অরূপ রায়, সাভার

নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় জনসাধারণের মধ্যে বিতরণের জন্য ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ৪৬৮টি সাবমার্সিবল পাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত একটি পাম্পও বিতরণ করা হয়নি। তবে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের দাবি, তালিকা পেতে দেরি হওয়ায় যথাসময়ে পাম্প বিতরণ করা যায়নি।
প্রকল্প ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েক বছর ধরেই সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সাবমার্সিবল পাম্প বিতরণ করছে। এসব পাম্প বিতরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অনেক গ্রামে একই ব্যক্তি একাধিকবার পাম্প পেয়েছেন। আবার অনেক গ্রামে একজনও পাম্প পাননি।
উপজেলা চেয়ারম্যানের তালিকায় ফজলুর রহমান নামের একজনের নাম রয়েছে, যিনি আগেও একটি সাবমার্সিবল পাম্প পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন।
সাটুরিয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অতাউল হক চৌধুরী বলেন, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের বরাদ্দে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের তালিকায় আমার ভাই আমিনুল হকের নামে রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে ১০ হাজার টাকা জমা দিয়েছি, কিন্তু এখনো পাম্প সরবরাহ করা হয়নি।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় সরকার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৩৪টি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২৩৪টি সাবমার্সিবল পাম্প বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে অর্ধেক বিতরণ করবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। বাকি অর্ধেক বিতরণ করতে হবে ইউনিয়ন ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন কমিটির (ওয়াটসন) তালিকা অনুযায়ী। কিন্তু মাস তিনেক আগে দুই অর্থবছর মিলিয়ে ২৩৪টি পাম্পের মধ্যে ১৬২টির তালিকা দেয় ইউনিয়ন ওয়াটসন কমিটি। আর বাকি ৭২টির তালিকা গত এপ্রিলের শেষের দিকে দেন সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের বিদায়ী চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ফটো। যদিও এই বরাদ্দে উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ত থাকার কথা নয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ফটো অসুস্থ থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা নারী ভাইস চেয়ারম্যান শিউলী আক্তার গত বুধবার বলেন, ‘দুই অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়া ৪৬৮টি সাবমার্সিবল পাম্প সমবণ্টন করা হয়নি।
আমি নিজেও একটা পাম্প চেয়েছিলাম; কিন্তু দেওয়া হয়নি। অথচ এ দুই অর্থবছরের আগে যাঁরা সাবমার্সিবল পাম্প পেয়েছেন, এবারের তালিকায়ও তাঁদের নাম রয়েছে। এমন অনেক গ্রাম আছে, যেখানে একটি পাম্পও দেওয়া হয়নি।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আজিজুল হাকিম বলেন, যথাসময়ে তালিকা না পাওয়ায় দরপত্র প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়।

নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় জনসাধারণের মধ্যে বিতরণের জন্য ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ৪৬৮টি সাবমার্সিবল পাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত একটি পাম্পও বিতরণ করা হয়নি। তবে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের দাবি, তালিকা পেতে দেরি হওয়ায় যথাসময়ে পাম্প বিতরণ করা যায়নি।
প্রকল্প ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েক বছর ধরেই সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সাবমার্সিবল পাম্প বিতরণ করছে। এসব পাম্প বিতরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অনেক গ্রামে একই ব্যক্তি একাধিকবার পাম্প পেয়েছেন। আবার অনেক গ্রামে একজনও পাম্প পাননি।
উপজেলা চেয়ারম্যানের তালিকায় ফজলুর রহমান নামের একজনের নাম রয়েছে, যিনি আগেও একটি সাবমার্সিবল পাম্প পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন।
সাটুরিয়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অতাউল হক চৌধুরী বলেন, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের বরাদ্দে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের তালিকায় আমার ভাই আমিনুল হকের নামে রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে ১০ হাজার টাকা জমা দিয়েছি, কিন্তু এখনো পাম্প সরবরাহ করা হয়নি।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় সরকার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৩৪টি এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২৩৪টি সাবমার্সিবল পাম্প বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে অর্ধেক বিতরণ করবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। বাকি অর্ধেক বিতরণ করতে হবে ইউনিয়ন ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন কমিটির (ওয়াটসন) তালিকা অনুযায়ী। কিন্তু মাস তিনেক আগে দুই অর্থবছর মিলিয়ে ২৩৪টি পাম্পের মধ্যে ১৬২টির তালিকা দেয় ইউনিয়ন ওয়াটসন কমিটি। আর বাকি ৭২টির তালিকা গত এপ্রিলের শেষের দিকে দেন সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের বিদায়ী চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ফটো। যদিও এই বরাদ্দে উপজেলা চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ত থাকার কথা নয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ফটো অসুস্থ থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা নারী ভাইস চেয়ারম্যান শিউলী আক্তার গত বুধবার বলেন, ‘দুই অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়া ৪৬৮টি সাবমার্সিবল পাম্প সমবণ্টন করা হয়নি।
আমি নিজেও একটা পাম্প চেয়েছিলাম; কিন্তু দেওয়া হয়নি। অথচ এ দুই অর্থবছরের আগে যাঁরা সাবমার্সিবল পাম্প পেয়েছেন, এবারের তালিকায়ও তাঁদের নাম রয়েছে। এমন অনেক গ্রাম আছে, যেখানে একটি পাম্পও দেওয়া হয়নি।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আজিজুল হাকিম বলেন, যথাসময়ে তালিকা না পাওয়ায় দরপত্র প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৫ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৫ ঘণ্টা আগে