নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পোষা প্রাণীর ওপর কর আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কুকুর পুষলে প্রতিটির জন্য বছরে দিতে হবে ৫০০ টাকা, আর ঘোড়া ও হরিণের ক্ষেত্রে দিতে হবে ১ হাজার টাকা। এই করের ওপর আবার ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে।
‘সিটি করপোরেশন আদর্শ কর তফসিল ২০১৬ ’-এ কুকুর, হরিণ, ঘোড়া এই তিনটি পোষা প্রাণীর জন্য বার্ষিক কর দেওয়ার কথা বলা আছে। তবে এত দিন তা কার্যকর ছিল না। ডিএসসিসি এখন ২০১৬ সালের সেই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কর আদায়ে পোষা প্রাণীর মালিকদের চিঠি দিচ্ছে। পশুপ্রেমীরা বলছেন, এই কর আদায়ের ফলে পোষা প্রাণীরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে এবং রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো অরক্ষিত কুকুরের সংখ্যা আরও বাড়বে।
এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজল শামসুল কবির বলেন, ‘কর বাবদ পাওয়া অর্থ ওই পোষা প্রাণীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যয় করা হবে।’ আর ডিএসসিসির উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান, শেল্টার হোম বা ফসটার কেয়ারে থাকা প্রাণীদের ক্ষেত্রেও এই কর প্রযোজ্য হবে।
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পোষা প্রাণীর জন্য নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। সিটি করপোরেশনের ভেটেরিনারি শাখায় পোষা প্রাণী নিবন্ধনের ফরম পাওয়া যায়। সেখানে পশুর নাম, জাত, লিঙ্গ, বয়স, রং, শনাক্তকারী চিহ্ন, টিকা দেওয়ার তারিখ, মালিকের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়। ওই ফরম পূরণ করে প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তার থেকে অনুমোদনের সিল নিতে হয়। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক বলা হলেও কেউ নিবন্ধন না করলে কোনো শাস্তির বিধান আছে কি না এমন তথ্য জানাতে পারেননি ডিএসসিসির কর্মকর্তা।
সিটি করপোরেশন আদর্শ কর তফসিল ২০১৬ অনুযায়ী, দেশের সব সিটি করপোরেশনেই পোষা প্রাণীর জন্য কর দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ছাড়া অন্য কোথাও এই কর আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উত্তর সিটিতে বিদেশি পোষা প্রাণীর সংখ্যা বেশি থাকায় কেউ কেউ সিটি করপোরেশনে এসে পোষা প্রাণীর মালিকানার লাইসেন্স করান। এ বছর এখন পর্যন্ত ৪০-৫০ জন নির্ধারিত ফির বিনিময়ে এই লাইসেন্স করিয়েছেন। তবে আমাদের সিটি করপোরেশন থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে কর পরিশোধের জন্য চিঠি দেওয়া হয়নি।’
পশুপ্রেমী এবং প্রাণী রক্ষায় কাজ করা সংগঠনগুলো এই কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। রবিনহুড দ্য অ্যানিমেল রেসকিউয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আফজাল খান (রবিনহুড) বলেন, ‘যারা প্রাণী প্রজননের মাধ্যমে ব্যবসা করেন তাঁদের থেকে কর নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যারা ভবঘুরে প্রাণীদের আশ্রয় দিচ্ছেন, ভালোবাসা থেকে প্রাণীদের পালন করছেন, তাঁদের ওপর কর আরোপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে প্রাণীরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। আর যারা নিজ উদ্যোগে আহত প্রাণীদের উদ্ধার করে সেবা দিচ্ছেন তাঁদের ওপর কর বসানোটা অমানবিক।’
নীতু আহমেদ নামের একজন পশুপ্রেমী বলেন, ‘আমি বাসায় দুটো কুকুর পুষি। ওদের খাওয়ার ব্যবস্থা করাটাই আমার জন্য কষ্টকর হয়ে যায়। এর ওপর আমাকে যদি কর দিতে হয়, তাহলে ওদের রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর উপায় থাকবে না।’

