
ঢাকার ধামরাইয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে পাঁচজন দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় সবশেষ মারা গেলেন হোসনে আরা (৩০)। এ নিয়ে এ ঘটনায় দগ্ধ পাঁচজনই মারা গেলেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন। তিনি বলেন, হোসনে আরার শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি শনিবার ভোর ৫টার দিকে ধামরাইয়ের কুমড়াইল কবরস্থানসংলগ্ন দোতলা বাড়ির নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে দগ্ধরা হলেন জোছনা বেগম (২৫), তাঁর স্বামী গার্মেন্টকর্মী মঞ্জুরুল (৩২), মেয়ে মরিয়ম (দেড় বছর), বোন হোসনে আরা (৩০) এবং আরেক বোনের মেয়ে সাদিয়া (১৮)।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতেই মারা যায় মঞ্জুরুলের শিশুকন্যা মরিয়ম। পরে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান স্ত্রী জোছনা বেগম ও দুপুরে ভাগনি সাদিয়া। বুধবার সকালে মারা যান মঞ্জুরুল।
তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া মো. নিজাম শেখ ঘটনার দিন বলেন, ভোরে তাঁরা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন বিকট শব্দ শুনতে পান। এরপর ভবনের নিচতলা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখেন। দ্রুত নিচতলায় গিয়ে দেখেন, বাসার ভেতর পাঁচজন দগ্ধ অবস্থায় কাতরাচ্ছেন। আর আগুনে বিছানার কিছুটা পুড়ে গেছে। তখন তাঁদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
আরো পড়ুন:

টানা প্রায় আড়াই বছর নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মেরামতের জন্য রাখা হয়েছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ফেরি সন্ধ্যামালতী। সেখানে ১০ লাখের বেশি টাকা ব্যয়ে মেরামতের পর গত ঈদুল আজহার আগে বরিশালের লাহারহাট ফেরিঘাটে পাঠানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের প্রভাষক আব্দুল আলীমকে গত বছরের নভেম্বরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ছাত্র হোস্টেল সুপারের। দায়িত্ব পাওয়ার পরই আর্থিক নয়-ছয়ের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভ্যন্তরীণ তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা মেলে।
৫ ঘণ্টা আগে
আপাতত খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে এবং এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দুর্গতদের নৌকা দিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেনাবাহিনী সেখানে কাজ করছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় আটকে পড়া বান্দরবানের ১২২ পরিবারকে উদ্ধার করেছে বিজিবি। প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে শুক্রবার রাত থেকে বিজিবি বান্দরবান সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিলের নেতৃত্বে সেক্টর দপ্তরের
৮ ঘণ্টা আগে