
‘পানির জন্য উপকূলে দুঃখ বারো মাস, সুপেয় পানির অভাব আর লবণাক্ততায় সর্বনাশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বরগুনার পাথরঘাটায় খালি কলসি নিয়ে ‘কলসিবন্ধন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিষখালী নদীসংলগ্ন চরলাঠিমারা গ্রামের একটি মাঠে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ৩ শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দাসহ সিসিডিবি, এনএসএস, বাংলাদেশ বন্ধু ফাউন্ডেশন, চরলাঠিমারা, সিসিআরসিসহ ৩০টি বেসরকারি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশ নেয়।
এতে বক্তব্য দেন পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশ বন্ধু ফাউন্ডেশনের সহকারী ম্যানেজার মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, সিসিডিবির প্রকল্প সমন্বয়কারী রতন মজুমদার, সমাজসেবক নয়ন আহমেদ, স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন, সোহরাব হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পাথরঘাটায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি পাওয়া যায় না। এখানকার মানুষের মধ্যে নিয়মিত দেখা যায় পানির জন্য হাহাকারের চিত্র। এক কলসি পানির জন্য তাদের পাড়ি দিতে হয় কয়েক গ্রাম। তারপরও অনেক সময় খাওয়ার মতো পানি না পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন এলাকায় মিঠা পানির স্তর নিচে নেমে যায়। এতে সুপেয় পানির অভাব দিন দিন আরও বাড়ছে।

রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
২২ মিনিট আগে
কোস্ট গার্ড জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি স্টিলবডি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড তজুমদ্দিন স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালান।
৩১ মিনিট আগে
বাইচ শুরু হতেই নদীর দৃশ্য বদলে যায়। দুপাড়ের দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। একসঙ্গে ছুটে চলা নৌকাগুলোর বইঠার আঘাতে নদীতে সৃষ্টি হতে থাকে ছোট ছোট ঢেউ। মাঝিদের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের উত্তেজনাও। কোনো নৌকা সামান্য এগিয়ে গেলে নদীর পাড় থেকে ওঠে উল্লাস।
৩৭ মিনিট আগে
পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে চার মাসের বিলের হিসাব তুলে ধরায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের তিনটি মিটারের বিল যোগ করলে মোট ১০ হাজার ৬৮১ টাকা হয়। সিফাতের গ্রাহক কপি এবং পল্লী বিদ্যুতের হিসাবেও এই পরিমাণ বিলের মিল পাওয়া গেছে।
৪২ মিনিট আগে