পোষা প্রাণীর ওপর কর আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কুকুর পুষলে প্রতিটির জন্য বছরে দিতে হবে ৫০০ টাকা, আর ঘোড়া ও হরিণের ক্ষেত্রে দিতে হবে ১ হাজার টাকা। এই করের ওপর আবার ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে।
‘সিটি করপোরেশন আদর্শ কর তফসিল ২০১৬ ’-এ কুকুর, হরিণ, ঘোড়া এই তিনটি পোষা প্রাণীর জন্য বার্ষিক কর দেওয়ার কথা বলা আছে। তবে এত দিন তা কার্যকর ছিল না। ডিএসসিসি এখন ২০১৬ সালের সেই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কর আদায়ে পোষা প্রাণীর মালিকদের চিঠি দিচ্ছে। পশুপ্রেমীরা বলছেন, এই কর আদায়ের ফলে পোষা প্রাণীরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে এবং রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো অরক্ষিত কুকুরের সংখ্যা আরও বাড়বে।
এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজল শামসুল কবির বলেন, ‘কর বাবদ পাওয়া অর্থ ওই পোষা প্রাণীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যয় করা হবে।’ আর ডিএসসিসির উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান, শেল্টার হোম বা ফসটার কেয়ারে থাকা প্রাণীদের ক্ষেত্রেও এই কর প্রযোজ্য হবে।
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পোষা প্রাণীর জন্য নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। সিটি করপোরেশনের ভেটেরিনারি শাখায় পোষা প্রাণী নিবন্ধনের ফরম পাওয়া যায়। সেখানে পশুর নাম, জাত, লিঙ্গ, বয়স, রং, শনাক্তকারী চিহ্ন, টিকা দেওয়ার তারিখ, মালিকের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়। ওই ফরম পূরণ করে প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তার থেকে অনুমোদনের সিল নিতে হয়। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক বলা হলেও কেউ নিবন্ধন না করলে কোনো শাস্তির বিধান আছে কি না এমন তথ্য জানাতে পারেননি ডিএসসিসির কর্মকর্তা।
সিটি করপোরেশন আদর্শ কর তফসিল ২০১৬ অনুযায়ী, দেশের সব সিটি করপোরেশনেই পোষা প্রাণীর জন্য কর দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ছাড়া অন্য কোথাও এই কর আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উত্তর সিটিতে বিদেশি পোষা প্রাণীর সংখ্যা বেশি থাকায় কেউ কেউ সিটি করপোরেশনে এসে পোষা প্রাণীর মালিকানার লাইসেন্স করান। এ বছর এখন পর্যন্ত ৪০-৫০ জন নির্ধারিত ফির বিনিময়ে এই লাইসেন্স করিয়েছেন। তবে আমাদের সিটি করপোরেশন থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে কর পরিশোধের জন্য চিঠি দেওয়া হয়নি।’
পশুপ্রেমী এবং প্রাণী রক্ষায় কাজ করা সংগঠনগুলো এই কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। রবিনহুড দ্য অ্যানিমেল রেসকিউয়ার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আফজাল খান (রবিনহুড) বলেন, ‘যারা প্রাণী প্রজননের মাধ্যমে ব্যবসা করেন তাঁদের থেকে কর নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যারা ভবঘুরে প্রাণীদের আশ্রয় দিচ্ছেন, ভালোবাসা থেকে প্রাণীদের পালন করছেন, তাঁদের ওপর কর আরোপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে প্রাণীরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে। আর যারা নিজ উদ্যোগে আহত প্রাণীদের উদ্ধার করে সেবা দিচ্ছেন তাঁদের ওপর কর বসানোটা অমানবিক।’
নীতু আহমেদ নামের একজন পশুপ্রেমী বলেন, ‘আমি বাসায় দুটো কুকুর পুষি। ওদের খাওয়ার ব্যবস্থা করাটাই আমার জন্য কষ্টকর হয়ে যায়। এর ওপর আমাকে যদি কর দিতে হয়, তাহলে ওদের রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর উপায় থাকবে না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে