কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানকে হত্যার হুমকি এবং তাঁর রাজধানীর বাসার সামনে মবের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জের ইটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িতদের বিষয়ে সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে হাওর এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা অভিমুখে মার্চ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফজলুর রহমান একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা এবং বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারি। ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির পক্ষ থেকে একাত্তর ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বক্তব্য আসতে থাকে। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ফজলুর রহমান এসব দেখে চুপ থাকতে পারেননি। এর পর থেকে একটি স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এবং এনসিপি তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং অপপ্রচার চালায়। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ফজলুর রহমানকে এখন হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা অবিলম্বে এসবে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, সরকার যদি এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা অভিমুখে মার্চ করা হবে। হাওরের হৃদ্স্পন্দন ফজলুর রহমানকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার ক্ষমতা কারও নেই। তাঁকে রাজনীতি থেকে সরানোর যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রওশন আলী রুশো, বীর মুক্তিযোদ্ধা নবী হোসেন তজু মিয়া, এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিল করেন ফজলুর সমর্থকেরা। ইটনা পুরানবাজারে উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বাজার ও উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানকে হত্যার হুমকি এবং তাঁর রাজধানীর বাসার সামনে মবের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জের ইটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িতদের বিষয়ে সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে হাওর এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা অভিমুখে মার্চ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফজলুর রহমান একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা এবং বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারি। ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির পক্ষ থেকে একাত্তর ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বক্তব্য আসতে থাকে। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ফজলুর রহমান এসব দেখে চুপ থাকতে পারেননি। এর পর থেকে একটি স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এবং এনসিপি তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং অপপ্রচার চালায়। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ফজলুর রহমানকে এখন হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা অবিলম্বে এসবে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, সরকার যদি এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা অভিমুখে মার্চ করা হবে। হাওরের হৃদ্স্পন্দন ফজলুর রহমানকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার ক্ষমতা কারও নেই। তাঁকে রাজনীতি থেকে সরানোর যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রওশন আলী রুশো, বীর মুক্তিযোদ্ধা নবী হোসেন তজু মিয়া, এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিল করেন ফজলুর সমর্থকেরা। ইটনা পুরানবাজারে উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বাজার ও উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে