
রাজধানীর পশ্চিম জুরাইনে একটি মাদ্রাসার ছাদ থেকে পড়ে ইয়ামিন (১০) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সে কীভাবে পড়েছে, সেটি নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পশ্চিম জুরাইন তাসফিলুল কোরআন নামে একটি হেফজ মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় মাদ্রাসার শিক্ষকেরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক রাত সোয়া ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাদ্রাসাটির প্রিন্সিপাল ফেরদৌস আহমেদ জানান, ইয়ামিন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ে। তার বাসা কদমতলী মোহাম্মদবাগ এলাকায়। বাবার নাম রফিকুল ইসলাম। গত বুধবার মাদ্রাসা ছুটির পর সে বাসায় চলে যায়। এরপর আর মাদ্রাসায় আসেনি। তিনি বলেন, ইয়ামিন মাদ্রাসায় আসতে চাচ্ছিল না দেখে তার বাবা আমাকে কল করে বলেন, তাকে বাসা থেকে বুঝিয়ে মাদ্রাসায় নিয়ে যেতে। তবে তিনি (প্রিন্সিপাল) আর ইয়ামিনকে আনতে যাননি।
সবশেষ রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইয়ামিনের নানি তাকে মাদ্রাসায় দিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর সে কৌশলে ছাদের গেটের চাবি নিয়ে ছাদে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর তিনি (প্রিন্সিপাল) খবর পান, সে ছাদ থেকে নিচে পড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে ভবনের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কদমতলি থানা-পুলিশ তদন্ত করছে।

বিয়ের পর যৌতুকের জন্য সাজু সরদার বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন হাসিনাকে। একপর্যায়ে তাঁকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হতো। যৌতুক হিসেবে হাসিনার বাবার কাছ থেকে নগদ লক্ষাধিক টাকা ও গরুও নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
২২ মিনিট আগে
শরতের শুরুতেই পঞ্চগড়ে দেখা মিলল ঘন কুয়াশার। আজ মঙ্গলবার ভোরে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঢেকে যায় কুয়াশার ঘন চাদরে। কয়েক হাত দূরের দৃশ্যও অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলতে হয় যানবাহনগুলোকে।
২৭ মিনিট আগে
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা খ্রিষ্টান তরুণীর নাম জয়া গাইন। সে রাজৈর থানার লখন্ডা গ্রামের পিজুস গাইনের মেয়ে। অপর তরুণী শ্রীপুরের টুপিপাড়া গ্রামের মিরাজ বিশ্বাসের মেয়ে মিরা খাতুন (১৬)। সে ধর্মে মুসলিম। বর্তমানে জয়া গাইন মিরাজ বিশ্বাসের বাড়িতে অবস্থান করছে।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ায় সৌর মিয়া ও হাসি বেগমের পরিবারে নেমেছিল আনন্দের জোয়ার। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই দেখা দিয়েছে চরম আর্থিক সংকট। বেকার বাবার পক্ষে তিন নবজাতকের দুধ, ডায়াপার ও চিকিৎসার খরচের পাশাপাশি প্রসূতি মায়ের চিকিৎসা ও পুষ্টিকর খাবারের জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে