নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানকে ‘গডফাদার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। সেই সঙ্গে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারকে ওসমান পরিবারের লোক বলেও মন্তব্য করেছেন।
এ প্রসঙ্গে আজ রোববার তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তার নিজ দলের এমপিকে গডফাদার বলেছে। বিষয়টি তাদের দলের নিজস্ব ব্যাপার। যেখানে আমি জড়িত সেখানে আমার বক্তব্য স্পষ্ট। ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী তিনবার বলেছেন, তৈমূর জেতার মতো ক্যান্ডিডেট। সেই আত্মবিশ্বাস বলতে তিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে মূল্যায়ন করে আমাকেই ভোট দিতেন।’
আজ সকালে নারায়ণগঞ্জের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালানোর সময় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন বিএনপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা তৈমূর আলম খন্দকার।
আইভীকে উদ্দেশ করে তৈমূর আলম বলেন, ‘আইভী আজ নির্বাচন না করলে সে আমার নির্বাচনের সমন্বয়ক হতো। সে নির্বাচন করছে, তাই দলের বিষয়ে কথা বলছে। সে শুধু সরকারি দলকে বিতর্কিত করেনি, আমার নেত্রীকেও অপমান করেছে। সে বলেছে, দুই নেত্রী দেশকে ধ্বংস করেছে। যেখানে দুই নেত্রীকেও ছাড় দেয়নি, সেখানে আমি ছাড় পাব কীভাবে? মেয়র হিসেবে তার বক্তব্য আরও সাবধানী হওয়া উচিত। তার যেটা ভালো লাগবে না সেটার বিরুদ্ধে যা খুশি বলে দিবে এটা ঠিক না।’
তৈমূর আলম শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত। আমি কোনো দলের ব্যানারে দাঁড়াইনি। সবাই আমাকে সমর্থন দিচ্ছে। কিছুদিন আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানরা আমার সঙ্গে ছিলেন। গত রাতে ধামগড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে। ট্রাকে ট্রাকে পুলিশ বাড়ি গিয়ে মানুষকে হুমকি দিচ্ছে নৌকার নির্বাচন করার জন্য। এর মাধ্যমে নানা রকমের আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমি জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, নারায়ণগঞ্জের সরকারি দলের প্রার্থী পাস করে না। ২০১১ সালে আমাকে বসিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে মওদুদ সাহেব বলেছিলেন শামীম ওসমানকে ফেল করানোর জন্য তৈমূরকে বসিয়ে দিয়েছি।’
বর্তমান সিটি করপোরেশন প্রশাসনের সমালোচনা করে তৈমূর আলম বলেন, ‘এখানে নির্বাচনটা হচ্ছে নাসিকের ব্যর্থতা ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এখনো সেই ঠিকাদাররা নির্বাচন করছে। আর আমার সঙ্গে এই শহরের জনগণ আছে। তারা সুপেয় পানি চায়, তারা জলাবদ্ধতামুক্ত শহর চায়। ঢাকার নেতাদের নারায়ণগঞ্জ নিয়ে চিন্তা বাদ দেওয়া উচিত। রাজনীতিতে বাস্তবতা এবং জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে মাঠে থাকতে হবে।’

স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানকে ‘গডফাদার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। সেই সঙ্গে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারকে ওসমান পরিবারের লোক বলেও মন্তব্য করেছেন।
এ প্রসঙ্গে আজ রোববার তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তার নিজ দলের এমপিকে গডফাদার বলেছে। বিষয়টি তাদের দলের নিজস্ব ব্যাপার। যেখানে আমি জড়িত সেখানে আমার বক্তব্য স্পষ্ট। ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী তিনবার বলেছেন, তৈমূর জেতার মতো ক্যান্ডিডেট। সেই আত্মবিশ্বাস বলতে তিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে মূল্যায়ন করে আমাকেই ভোট দিতেন।’
আজ সকালে নারায়ণগঞ্জের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালানোর সময় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন বিএনপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা তৈমূর আলম খন্দকার।
আইভীকে উদ্দেশ করে তৈমূর আলম বলেন, ‘আইভী আজ নির্বাচন না করলে সে আমার নির্বাচনের সমন্বয়ক হতো। সে নির্বাচন করছে, তাই দলের বিষয়ে কথা বলছে। সে শুধু সরকারি দলকে বিতর্কিত করেনি, আমার নেত্রীকেও অপমান করেছে। সে বলেছে, দুই নেত্রী দেশকে ধ্বংস করেছে। যেখানে দুই নেত্রীকেও ছাড় দেয়নি, সেখানে আমি ছাড় পাব কীভাবে? মেয়র হিসেবে তার বক্তব্য আরও সাবধানী হওয়া উচিত। তার যেটা ভালো লাগবে না সেটার বিরুদ্ধে যা খুশি বলে দিবে এটা ঠিক না।’
তৈমূর আলম শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত। আমি কোনো দলের ব্যানারে দাঁড়াইনি। সবাই আমাকে সমর্থন দিচ্ছে। কিছুদিন আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানরা আমার সঙ্গে ছিলেন। গত রাতে ধামগড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে। ট্রাকে ট্রাকে পুলিশ বাড়ি গিয়ে মানুষকে হুমকি দিচ্ছে নৌকার নির্বাচন করার জন্য। এর মাধ্যমে নানা রকমের আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমি জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, নারায়ণগঞ্জের সরকারি দলের প্রার্থী পাস করে না। ২০১১ সালে আমাকে বসিয়ে দেওয়ার কারণ হিসেবে মওদুদ সাহেব বলেছিলেন শামীম ওসমানকে ফেল করানোর জন্য তৈমূরকে বসিয়ে দিয়েছি।’
বর্তমান সিটি করপোরেশন প্রশাসনের সমালোচনা করে তৈমূর আলম বলেন, ‘এখানে নির্বাচনটা হচ্ছে নাসিকের ব্যর্থতা ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। এখনো সেই ঠিকাদাররা নির্বাচন করছে। আর আমার সঙ্গে এই শহরের জনগণ আছে। তারা সুপেয় পানি চায়, তারা জলাবদ্ধতামুক্ত শহর চায়। ঢাকার নেতাদের নারায়ণগঞ্জ নিয়ে চিন্তা বাদ দেওয়া উচিত। রাজনীতিতে বাস্তবতা এবং জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে মাঠে থাকতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে