নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের মতো ভারত খেদাও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় নুর ‘ডামি’ সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার দাবি জানান।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের মতো আমরা ভারত খেদাও আন্দোলন চালিয়ে নেব। আজকে ডান-বাম দলমত-নির্বিশেষে ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে নুর বলেন, ‘নিজেদের অমরত্বের জন্য দেশকে ধবংস করবেন না। নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেন, নইলে আপনার ভবিষ্যৎ অন্ধকার।’
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘বাংলাদেশ দুর্ভিক্ষের জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। দেশের মানুষের ঘরে ঘরে নাভিশ্বাস উঠে গেছে। এ সরকার উন্নয়ন নয়, দুর্নীতির রোল মডেল। আওয়ামী লীগের গুন্ডাপান্ডাদের উন্নয়ন হয়েছে। গণতন্ত্র আর মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হয়নি। কৃষক দাম পায় না, মধ্যস্বত্বভোগীরা পকেট পুরছে। আজকে কৃষকের ঘরে ঘরে দুর্ভিক্ষ।
তিনি আরও বলেন, ৭ তারিখের ডামি নির্বাচনে সাধারণ মানুষ কোনো ভোট দিতে যায়নি। সরকার দেশকে ভারতের হাতে তুলে দিচ্ছে। ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে একতরফাভাবে সমর্থন করার কারণে এ দেশের মানুষ ভারতের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে। ভারত বাংলাদেশকে সিকিম বানানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তুলেন তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নাজিম উদ্দিন।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের মতো ভারত খেদাও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় নুর ‘ডামি’ সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার দাবি জানান।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের মতো আমরা ভারত খেদাও আন্দোলন চালিয়ে নেব। আজকে ডান-বাম দলমত-নির্বিশেষে ভারতের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে নুর বলেন, ‘নিজেদের অমরত্বের জন্য দেশকে ধবংস করবেন না। নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেন, নইলে আপনার ভবিষ্যৎ অন্ধকার।’
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘বাংলাদেশ দুর্ভিক্ষের জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। দেশের মানুষের ঘরে ঘরে নাভিশ্বাস উঠে গেছে। এ সরকার উন্নয়ন নয়, দুর্নীতির রোল মডেল। আওয়ামী লীগের গুন্ডাপান্ডাদের উন্নয়ন হয়েছে। গণতন্ত্র আর মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হয়নি। কৃষক দাম পায় না, মধ্যস্বত্বভোগীরা পকেট পুরছে। আজকে কৃষকের ঘরে ঘরে দুর্ভিক্ষ।
তিনি আরও বলেন, ৭ তারিখের ডামি নির্বাচনে সাধারণ মানুষ কোনো ভোট দিতে যায়নি। সরকার দেশকে ভারতের হাতে তুলে দিচ্ছে। ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে একতরফাভাবে সমর্থন করার কারণে এ দেশের মানুষ ভারতের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে। ভারত বাংলাদেশকে সিকিম বানানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তুলেন তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নাজিম উদ্দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে