নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিহত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার কেস ডকেটের (মামলার যাবতীয় তথ্যের সংরক্ষিত নথিপত্র) খোঁজ মেলেনি এখনো। ফলে কেস ডকেটেই ঘুরছে মামলার বিচার। আজ রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক জাকির হোসেন আগামী ২০ জুলাই আবারও কেস ডকেট উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিদের।
বারবার মামলার কেস ডকেট খুঁজে বের করে নথিতে শামিল করার নির্দেশনা থাকলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। সর্বশেষ গত ১৫ জুন মামলার কেস ডকেট সমন্বয় করে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারি কৌঁসুলিদের। কিন্তু তা সম্পন্ন না হওয়ায় আবার নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
এর আগে কয়েকবার কেস ডকেট খুঁজে বের করে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করার জন্য চকবাজার থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফরিদ উদ্দিন তা পারেননি।
ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২ জুন তৎকালীন ডিবির এসআই ফরিদ উদ্দিন কেস ডকেট গ্রহণ করেন। গত ১১ এপ্রিল ফরিদ উদ্দিনকে কেস ডকেটের বিষয়ে অবহিত করার জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেন। গত ২৭ এপ্রিল চকবাজার থানার সাবেক পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ট্রাইব্যুনালকে জানান, তিনি যেদিন কেস ডকেট গ্রহণ করেছেন, সেদিনই তৎকালীন ডিবির ডিসি শহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন। শহিদুল ইসলাম উক্ত কেস ডকেট কী করেছেন এরপর আর তিনি জানেন না।
এদিকে আসামি আদনান সিদ্দিকী ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক তাঁকে জামিন দেন। আগেও এই আসামি জামিনে ছিলেন। আশীষ রায় চৌধুরী, সাজিদুল ইসলাম ইমন, তারিক সাঈদ মামুনকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আসামি ফারুক আব্বাসী জামিনে থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। আসামি হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও সেলিম খান পলাতক রয়েছেন।
১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেল চৌধুরীকে। ঘটনার পর সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে বাদানুবাদই এই হত্যার নেপথ্য কারণ বলে মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিহত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার কেস ডকেটের (মামলার যাবতীয় তথ্যের সংরক্ষিত নথিপত্র) খোঁজ মেলেনি এখনো। ফলে কেস ডকেটেই ঘুরছে মামলার বিচার। আজ রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক জাকির হোসেন আগামী ২০ জুলাই আবারও কেস ডকেট উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিদের।
বারবার মামলার কেস ডকেট খুঁজে বের করে নথিতে শামিল করার নির্দেশনা থাকলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। সর্বশেষ গত ১৫ জুন মামলার কেস ডকেট সমন্বয় করে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারি কৌঁসুলিদের। কিন্তু তা সম্পন্ন না হওয়ায় আবার নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
এর আগে কয়েকবার কেস ডকেট খুঁজে বের করে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করার জন্য চকবাজার থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফরিদ উদ্দিন তা পারেননি।
ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২ জুন তৎকালীন ডিবির এসআই ফরিদ উদ্দিন কেস ডকেট গ্রহণ করেন। গত ১১ এপ্রিল ফরিদ উদ্দিনকে কেস ডকেটের বিষয়ে অবহিত করার জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেন। গত ২৭ এপ্রিল চকবাজার থানার সাবেক পরিদর্শক ফরিদ উদ্দিন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ট্রাইব্যুনালকে জানান, তিনি যেদিন কেস ডকেট গ্রহণ করেছেন, সেদিনই তৎকালীন ডিবির ডিসি শহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন। শহিদুল ইসলাম উক্ত কেস ডকেট কী করেছেন এরপর আর তিনি জানেন না।
এদিকে আসামি আদনান সিদ্দিকী ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক তাঁকে জামিন দেন। আগেও এই আসামি জামিনে ছিলেন। আশীষ রায় চৌধুরী, সাজিদুল ইসলাম ইমন, তারিক সাঈদ মামুনকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আসামি ফারুক আব্বাসী জামিনে থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। আসামি হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও সেলিম খান পলাতক রয়েছেন।
১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেল চৌধুরীকে। ঘটনার পর সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে বাদানুবাদই এই হত্যার নেপথ্য কারণ বলে মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে গত এক বছরে ৮৫ কোটি ৭২ লাখ টাকার চোরাচালানের পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ১৬৫ জন চোরাকারবারিকে ধরা হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
বুধবার জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে জনপ্রতিনিধিদের জরুরি সভা হয়। সভা শেষে মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুস শহীদকে ‘মব’ করে সমন্বয়ক পরিচয়ে কয়েকজন যুবক হেনস্তা করেন এবং আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।
৮ মিনিট আগে
সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাঁর মেয়ে বুশরা আফরিনকে ডাকা হয়েছিল।
২৪ মিনিট আগে
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবগঠিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মিত্রজয় তঞ্চঙ্গ্যা।
১ ঘণ্টা আগে