নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে মোহাম্মদ সোহাগ ওরফে লাল চাঁদ নামের এক তরুণ ব্যবসায়ীকে জনসমক্ষে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাত ১০টায় পৃথক স্থানে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। একই সময়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে শুরু হওয়া ছাত্রদলের মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাস চত্বরের পাশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ‘সোহাগ হত্যার বিচার চাই’, ‘আমাদের অধিকার, নিরাপদ বাংলাদেশ’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’সহ নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ‘৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে যে পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এবং তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেটি ঘটিয়ে উল্লাস করা হয়েছে তা প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন নেই। আমরা এই হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। বিচার না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।’
একই সময়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখাও পৃথক প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। তারা শুধু সোহাগ হত্যার নয়, সারাদেশে চলমান ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই বিকালে মিটফোর্ড হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে প্রকাশ্যে মোহাম্মদ সোহাগ নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে উল্লাস করছিল। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়।

রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে মোহাম্মদ সোহাগ ওরফে লাল চাঁদ নামের এক তরুণ ব্যবসায়ীকে জনসমক্ষে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাত ১০টায় পৃথক স্থানে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়। একই সময়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে শুরু হওয়া ছাত্রদলের মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাস চত্বরের পাশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ‘সোহাগ হত্যার বিচার চাই’, ‘আমাদের অধিকার, নিরাপদ বাংলাদেশ’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’সহ নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ‘৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে যে পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এবং তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেটি ঘটিয়ে উল্লাস করা হয়েছে তা প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন নেই। আমরা এই হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। বিচার না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।’
একই সময়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখাও পৃথক প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। তারা শুধু সোহাগ হত্যার নয়, সারাদেশে চলমান ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই বিকালে মিটফোর্ড হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে প্রকাশ্যে মোহাম্মদ সোহাগ নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে উল্লাস করছিল। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে