মিরপুরে ককটেল বিস্ফোরণে কুরিয়ার কর্মী আহত

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের চলন্তিকা মোড়ে এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে রমজান হোসেন পাপন নামে এক ব্যক্তি দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাঁকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত পাপন এজেআর কুরিয়ারের দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কর্মচারী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের পর পাপনের শরীরে আগুন ধরে যায়। এতে তাঁর পিঠের বেশ কিছু অংশ পুড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী শাহেদ বলেন, তাঁরা ঘটনাস্থলের ভেতরে সহায়ক হিসেবে কাজ করেন। ঘটনার সময় বাইরে কী হচ্ছিল, তা তাঁরা খেয়াল করেননি। হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখেন, এক ব্যক্তির শরীরে আগুন জ্বলছে। তাঁর পিঠের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছিল। পরে সবাই মিলে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
শাহেদ আরও বলেন, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠানোর পর সেখানে অনেক মানুষের জটলা তৈরি হয়। তখন তাঁরা বুঝতে পারেন, ঘটনাস্থলে বোমা বা ককটেলজাতীয় কিছু বিস্ফোরিত হয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে তাঁরা দ্রুত দোকানপাটের মালামাল ভেতরে সরিয়ে নেন। পরে সবাই যে যার মতো চলে যান।
ঘটনার পর থেকে তাঁরা আতঙ্ক ও ভয়ের মধ্যে রয়েছেন। নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত তাঁরা। এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না বলে জানান তিনি।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ওমর ফারুকও বিস্ফোরণের পর এক ব্যক্তির শরীরে আগুন ধরে যাওয়ার কথা জানান। তাঁর ভাষ্য, বিস্ফোরণে আহত ব্যক্তির পিঠের বেশ কিছু অংশ দগ্ধ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জালাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ওসি জানান, ঘটনার তদন্তে একজন পরিদর্শক ও একজন উপপরিদর্শক (এসআই) কাজ করছেন।








