উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা হয় মো. মান্নান দেওয়ান ওরফে মন্নানের (৪৭) বিরুদ্ধে। সেনাবাহিনীর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁকে তুরাগের বাউনিয়ার সুলতান মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মান্নান তুরাগের বাউনিয়া এলাকার দেওয়ান বাড়ির মৃত আমির দেওয়ানের ছেলে।
আজ শনিবার দুপুরে তুরাগের দিয়াবাড়ি আর্মি ক্যাম্পের মেজর নাশাদ আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যার অভিযোগে তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মান্নান দেওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে উত্তরা পূর্ব থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেপ্তার মান্নান উত্তরা পূর্ব থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।’
মেজর নাশাদ বলেন, ‘মান্নান দেওয়ান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে উত্তরা পূর্ব এলাকায় সক্রিয়ভাবে যোগদান করেন এবং ছাত্রদের ওপর হামলাও চালান।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট রাহিমা বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই হত্যা মামলার ১০৪ নম্বর আসামি মান্নান দেওয়ান।
এ বিষয়ে উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. লিটন শরীফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাহিমা বেগম বাদী হয়ে তাঁর স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন। মানিক দিয়াবাড়ি এলাকায় একটি রড সিমেন্টের দোকানের কর্মচারী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মানিক উত্তরা আজমপুরে আসছিলেন। পরে তাঁর মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারপর তাঁর স্বজনেরা বিনা ময়নাতদন্তে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে নিয়ে গিয়ে লাশ দাফন করেন।
এসআই লিটন বলেন, ‘ওই হত্যা মামলার আসামি মান্নান দেওয়ানকে সেনাবাহিনী গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরবর্তীতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা হয় মো. মান্নান দেওয়ান ওরফে মন্নানের (৪৭) বিরুদ্ধে। সেনাবাহিনীর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁকে তুরাগের বাউনিয়ার সুলতান মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মান্নান তুরাগের বাউনিয়া এলাকার দেওয়ান বাড়ির মৃত আমির দেওয়ানের ছেলে।
আজ শনিবার দুপুরে তুরাগের দিয়াবাড়ি আর্মি ক্যাম্পের মেজর নাশাদ আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যার অভিযোগে তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মান্নান দেওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে উত্তরা পূর্ব থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেপ্তার মান্নান উত্তরা পূর্ব থানার একটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।’
মেজর নাশাদ বলেন, ‘মান্নান দেওয়ান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে উত্তরা পূর্ব এলাকায় সক্রিয়ভাবে যোগদান করেন এবং ছাত্রদের ওপর হামলাও চালান।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট রাহিমা বেগম নামের এক নারী বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই হত্যা মামলার ১০৪ নম্বর আসামি মান্নান দেওয়ান।
এ বিষয়ে উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. লিটন শরীফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাহিমা বেগম বাদী হয়ে তাঁর স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন। মানিক দিয়াবাড়ি এলাকায় একটি রড সিমেন্টের দোকানের কর্মচারী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মানিক উত্তরা আজমপুরে আসছিলেন। পরে তাঁর মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারপর তাঁর স্বজনেরা বিনা ময়নাতদন্তে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে নিয়ে গিয়ে লাশ দাফন করেন।
এসআই লিটন বলেন, ‘ওই হত্যা মামলার আসামি মান্নান দেওয়ানকে সেনাবাহিনী গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরবর্তীতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে