নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বাড্ডা থানার সাঁতারকুল এলাকায় অপু ইসলাম নামে এক শ্রমিক লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ছয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহাম্মেদ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিরা হলেন শাহাদাত হোসেন, মো. মোরশেদ হোসেন, মো. হামিদুল ইসলাম, সনেট সরকার, মেহেদী হাসান ও শাহজাহান কবির।
আজ বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে বাড্ডা থানা–পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই মো. মেহেদী হাসান আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অপু রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সনেট সরকার, মেহেদী হাসান ও শাহজাহান কবিরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর তারা অপুকে পাশের একটি ভবনের সাত তলায় নিয়ে মারধর করে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে একইদিনে রাত ৮টার দিকে বাকি আসামিরা বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে অপুকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তারা অপুকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলে অপু তার প্রতিবাদ করেন। একপর্যায়ে ভবনের লিফটের জন্য রাখা ফাঁকা জায়গা দিয়ে তাকে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় অপুকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ১০ জুন রাতে নিহত অপুর বড় ভাই খোরশেদ আলম বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।

রাজধানীর বাড্ডা থানার সাঁতারকুল এলাকায় অপু ইসলাম নামে এক শ্রমিক লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ছয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহাম্মেদ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিরা হলেন শাহাদাত হোসেন, মো. মোরশেদ হোসেন, মো. হামিদুল ইসলাম, সনেট সরকার, মেহেদী হাসান ও শাহজাহান কবির।
আজ বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে বাড্ডা থানা–পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই মো. মেহেদী হাসান আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অপু রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সনেট সরকার, মেহেদী হাসান ও শাহজাহান কবিরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর তারা অপুকে পাশের একটি ভবনের সাত তলায় নিয়ে মারধর করে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে একইদিনে রাত ৮টার দিকে বাকি আসামিরা বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে অপুকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তারা অপুকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করলে অপু তার প্রতিবাদ করেন। একপর্যায়ে ভবনের লিফটের জন্য রাখা ফাঁকা জায়গা দিয়ে তাকে নিচে ফেলে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় অপুকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ১০ জুন রাতে নিহত অপুর বড় ভাই খোরশেদ আলম বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৯ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে