সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার আশুলিয়ায় যুবলীগের ব্যানারে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্যরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আশুলিয়া থানা থেকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রোমান রানা (৩৬), মহসিন (২০), বাবু (২০), মিরাজুল ইসলাম (১৯), সাজিদ (১৯)। তাঁরা সবাই আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
গতকাল সোমবার দুপুরে আশুলিয়া-গাজীপুরের সীমান্তবর্তী গোরাট এলাকায় বাগবাড়ি সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। পুলিশ বলছে ওই মিছিল দুই থেকে তিন মিনিট স্থায়ী হয়। এরপরে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যান।
মিছিলের সময় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে ১০-১৫ জনের একটি দল মিছিলে অংশ নেয়। সবার মুখে মাস্ক পরা। ব্যানারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, যুবলীগের সভাপতি ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল হোসেন খান নিখিলের ছবি। ব্যানারে লেখা বিক্ষোভ মিছিল। আশুলিয়া থানা যুবলীগ মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল।
ঘটনার পর ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবিরের নেতৃত্বে অভিযানে নামে আশুলিয়া থানা-পুলিশ। পরে এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবির বলেন, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়ার গোরাট এলাকায় ১০ থেকে ১৫ জন একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। মূলত তাঁরা অস্থিতিশীল পরিবেশ, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার জন্য পাঁয়তারা করছিল। তখন আমরা তাৎক্ষণিক সংবাদ পাই। পরে ভিডিও দেখে তাঁদের শনাক্ত করে সারা রাত অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করি। তারা মূলত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের লোক। তাঁরা অন্য দলের ব্যানার ব্যবহার করে নাশকতা করার চেষ্টা করছিল। বাকিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করব।

ঢাকার আশুলিয়ায় যুবলীগের ব্যানারে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্যরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আশুলিয়া থানা থেকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, রোমান রানা (৩৬), মহসিন (২০), বাবু (২০), মিরাজুল ইসলাম (১৯), সাজিদ (১৯)। তাঁরা সবাই আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
গতকাল সোমবার দুপুরে আশুলিয়া-গাজীপুরের সীমান্তবর্তী গোরাট এলাকায় বাগবাড়ি সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। পুলিশ বলছে ওই মিছিল দুই থেকে তিন মিনিট স্থায়ী হয়। এরপরে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে যান।
মিছিলের সময় ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে ১০-১৫ জনের একটি দল মিছিলে অংশ নেয়। সবার মুখে মাস্ক পরা। ব্যানারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, যুবলীগের সভাপতি ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মইনুল হোসেন খান নিখিলের ছবি। ব্যানারে লেখা বিক্ষোভ মিছিল। আশুলিয়া থানা যুবলীগ মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল।
ঘটনার পর ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবিরের নেতৃত্বে অভিযানে নামে আশুলিয়া থানা-পুলিশ। পরে এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কবির বলেন, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়ার গোরাট এলাকায় ১০ থেকে ১৫ জন একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। মূলত তাঁরা অস্থিতিশীল পরিবেশ, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার জন্য পাঁয়তারা করছিল। তখন আমরা তাৎক্ষণিক সংবাদ পাই। পরে ভিডিও দেখে তাঁদের শনাক্ত করে সারা রাত অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করি। তারা মূলত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের লোক। তাঁরা অন্য দলের ব্যানার ব্যবহার করে নাশকতা করার চেষ্টা করছিল। বাকিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করব।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৭ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে