
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ চারজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাদেরকে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। এ ছাড়া চিকিৎসাধীন আরও দুজন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এনিয়ে দুই দিনে মোট চারজন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরল।
আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন।
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আজ কাজী আমজাদ সাইদ (২০) ও সবুজা বেগম (৪০) নামের দুজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আমজাদ ঘটনার সময় উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। আর সবুজা বেগম স্কুলে আয়ার কাজ করতেন। গতকাল আয়ান খান (১২) ও রাফসি (১২) নামের দুই শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।’
বার্ন ইনস্টিটিউটে এই মুহূর্তে ভর্তি ৩৪ জনের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন জানিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সঙ্কটাপন্ন রোগীদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে। সিভিয়ার ক্যাটাগরিতে, অর্থাৎ তাদের চেয়ে একটু কম গুরুতর অবস্থায় রয়েছে ৯ জন। অন্যরা অন্যান্য ওয়ার্ডে আছে। ৩৪ রোগীর ২৮ জনই শিশু, ৫ নারী ও ৩ জন পুরুষ। তাদের মধ্যে শরীরে ৩০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হয়েছে, এমন রোগী ৬ জন।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বার্ন ইনস্টিটিউটের এই পরিচালক বলেন, ‘হাসপাতালে যারা ভর্তি রয়েছে, তাদের সঙ্গে নিয়মিত দুই বেলা ইউনিটের প্রধানেরা কথা বলছেন। তাদের মানসিক সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে আরও বেশ কয়েকজনকে পর্যায়ক্রমে ছাড়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
২৫ মিনিট আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
৪৪ মিনিট আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
মোসা. লাইজু বেগম নামের এক নারী ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে চাল নিতে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে অনেক কষ্টে চাল নিয়ে বের হন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পরিষদের ভেতরে প্রচুর ভিড় ও ঠাসাঠাসি ছিল। সকালে শিশু নিয়ে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির সহায়তায় কোনোমতে চাল নিতে পেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে