নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি হত্যা মামলায় ৩৩ আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করে তাঁদের অপরাধ আমলে নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই মামলায় পলাতক ৯ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও নির্দেশ দেন আদালত।
যাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাঁরা হলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার, বিদেশে পলাতক জিসান আহম্মেদ ওরফে মন্টু ওরফে ইমদাদুল হক ও মানিক ওরফে জাফর আহমেদ ওরফে ফ্রিডম মানিক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ আহমেদ মনসুর, ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান ওরফে বাবুল ওরফে বাবুল তালুকদার, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক নেতা আমিনুল ইসলাম ওরফে হাবিব, মো. সোহেল ওরফে রানা মোল্লা ওরফে ল্যাংড়া সোহেল, শামসুল হায়দার ওরফে উচ্ছল ওরফে উজ্জ্বল ও মো. রিফাত হোসেন। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ৫ জুন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইয়াসিন শিকদার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তিনি অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন তদন্তে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এক্সেল সোহেল নামে এক আসামির পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিচারের জন্য ৩৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। চার্জশিটে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও জাতীয় পার্টির একাধিক পদধারী নেতা আসামির তালিকায় রয়েছেন। সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরও আছেন আসামির তালিকায়।
চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম মাতবর ওরফে রফিক ওরফে খোকা, থানা জাতীয় পার্টির নেতা জুবের আলম খান ওরফে রবিন ওরফে রেলওয়ে রবিন, হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল শাহরিয়ার ওরফে সোহেল রানা, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি মারুফ রেজা সাগর, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সদস্য মোরশেদুল আলম রফিক ওরফে পলাশ, ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সোহেল ওরফে ঘাতক সোহেল, সুমন শিকদার মুসা, মুসার ভাগনে ইয়াসির আরাফাত সৈকত, মুসার ভাতিজা সেকান্দার শিকদার ওরফে আকাশ, ইমরান হোসেন জিতু, শামীম হোসাইন ওরফে মোল্লা শামীম, রাকিবুর রহমান রাকিব, তৌফিক হোসাইন ওরফে বাবু ওরফে বিডি বাবু, ওমর ফারুক ওরফে কানা ফারুক, নাসির উদ্দিন ওরফে কিলার নাসির, ইশতিয়াক আহমেদ জিতু, মাহবুবুর রহমান টিটু, হাফিজুল ইসলাম ওরফে হাফিজ, মাসুম মোহাম্মদ ওরফে রানা মোল্লা ওরফে আকাশ, নাসির উদ্দিন ওরফে মানিক, মশিউর রহমান ওরফে একরাম, আবুল হোসেন মোহাম্মদ আরাফাত উল্লাহ ইসলাম খান ওরফে দামাল, আবু সালেহ সিকদার ওরফে শুটার সালেহ ও মো. মারুফ খান। এই ২৪ জন বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে জামিনে থাকা তিন আসামি মশিউর রহমান ইকরাম, আরিফুর রহমান সোহেল, তৌফিক হোসেনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া, হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়া রাকিব ও মোরশেদুলের জামিন বহাল রেখেছেন আদালত।
২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাশে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। এ ছাড়া টিপুর গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর ওই দিন রাতেই শাহজাহানপুর থানায় নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি হত্যা মামলায় ৩৩ আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করে তাঁদের অপরাধ আমলে নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই মামলায় পলাতক ৯ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও নির্দেশ দেন আদালত।
যাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাঁরা হলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার, বিদেশে পলাতক জিসান আহম্মেদ ওরফে মন্টু ওরফে ইমদাদুল হক ও মানিক ওরফে জাফর আহমেদ ওরফে ফ্রিডম মানিক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ আহমেদ মনসুর, ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান ওরফে বাবুল ওরফে বাবুল তালুকদার, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক নেতা আমিনুল ইসলাম ওরফে হাবিব, মো. সোহেল ওরফে রানা মোল্লা ওরফে ল্যাংড়া সোহেল, শামসুল হায়দার ওরফে উচ্ছল ওরফে উজ্জ্বল ও মো. রিফাত হোসেন। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ৫ জুন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইয়াসিন শিকদার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তিনি অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন তদন্তে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এক্সেল সোহেল নামে এক আসামির পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিচারের জন্য ৩৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। চার্জশিটে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও জাতীয় পার্টির একাধিক পদধারী নেতা আসামির তালিকায় রয়েছেন। সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরও আছেন আসামির তালিকায়।
চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম মাতবর ওরফে রফিক ওরফে খোকা, থানা জাতীয় পার্টির নেতা জুবের আলম খান ওরফে রবিন ওরফে রেলওয়ে রবিন, হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল শাহরিয়ার ওরফে সোহেল রানা, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি মারুফ রেজা সাগর, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সদস্য মোরশেদুল আলম রফিক ওরফে পলাশ, ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সোহেল ওরফে ঘাতক সোহেল, সুমন শিকদার মুসা, মুসার ভাগনে ইয়াসির আরাফাত সৈকত, মুসার ভাতিজা সেকান্দার শিকদার ওরফে আকাশ, ইমরান হোসেন জিতু, শামীম হোসাইন ওরফে মোল্লা শামীম, রাকিবুর রহমান রাকিব, তৌফিক হোসাইন ওরফে বাবু ওরফে বিডি বাবু, ওমর ফারুক ওরফে কানা ফারুক, নাসির উদ্দিন ওরফে কিলার নাসির, ইশতিয়াক আহমেদ জিতু, মাহবুবুর রহমান টিটু, হাফিজুল ইসলাম ওরফে হাফিজ, মাসুম মোহাম্মদ ওরফে রানা মোল্লা ওরফে আকাশ, নাসির উদ্দিন ওরফে মানিক, মশিউর রহমান ওরফে একরাম, আবুল হোসেন মোহাম্মদ আরাফাত উল্লাহ ইসলাম খান ওরফে দামাল, আবু সালেহ সিকদার ওরফে শুটার সালেহ ও মো. মারুফ খান। এই ২৪ জন বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে জামিনে থাকা তিন আসামি মশিউর রহমান ইকরাম, আরিফুর রহমান সোহেল, তৌফিক হোসেনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া, হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়া রাকিব ও মোরশেদুলের জামিন বহাল রেখেছেন আদালত।
২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাশে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। এ ছাড়া টিপুর গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর ওই দিন রাতেই শাহজাহানপুর থানায় নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে