নতুন স্কুলের ঘোষণা দেয়।
কপিশপের কিউরেটর ও ড্যাডস্-এর প্রতিষ্ঠাতা মুশফিকুর রহমান পাভেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এআই-এর এই অস্থির সময় সৃজনশীল পেশাজীবীদের জন্য ঘোর ক্রান্তিকাল। একদিকে নতুন প্রযুক্তিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে বিজ্ঞাপনবিষয়ক প্রাথমিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগের অভাবে নিম্নমানের বিজ্ঞাপনে সয়লাব প্রায় সকল মিডিয়ায়। অথচ সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিতে বিজ্ঞাপনশিল্পের অবদান কয়েক হাজার কোটি টাকা!’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ শিল্পের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে কার্যকর ও সৃজনশীল দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিতে ঢাকা অ্যাডভারটাইজিং স্কুলের সূচনা।’
ঢাকা অ্যাডভারটাইজিং স্কুলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মুশফিকুর রহমান পাভেল বলেন, ‘দেশে বিজ্ঞাপনী দক্ষতা অর্জন আজও গুরুমুখী বিদ্যা। সেটিকে ঠিক রেখে এই ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত কিংবা ভবিষ্যতে যাঁরা এখানে কাজ করতে চান, তাঁদের পথ সুগম করাই আমাদের লক্ষ্য।’ তিনি জানান, বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত প্রশিক্ষকদের নিবিড় পরিচর্যায় সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে প্রতিটি কোর্সের জন্য যুগোপযোগী কারিকুলাম তৈরি করা হবে। যাতে সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনায় বৈশ্বিক স্তরে এ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যতে সহজেই জায়গা করে নিতে পারেন।

বিপণনের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে বিজ্ঞাপনের গুরুত্ব পুরো বিশ্বে অনস্বীকার্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রবল প্রভাব এবং এআই প্রযুক্তির উৎকর্ষ প্রথাগত বিজ্ঞাপনের জগৎকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বেশ আগেই। তাই, এই সংশ্লিষ্ট পেশাজীবিদের যেমন নতুন সময়ের সাথে খাপ খাওয়াতে বিশেষভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে, তেমনি সৃজনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক এই সেক্টরে টিকে থাকতে নিজেকে আপগ্রেডও করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অবাক করার বিষয় হল, সবসময় এমন চাহিদা থাকার পরও এখনো দেশে বিজ্ঞাপনী স্কিল ডেভলপেমন্টের জন্য গড়ে ওঠেনি নিবেদিত কোনো প্রতিষ্ঠান। সেই অভাব পূরণের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে কপিশপ।
প্ল্যাটফর্মটি বিজ্ঞাপনসহ বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব রকম কমিউনিকেশন প্রফেশনালদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সৃজনশীল দক্ষতা বাড়াতে কাজ করছে। এ কাজে কপিশপ এরই মধ্যে দেশের বিজ্ঞাপন ও কমিউনিকেশন শিল্পের মানুষদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে ব্যাপকভাবে। ছোট পরিসর ছেড়ে আরও বড় পরিসরে যেতে কপিশপ এবার দেশের প্রথম অ্যাডভারটাইজিং স্কুল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিল। এই বিজ্ঞাপনী দক্ষতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির নাম ঢাকা অ্যাডভারটাইজিং স্কুল। সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ড্যাডস্।

সম্প্রতি কপিশপের নিয়মিত মেন্টরিং সেশন ‘কপিকলরব’-এর ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার বনানীতে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যাডকম-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজিম ফারহান চৌধুরী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অরূপ সান্যাল, এজেন্সি হেড, মাইটি; সৈয়দ গাউসুল আলম, এমডি, ডট বার্থ; সাইফুল আজম, ইসিডি, গ্রে; এম এ মারুফ, এমডি, ক্রসওয়াক কমিউনিকেশনসসহ বিজ্ঞাপন জগতের বহু গুণীজন। এই অনুষ্ঠান থেকে কপিশপ তাদের নতুন স্কুলের ঘোষণা দেয়।
কপিশপের কিউরেটর ও ড্যাডস্-এর প্রতিষ্ঠাতা মুশফিকুর রহমান পাভেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এআই-এর এই অস্থির সময় সৃজনশীল পেশাজীবীদের জন্য ঘোর ক্রান্তিকাল। একদিকে নতুন প্রযুক্তিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে বিজ্ঞাপনবিষয়ক প্রাথমিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগের অভাবে নিম্নমানের বিজ্ঞাপনে সয়লাব প্রায় সকল মিডিয়ায়। অথচ সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিতে বিজ্ঞাপনশিল্পের অবদান কয়েক হাজার কোটি টাকা!’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এ শিল্পের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে কার্যকর ও সৃজনশীল দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিতে ঢাকা অ্যাডভারটাইজিং স্কুলের সূচনা।’
ঢাকা অ্যাডভারটাইজিং স্কুলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মুশফিকুর রহমান পাভেল বলেন, ‘দেশে বিজ্ঞাপনী দক্ষতা অর্জন আজও গুরুমুখী বিদ্যা। সেটিকে ঠিক রেখে এই ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত কিংবা ভবিষ্যতে যাঁরা এখানে কাজ করতে চান, তাঁদের পথ সুগম করাই আমাদের লক্ষ্য।’ তিনি জানান, বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত প্রশিক্ষকদের নিবিড় পরিচর্যায় সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে প্রতিটি কোর্সের জন্য যুগোপযোগী কারিকুলাম তৈরি করা হবে। যাতে সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনায় বৈশ্বিক স্তরে এ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যতে সহজেই জায়গা করে নিতে পারেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে