নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার দ্রুত বিচার, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যা বক্তব্যের জন্য তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ৩৯টি সংগঠনের জোট, সম্মিলিত সনাতন পরিষদ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আব্দুস সালাম হলে এসব দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের নেতারা।
লিখিত বক্তব্যে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. এম, কে, রায় বলেন, 'হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালীন গত ১৩ অক্টোবর, মহাষ্টমী পূজার দিনেই কুমিল্লা নানুয়া দিঘিরপাড় পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী শুরু হয় দুর্গাপূজার মন্ডপসমূহ, হিন্দুদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ ও হত্যাসহ বর্বরোচিত নৃশংসতা চালানো হয়। তারই প্রেক্ষিতে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ অস্তিত্বের তাগিদে এর প্রতিবাদে সরব ও সোচ্চার হয়। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে দেশের মানুষ এ নৃশংসতার বিরুদ্ধে আজ প্রতিবাদে সাচ্চার ও একাত্ম।
সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসকন বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রী চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী, লে. কর্নেল (অব) নিরঞ্জন ভট্টাচার্য, ড. জে. কে. পাল, শ্রীমৎ সংগীতানন্দ মহারাজ, শ্রীমৎ রুপানুগ গৌরদাস ব্রহ্মচারী এড. প্রবীর হালদার, এড. নারায়ন চন্দ্র দাস, অধ্যাপক অশাক তরু, এড. সুশান্ত বসু, এড. নলিনী রঞ্জন বসাক, এড. জয়া ভট্টাচার্য, ড, সানালী রানী দাস, এড. ডি. এল চৌধুরী, শ্রী রঘুপতি সেন, শংকর সরকার, এড. শংকর দাস, শ্ৰী পলাশ কান্তি দে, সাজন মিশ্র, শ্রী নিত্যগাপাল ঘাষ, চন্দন কুমার ঘাষ, শ্রী বিজন কান্তি ধর, এড. প্রহলাদ সাহা, শ্রী উত্তম কুমার দাস ও এডভাকেট সুমন কুমার রায় প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের নেতারা সরকারের কাছে কিছু দাবি তুলে ধরেন। দাবি গুলো হচ্ছে,
১. ২০০১ থেকে চলতি ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশব্যাপী সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজামন্ডপ, মঠ-মন্দির, দেবালয়, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে যারা প্রত্যক্ষভাবে লিপ্ত হয় এবং যারা মূল হাতা তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং সাহাবুদ্দিন কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়ন।
২. সাম্প্রদায়িক হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মঠ-মন্দির, দেবালয় ও বাড়িঘর পুন:নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দান।
৩. সাম্প্রদায়িক হামলা ও নৃশংসতা বন্ধের লক্ষ্যে-
ক, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও অবিলম্বে তা বলবৎ করে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনপূর্বক দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ;
খ. সংখ্যালঘু কমিশন গঠন;
গ. সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন;
৪. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় আটককৃতদেরকে অবিলম্বে মুক্তি দান।
৫. মিথ্যা বক্তব্যের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি।

দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার দ্রুত বিচার, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যা বক্তব্যের জন্য তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ৩৯টি সংগঠনের জোট, সম্মিলিত সনাতন পরিষদ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আব্দুস সালাম হলে এসব দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের নেতারা।
লিখিত বক্তব্যে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. এম, কে, রায় বলেন, 'হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালীন গত ১৩ অক্টোবর, মহাষ্টমী পূজার দিনেই কুমিল্লা নানুয়া দিঘিরপাড় পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী শুরু হয় দুর্গাপূজার মন্ডপসমূহ, হিন্দুদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ ও হত্যাসহ বর্বরোচিত নৃশংসতা চালানো হয়। তারই প্রেক্ষিতে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ অস্তিত্বের তাগিদে এর প্রতিবাদে সরব ও সোচ্চার হয়। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে দেশের মানুষ এ নৃশংসতার বিরুদ্ধে আজ প্রতিবাদে সাচ্চার ও একাত্ম।
সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসকন বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রী চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী, লে. কর্নেল (অব) নিরঞ্জন ভট্টাচার্য, ড. জে. কে. পাল, শ্রীমৎ সংগীতানন্দ মহারাজ, শ্রীমৎ রুপানুগ গৌরদাস ব্রহ্মচারী এড. প্রবীর হালদার, এড. নারায়ন চন্দ্র দাস, অধ্যাপক অশাক তরু, এড. সুশান্ত বসু, এড. নলিনী রঞ্জন বসাক, এড. জয়া ভট্টাচার্য, ড, সানালী রানী দাস, এড. ডি. এল চৌধুরী, শ্রী রঘুপতি সেন, শংকর সরকার, এড. শংকর দাস, শ্ৰী পলাশ কান্তি দে, সাজন মিশ্র, শ্রী নিত্যগাপাল ঘাষ, চন্দন কুমার ঘাষ, শ্রী বিজন কান্তি ধর, এড. প্রহলাদ সাহা, শ্রী উত্তম কুমার দাস ও এডভাকেট সুমন কুমার রায় প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের নেতারা সরকারের কাছে কিছু দাবি তুলে ধরেন। দাবি গুলো হচ্ছে,
১. ২০০১ থেকে চলতি ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশব্যাপী সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজামন্ডপ, মঠ-মন্দির, দেবালয়, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটে যারা প্রত্যক্ষভাবে লিপ্ত হয় এবং যারা মূল হাতা তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং সাহাবুদ্দিন কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়ন।
২. সাম্প্রদায়িক হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত মঠ-মন্দির, দেবালয় ও বাড়িঘর পুন:নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দান।
৩. সাম্প্রদায়িক হামলা ও নৃশংসতা বন্ধের লক্ষ্যে-
ক, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও অবিলম্বে তা বলবৎ করে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনপূর্বক দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ;
খ. সংখ্যালঘু কমিশন গঠন;
গ. সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন;
৪. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় আটককৃতদেরকে অবিলম্বে মুক্তি দান।
৫. মিথ্যা বক্তব্যের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি।

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
২৮ মিনিট আগে
কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
১ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে