নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন, সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল পুনর্বহাল ও বেতন বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতি।
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাবি জানায় সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সায়েম। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী অনতিবিলম্বে বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্যের বাজার দর বিবেচনায় নিয়ে ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধিসহ চলমান ৫ শতাংশ প্রণোদনা বার্ষিক মূল বেতনের সঙ্গে ইনক্রিমেন্ট আকারে যুক্তকরণ।
পেনশন-আনুতোষিক সুবিধা ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ, ২৩০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকা এবং পূর্বের মতো পেনশন প্রথা, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল পুনর্বহাল করা।
এ ছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের সব পদে ব্লক পোস্ট ও আউট সোর্সিং প্রথা বাতিল করে কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দানকৃত ৩২/১ (সাবেক ৪৪৮/এ) মগবাজার ঢাকায় ১ (এক) তলা ভবনটি ভেঙে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ নামকরণ করে বহুতল ভবন নির্মাণ এবং বাংলাদেশ সচিবালয়ের অভ্যন্তরে জাতির পিতার একটি ভাস্কর্য স্থাপন করার দাবি তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, কার্যকরী সভাপতি মো. আবুল কাশেম, কার্যকরী সভাপতি মো. হেলাল উদ্দীন, সহসভাপতি মো. মোকাররম হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. হাসমত আলী মোল্লা, মো. আব্দুল আজিজ, মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মনতাজ উদ্দিন, মো. শরিফ উল্লাহ, মো. আব্দুল লতিফ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. আব্দুল হাসেম, মো. জাহিদুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, মো. শাহিনুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সালাম সুজন, মো. আব্দুল কুদ্দুসসহ আরও অনেকে।

নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন, সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল পুনর্বহাল ও বেতন বৃদ্ধিসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতি।
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাবি জানায় সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সায়েম। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী অনতিবিলম্বে বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্যের বাজার দর বিবেচনায় নিয়ে ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধিসহ চলমান ৫ শতাংশ প্রণোদনা বার্ষিক মূল বেতনের সঙ্গে ইনক্রিমেন্ট আকারে যুক্তকরণ।
পেনশন-আনুতোষিক সুবিধা ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ, ২৩০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকা এবং পূর্বের মতো পেনশন প্রথা, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল পুনর্বহাল করা।
এ ছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের সব পদে ব্লক পোস্ট ও আউট সোর্সিং প্রথা বাতিল করে কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক দানকৃত ৩২/১ (সাবেক ৪৪৮/এ) মগবাজার ঢাকায় ১ (এক) তলা ভবনটি ভেঙে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’ নামকরণ করে বহুতল ভবন নির্মাণ এবং বাংলাদেশ সচিবালয়ের অভ্যন্তরে জাতির পিতার একটি ভাস্কর্য স্থাপন করার দাবি তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, কার্যকরী সভাপতি মো. আবুল কাশেম, কার্যকরী সভাপতি মো. হেলাল উদ্দীন, সহসভাপতি মো. মোকাররম হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. হাসমত আলী মোল্লা, মো. আব্দুল আজিজ, মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মনতাজ উদ্দিন, মো. শরিফ উল্লাহ, মো. আব্দুল লতিফ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. আব্দুল হাসেম, মো. জাহিদুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, মো. শাহিনুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সালাম সুজন, মো. আব্দুল কুদ্দুসসহ আরও অনেকে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে