নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর ভাটারা থানায় এনামুল হক নামে এক ব্যক্তির আহত হওয়ার ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টার মামলায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান তাঁকে জামিন দেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে জামিন দেন।
গত ২ জুন হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান অপু বিশ্বাস। ছয় সপ্তাহের জন্য তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিননামা দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ছয় সপ্তাহের মধ্যে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ১০ জুলাই জামিন নামা দাখিল করেন। আজ হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে এ মামলায় গত ১৮ মে গ্রেপ্তার হন আরেক চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। গ্রেপ্তারের পর সারা দেশে আলোচনা-সমালোচনা ঝড় বয়ে যায়। পরে ২০ মে আদালত তাঁকে জামিন দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় আসামি—অপু বিশ্বাস, আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া, অভিনেতা জায়েদ খানসহ ১৭ তারকা। এ ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের সংশ্লিষ্ট ২৮৩ জন ওই মামলার আসামি। মামলায় এসব অভিনেতা-অভিনেত্রীকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের হয়ে অর্থ জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অপু বিশ্বাস আজ লাল বোরকা, সাদা হিজাব ও মুখে কালো মাস্ক পরে আদালতে হাজির হন। আদালত থেকে বের হয়ে অপু বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অভিনয় শিল্পী। অভিনয়ের জন্য অনেক কিছু করেছি। আমি রাজনীতি বুঝি না, করিও না। আমার আইনজীবীরা এ বিষয়ে কথা বলবেন।’
পরে অপু বিশ্বাসের আইনজীবী আবুল বাশার কামরুল বলেন, গত ২ জুন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন পান অপু বিশ্বাস। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অপু বিশ্বাস স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর ভাটারা থানায় এনামুল হক নামে এক ব্যক্তির আহত হওয়ার ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টার মামলায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান তাঁকে জামিন দেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে জামিন দেন।
গত ২ জুন হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান অপু বিশ্বাস। ছয় সপ্তাহের জন্য তাঁকে জামিন দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিননামা দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ছয় সপ্তাহের মধ্যে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ১০ জুলাই জামিন নামা দাখিল করেন। আজ হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে এ মামলায় গত ১৮ মে গ্রেপ্তার হন আরেক চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। গ্রেপ্তারের পর সারা দেশে আলোচনা-সমালোচনা ঝড় বয়ে যায়। পরে ২০ মে আদালত তাঁকে জামিন দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় আসামি—অপু বিশ্বাস, আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া, অভিনেতা জায়েদ খানসহ ১৭ তারকা। এ ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের সংশ্লিষ্ট ২৮৩ জন ওই মামলার আসামি। মামলায় এসব অভিনেতা-অভিনেত্রীকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের হয়ে অর্থ জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অপু বিশ্বাস আজ লাল বোরকা, সাদা হিজাব ও মুখে কালো মাস্ক পরে আদালতে হাজির হন। আদালত থেকে বের হয়ে অপু বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অভিনয় শিল্পী। অভিনয়ের জন্য অনেক কিছু করেছি। আমি রাজনীতি বুঝি না, করিও না। আমার আইনজীবীরা এ বিষয়ে কথা বলবেন।’
পরে অপু বিশ্বাসের আইনজীবী আবুল বাশার কামরুল বলেন, গত ২ জুন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন পান অপু বিশ্বাস। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অপু বিশ্বাস স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে