নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় রাফিয়া তামান্না নামের এক নারী সাংবাদিককে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নারী ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজে কাজ করেন। এ ঘটনায় তিনি রামপুরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে বনশ্রীর ই-ব্লকের ৩ নম্বর সড়কের একটি জুসের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নারী সাংবাদিক রাফিয়া তামান্না ও তাঁর ছোট ভাই রিশাদকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
রাফিয়া তামান্না রামপুরা থানায় জিসান ও পার্থিব নামের দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০-২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে আমি এবং আমার ছোট ভাই রিশাদ বনশ্রী ই-ব্লকের তিন নম্বর রোডের একটি জুসের দোকানে ছিলাম। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় যুবক আমাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তারা প্রথমে তাঁকে মারধর করে। আমি বাধা দিতে গেলে তাঁরা আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করে।’
রাফিয়া তামান্না আরও বলেন, ‘আমরা নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই। ছেলেগুলো এমনভাবে আচরণ করছিল, যেন তারা যা করছে সেটাই তাদের অধিকার। আমার ভাই যখন প্রতিবাদ করল, তখন তারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এমনকি তারা আমাকে হেনস্তা করার পরও অকপটে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা রেপ করেছি, কী করবে?’
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ‘বনশ্রীর ই-ব্লকের একটি জুসের দোকানে ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কয়েক যুবক নারী সাংবাদিক ও তাঁর ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যে একটি অভিযোগ নেওয়া হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, এ ঘটনার পর রাফিয়া তামান্না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই! আমাকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় আমার ভাইকে মারধর করা হলো, আমাকেও লাঞ্ছিত করা হলো। অথচ আশপাশের কেউ এগিয়ে এল না।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমার চুল টেনে ধরে আমাকে হ্যাঁচকা টান দেওয়া হলো, বুকে আঘাত করা হলো, লাথি মারা হলো। চারপাশের সবাই দাঁড়িয়ে দেখছিল, কেউ কিছু বলেনি।’
তাঁর এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা বলেন, রাজধানীতে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। শুধু রাস্তায় নয়, নিজেদের বাড়ির সামনেও নিরাপদ নন নারীরা।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বনশ্রী এলাকায় আনোয়ার হোসেন নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁকে ঘিরে ধরে। পরে আনোয়ারের কাছে থাকা প্রায় ১৮০ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। সে সময় স্বর্ণ লুটের এ ঘটনার ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে সমালোচনার জড় ওঠে।

রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় রাফিয়া তামান্না নামের এক নারী সাংবাদিককে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নারী ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজে কাজ করেন। এ ঘটনায় তিনি রামপুরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে বনশ্রীর ই-ব্লকের ৩ নম্বর সড়কের একটি জুসের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নারী সাংবাদিক রাফিয়া তামান্না ও তাঁর ছোট ভাই রিশাদকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
রাফিয়া তামান্না রামপুরা থানায় জিসান ও পার্থিব নামের দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০-২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে আমি এবং আমার ছোট ভাই রিশাদ বনশ্রী ই-ব্লকের তিন নম্বর রোডের একটি জুসের দোকানে ছিলাম। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় যুবক আমাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তারা প্রথমে তাঁকে মারধর করে। আমি বাধা দিতে গেলে তাঁরা আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করে।’
রাফিয়া তামান্না আরও বলেন, ‘আমরা নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই। ছেলেগুলো এমনভাবে আচরণ করছিল, যেন তারা যা করছে সেটাই তাদের অধিকার। আমার ভাই যখন প্রতিবাদ করল, তখন তারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এমনকি তারা আমাকে হেনস্তা করার পরও অকপটে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা রেপ করেছি, কী করবে?’
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ‘বনশ্রীর ই-ব্লকের একটি জুসের দোকানে ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কয়েক যুবক নারী সাংবাদিক ও তাঁর ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যে একটি অভিযোগ নেওয়া হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, এ ঘটনার পর রাফিয়া তামান্না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই! আমাকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় আমার ভাইকে মারধর করা হলো, আমাকেও লাঞ্ছিত করা হলো। অথচ আশপাশের কেউ এগিয়ে এল না।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমার চুল টেনে ধরে আমাকে হ্যাঁচকা টান দেওয়া হলো, বুকে আঘাত করা হলো, লাথি মারা হলো। চারপাশের সবাই দাঁড়িয়ে দেখছিল, কেউ কিছু বলেনি।’
তাঁর এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা বলেন, রাজধানীতে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। শুধু রাস্তায় নয়, নিজেদের বাড়ির সামনেও নিরাপদ নন নারীরা।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বনশ্রী এলাকায় আনোয়ার হোসেন নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁকে ঘিরে ধরে। পরে আনোয়ারের কাছে থাকা প্রায় ১৮০ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। সে সময় স্বর্ণ লুটের এ ঘটনার ৩২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে সমালোচনার জড় ওঠে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে